ফিফা বিশ্বকাপ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গেছে আগেই। তাই ফাইনালে ওঠার আক্ষেপ নিয়েই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই শক্তিশালী দল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। আজ শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় ম্যাচটি শুরু হবে। শিরোপার লড়াইয়ে না থাকলেও জয় দিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করতে চায় উভয় দল।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচকে অনেক সময় আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখা হলেও ফ্রান্সের জন্য এটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে এটিই দিদিয়ের দেশমের শেষ ম্যাচ। ২০১২ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর দীর্ঘ ১৪ বছরে তিনি ফরাসি ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তার অধীনে ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে ফ্রান্স, ২০২২ সালে খেলেছে ফাইনাল এবং এবারও দলকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত তুলেছেন। বিদায়ী ম্যাচে জয় দিয়ে দায়িত্ব ছাড়তে চান এই অভিজ্ঞ কোচ।
দলীয় অর্জনের সঙ্গে এই ম্যাচটি ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণেরও এক বড় মঞ্চ। আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আটটি গোল করে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে তার ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন ইংল্যান্ডের দুই তারকা হ্যারি কেইন এবং জুড বেলিংহাম—দুজনের ঝুলিতেই রয়েছে ৬টি করে গোল। আজকের ম্যাচে কেইন বা বেলিংহামের সামনে সুযোগ থাকবে এক জাদুকরী পারফরম্যান্সে এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার, যা ম্যাচটিতে ছড়াবে বাড়তি উত্তেজনা।
ম্যাচের আগে দুদলেই লেগেছে চোটের ধাক্কা। ফ্রান্সের রক্ষণভাগের মূল স্তম্ভ উইলিয়াম সালিবা পিঠের পুরোনো চোটের কারণে সেমিফাইনালের প্রথমার্ধেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন, তার এই ম্যাচে খেলা প্রায় অসম্ভব। তার জায়গায় ক্রিস্টাল প্যালেসের উদীয়মান তারকা ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া একাদশে আসতে পারেন।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড শিবিরেও চোটের কারণে ছিটকে গেছেন নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার রিস জেমস। তার অনুপস্থিতিতে ডিজেড স্পেন্স এবং তরুণ নিকো ও’রাইলি রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্ব পাবেন। তবে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের পর রেফারি বা প্রতিপক্ষের সঙ্গে তর্কে জড়ানো জুড বেলিংহামের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা না আসায় টুখেল তার সেরা মধ্যমাঠ নিয়েই মাঠে নামতে পারবেন।
একদিকে ফরাসি কিংবদন্তি দেশম বিদায়ের সম্মান রক্ষা, অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বড় দলের বিপক্ষে নকআউটের ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙার কঠিন চ্যালেঞ্জ—সব মিলিয়ে মিয়ামির এই মহারণ সান্ত্বনার ম্যাচ হলেও উত্তেজনার পারদ থাকবে তুঙ্গে। মাঠের লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবে, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে পুরো ফুটবল বিশ্ব।

বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গেছে আগেই। তাই ফাইনালে ওঠার আক্ষেপ নিয়েই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই শক্তিশালী দল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। আজ শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় ম্যাচটি শুরু হবে। শিরোপার লড়াইয়ে না থাকলেও জয় দিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করতে চায় উভয় দল।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচকে অনেক সময় আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখা হলেও ফ্রান্সের জন্য এটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে এটিই দিদিয়ের দেশমের শেষ ম্যাচ। ২০১২ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর দীর্ঘ ১৪ বছরে তিনি ফরাসি ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তার অধীনে ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে ফ্রান্স, ২০২২ সালে খেলেছে ফাইনাল এবং এবারও দলকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত তুলেছেন। বিদায়ী ম্যাচে জয় দিয়ে দায়িত্ব ছাড়তে চান এই অভিজ্ঞ কোচ।
দলীয় অর্জনের সঙ্গে এই ম্যাচটি ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণেরও এক বড় মঞ্চ। আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আটটি গোল করে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে তার ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন ইংল্যান্ডের দুই তারকা হ্যারি কেইন এবং জুড বেলিংহাম—দুজনের ঝুলিতেই রয়েছে ৬টি করে গোল। আজকের ম্যাচে কেইন বা বেলিংহামের সামনে সুযোগ থাকবে এক জাদুকরী পারফরম্যান্সে এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার, যা ম্যাচটিতে ছড়াবে বাড়তি উত্তেজনা।
ম্যাচের আগে দুদলেই লেগেছে চোটের ধাক্কা। ফ্রান্সের রক্ষণভাগের মূল স্তম্ভ উইলিয়াম সালিবা পিঠের পুরোনো চোটের কারণে সেমিফাইনালের প্রথমার্ধেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন, তার এই ম্যাচে খেলা প্রায় অসম্ভব। তার জায়গায় ক্রিস্টাল প্যালেসের উদীয়মান তারকা ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া একাদশে আসতে পারেন।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড শিবিরেও চোটের কারণে ছিটকে গেছেন নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার রিস জেমস। তার অনুপস্থিতিতে ডিজেড স্পেন্স এবং তরুণ নিকো ও’রাইলি রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্ব পাবেন। তবে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের পর রেফারি বা প্রতিপক্ষের সঙ্গে তর্কে জড়ানো জুড বেলিংহামের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা না আসায় টুখেল তার সেরা মধ্যমাঠ নিয়েই মাঠে নামতে পারবেন।
একদিকে ফরাসি কিংবদন্তি দেশম বিদায়ের সম্মান রক্ষা, অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বড় দলের বিপক্ষে নকআউটের ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙার কঠিন চ্যালেঞ্জ—সব মিলিয়ে মিয়ামির এই মহারণ সান্ত্বনার ম্যাচ হলেও উত্তেজনার পারদ থাকবে তুঙ্গে। মাঠের লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবে, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে পুরো ফুটবল বিশ্ব।