আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপের পর নিজেদের প্রথম পরীক্ষাতেই হতাশাজনক পারফরম্যান্স দেখাল ব্রাজিল। আজ শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে সেলেসাওরা। পুরো ম্যাচে আক্রমণভাগে বলার মতো তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কার্লো আনচেলত্তির দল। রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং ফরোয়ার্ডদের নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের খেসারত দিয়ে ম্যাচের শেষ মুহূর্তের গোলে কোনো রকমে ড্র করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথম দিকে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা এগিয়ে থাকলেও ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ নেয় ব্রাজিল।
প্রথমার্ধে অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলাররা মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে বেশ কয়েকটি ভালো আক্রমণ তৈরি করে। এর মাঝেই এনড্রিকের সঙ্গে দারুণ এক ওয়ান-টু খেলে বল জালে জড়িয়েছিলেন উদীয়মান তারকা এস্তেভাও। কিন্তু ভিএআর চেকে আক্রমণের শুরুতে ব্রুনো গিমারেসের ফাউল ধরা পড়ায় সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়। ফলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে গতি বাড়ায় দুদলই। ৬৮তম মিনিটে ডি-বক্সের প্রায় ১০ গজ দূর থেকে এক চোখধাঁধানো ফ্রি-কিকে টপ কর্নার দিয়ে গোল করে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে দেন নেস্টোরি ইরানকুন্দা।
১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে ওঠে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। কোচ আনচেলত্তি একের পর এক পরিবর্তন এনে দলের আক্রমণভাগে নতুন শক্তি সঞ্চার করেন। নির্ধারিত সময় শেষে ১-০ গোলেই ঐতিহাসিক জয়ের দিকে এগোচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া।
তবে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে (শেষ মিনিট) ব্রাজিল দলের মুখে হাসি ফেরান রায়ান। রাফিনিয়ার নিখুঁত ক্রসে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেড করেন। সকারুস গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ এক হাত দিয়ে বল আটকানোর চেষ্টা করলেও তা ক্রসবারে লেগে গোললাইন অতিক্রম করে। ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় রোমাঞ্চকর লড়াই।

২০২৬ বিশ্বকাপের পর নিজেদের প্রথম পরীক্ষাতেই হতাশাজনক পারফরম্যান্স দেখাল ব্রাজিল। আজ শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে সেলেসাওরা। পুরো ম্যাচে আক্রমণভাগে বলার মতো তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কার্লো আনচেলত্তির দল। রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং ফরোয়ার্ডদের নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের খেসারত দিয়ে ম্যাচের শেষ মুহূর্তের গোলে কোনো রকমে ড্র করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথম দিকে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা এগিয়ে থাকলেও ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ নেয় ব্রাজিল।
প্রথমার্ধে অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলাররা মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে বেশ কয়েকটি ভালো আক্রমণ তৈরি করে। এর মাঝেই এনড্রিকের সঙ্গে দারুণ এক ওয়ান-টু খেলে বল জালে জড়িয়েছিলেন উদীয়মান তারকা এস্তেভাও। কিন্তু ভিএআর চেকে আক্রমণের শুরুতে ব্রুনো গিমারেসের ফাউল ধরা পড়ায় সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়। ফলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে গতি বাড়ায় দুদলই। ৬৮তম মিনিটে ডি-বক্সের প্রায় ১০ গজ দূর থেকে এক চোখধাঁধানো ফ্রি-কিকে টপ কর্নার দিয়ে গোল করে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে দেন নেস্টোরি ইরানকুন্দা।
১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে ওঠে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। কোচ আনচেলত্তি একের পর এক পরিবর্তন এনে দলের আক্রমণভাগে নতুন শক্তি সঞ্চার করেন। নির্ধারিত সময় শেষে ১-০ গোলেই ঐতিহাসিক জয়ের দিকে এগোচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া।
তবে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে (শেষ মিনিট) ব্রাজিল দলের মুখে হাসি ফেরান রায়ান। রাফিনিয়ার নিখুঁত ক্রসে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেড করেন। সকারুস গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ এক হাত দিয়ে বল আটকানোর চেষ্টা করলেও তা ক্রসবারে লেগে গোললাইন অতিক্রম করে। ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় রোমাঞ্চকর লড়াই।