স্বপ্ন রায়

অক্টোবর মাস মানেই শরতের নীল আকাশ, নদীর তীরে দোলে ওঠা সাদা কাশফুল আর ভোরে ঝরে পড়া সুবাসিত শিউলি। প্রকৃতির এই রূপ আমাদের মনকে স্নিগ্ধতায় ভরিয়ে দেয়। কিন্তু ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই অক্টোবর মাসটি এবার শুধু প্রকৃতির নয়, বরং অক্টোবর মাসটি বিশ্বজুড়ে লিওনেল মেসির কোটি ভক্তের হৃদয়ে চিরদিনের জন্য এক আবেগঘন ও ঐতিহাসিক অধ্যায় হিসেবে খোদাই হয়ে রইল, কারণ ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর এই ফুটবল মহাতারকা আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরবিদায় জানিয়েছেন।
আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটিতে নেমেছিলেন এই ফুটবল জাদুকর।
বিদায়ের এই রাতটিকে রাজকীয় করে তুলতে আর্জেন্টিনা ৩-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে, যেখানে মেসি নিজে ১টি চোখধাঁধানো গোল করেন এবং বাকি ২টি গোলই সতীর্থদের দিয়ে করান। গ্যালারিতে উপস্থিত হাজারো ভক্তের অশ্রুসজল চোখ আর করতালি সাক্ষী ছিল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক বিদায়লগ্নের।
সবুজ গালিচায় শেষবার ভাঙলো নীরবতা,
পায়ের জাদুতে লেখা হল শেষ রূপকথা।
আকাশী-সাদার সেই চেনা ১০ নম্বর জার্সি,
বিদায়ের সুরে আজ কেঁদে ওঠল ফুটবল বিশ্ববাসী।
বিশ্বজয়ের মুকুট মাথায়, নেই কোনো আর দায়,
মহাকাব্যের শেষ পাতাটি মুড়ে, জাদুকর বিদায় নেয়।
প্রকৃতির নিয়মে শিউলি আর কাশফুল প্রতি বছরই ফিরে আসবে তাদের চিরাচরিত রূপ নিয়ে, কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবুজ মাঠে ১০ নম্বর জার্সি গায়ে মেসিকে আর কখনোই দেখা যাবে না। বিদায়ের এই করুণ সুর আর সোনালী স্মৃতির কারণে ২০২৬ সালের এই অক্টোবর মাসটি কোটি ভক্তের হৃদয়ে চিরকাল লিওনেল মেসির মাস হিসেবেই অমর হয়ে থাকবে।
এই বিদায়ের মধ্য দিয়ে অবসান ঘটল আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির দীর্ঘ ২১ বছরের এক অবিস্মরণীয় ও বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের। জাতীয় দলের হয়ে ২০৮টি ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি ১২৬টি গোল এবং ৬৮টি অ্যাসিস্টের এক অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ে গেছেন, যা ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।
ক্যারিয়ারজুড়ে দেশকে এনে দিয়েছেন ২০২২ সালের স্বপ্নের বিশ্বকাপ এবং ২০২১ ও ২০২৪ সালের দুটি কোপা আমেরিকা শিরোপা। আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনায় নিজের শ্রেষ্ঠত্ব পূর্ণাঙ্গ করে বিদায় নিলেও, ক্লাব ফুটবলে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামির হয়ে তাঁর পায়ের জাদু এবং ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিনোদন অবশ্য এখনো শেষ হয়ে যায়নি।

অক্টোবর মাস মানেই শরতের নীল আকাশ, নদীর তীরে দোলে ওঠা সাদা কাশফুল আর ভোরে ঝরে পড়া সুবাসিত শিউলি। প্রকৃতির এই রূপ আমাদের মনকে স্নিগ্ধতায় ভরিয়ে দেয়। কিন্তু ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই অক্টোবর মাসটি এবার শুধু প্রকৃতির নয়, বরং অক্টোবর মাসটি বিশ্বজুড়ে লিওনেল মেসির কোটি ভক্তের হৃদয়ে চিরদিনের জন্য এক আবেগঘন ও ঐতিহাসিক অধ্যায় হিসেবে খোদাই হয়ে রইল, কারণ ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর এই ফুটবল মহাতারকা আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরবিদায় জানিয়েছেন।
আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটিতে নেমেছিলেন এই ফুটবল জাদুকর।
বিদায়ের এই রাতটিকে রাজকীয় করে তুলতে আর্জেন্টিনা ৩-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে, যেখানে মেসি নিজে ১টি চোখধাঁধানো গোল করেন এবং বাকি ২টি গোলই সতীর্থদের দিয়ে করান। গ্যালারিতে উপস্থিত হাজারো ভক্তের অশ্রুসজল চোখ আর করতালি সাক্ষী ছিল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক বিদায়লগ্নের।
সবুজ গালিচায় শেষবার ভাঙলো নীরবতা,
পায়ের জাদুতে লেখা হল শেষ রূপকথা।
আকাশী-সাদার সেই চেনা ১০ নম্বর জার্সি,
বিদায়ের সুরে আজ কেঁদে ওঠল ফুটবল বিশ্ববাসী।
বিশ্বজয়ের মুকুট মাথায়, নেই কোনো আর দায়,
মহাকাব্যের শেষ পাতাটি মুড়ে, জাদুকর বিদায় নেয়।
প্রকৃতির নিয়মে শিউলি আর কাশফুল প্রতি বছরই ফিরে আসবে তাদের চিরাচরিত রূপ নিয়ে, কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবুজ মাঠে ১০ নম্বর জার্সি গায়ে মেসিকে আর কখনোই দেখা যাবে না। বিদায়ের এই করুণ সুর আর সোনালী স্মৃতির কারণে ২০২৬ সালের এই অক্টোবর মাসটি কোটি ভক্তের হৃদয়ে চিরকাল লিওনেল মেসির মাস হিসেবেই অমর হয়ে থাকবে।
এই বিদায়ের মধ্য দিয়ে অবসান ঘটল আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির দীর্ঘ ২১ বছরের এক অবিস্মরণীয় ও বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের। জাতীয় দলের হয়ে ২০৮টি ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি ১২৬টি গোল এবং ৬৮টি অ্যাসিস্টের এক অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ে গেছেন, যা ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।
ক্যারিয়ারজুড়ে দেশকে এনে দিয়েছেন ২০২২ সালের স্বপ্নের বিশ্বকাপ এবং ২০২১ ও ২০২৪ সালের দুটি কোপা আমেরিকা শিরোপা। আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনায় নিজের শ্রেষ্ঠত্ব পূর্ণাঙ্গ করে বিদায় নিলেও, ক্লাব ফুটবলে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামির হয়ে তাঁর পায়ের জাদু এবং ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিনোদন অবশ্য এখনো শেষ হয়ে যায়নি।