আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

জাতীয় দলে খেলোয়াড়ি জীবনের শেষ ম্যাচে এই ইতালির মুখোমুখি হয়েছিলেন। কোচিং জীবনেরও একেবারে গোড়ার দিকে জিনেদিন জিদানের দেখা হয়ে গেল সেই ইতালির সঙ্গে। অবধারিতভাবেই সেই ঢুঁসকাণ্ডের কথা উঠল। তবে সব ছাপিয়ে গেল রাতে মাঠের লড়াইটা যেন একটু আড়ালেই চলে গিয়েছিল। সেই লড়াইয়ে অবশ্য জিদানের ফ্রান্স জিততে পারেনি শুরুতে এগিয়ে গিয়েও। ১-১ ড্র করেছে ঘরের মাঠে।
শুরুটা অবশ্য মনমতো হয়নি। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের চেনাতে শুরু করে স্বাগতিকেরা।
নবম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত ইতালি। বাঁ দিক থেকে আসা পাস পেয়ে দূরের পোস্টে ফাঁকায় ছিলেন মোইজে কিন। কিন্তু তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মিয়াঁ।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নিতে থাকে ফ্রান্স। ৩৭তম মিনিটে প্রথমবার লক্ষ্যে শট নেয় তারা। উসমান দেম্বেলের শট অবশ্য সহজেই ঠেকিয়ে দেন জানলুইজি দোন্নারুম্মা।
প্রথমার্ধে দুই দলই ৮টি করে শট নেয়। লক্ষ্যে ছিল একটি করে।
বিরতির পর ৫৫ মিনিটে ফ্রান্সের গোলটি ছিল দারুণ। ফ্রি কিক থেকে সরাসরি গোলের চেষ্টা না করে শেরকি বল বাড়িয়ে দেন ওলিসেকে। বাঁ পায়ের দারুণ শটে বল ক্রসবারে লেগে জালে ঢোকে। ইতালির গোলরক্ষক শুধু তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করতে পারেননি।
কিন্তু ১৩ মিনিট পরই ম্যাচের গল্প বদলে দেন বাস্তোনি। তুরস্কের বিপক্ষে কয়েক দিন আগে ইতালির ৪-১ গোলের জয়ে ম্যাচের প্রথম গোলটি করেছিলেন এই ইন্টার মিলান ডিফেন্ডার। ফ্রান্সের বিপক্ষেও গোল করে চলতি নেশনস লিগে নিজের গোলসংখ্যা নিয়ে গেলেন দুইয়ে।
শেষদিকে দায়েত উপামেকানো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দল হয়ে যায় ফ্রান্স। তবে সেই সুযোগটা আর নিতে পারেনি ইতালি। ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে দুই দল।

জাতীয় দলে খেলোয়াড়ি জীবনের শেষ ম্যাচে এই ইতালির মুখোমুখি হয়েছিলেন। কোচিং জীবনেরও একেবারে গোড়ার দিকে জিনেদিন জিদানের দেখা হয়ে গেল সেই ইতালির সঙ্গে। অবধারিতভাবেই সেই ঢুঁসকাণ্ডের কথা উঠল। তবে সব ছাপিয়ে গেল রাতে মাঠের লড়াইটা যেন একটু আড়ালেই চলে গিয়েছিল। সেই লড়াইয়ে অবশ্য জিদানের ফ্রান্স জিততে পারেনি শুরুতে এগিয়ে গিয়েও। ১-১ ড্র করেছে ঘরের মাঠে।
শুরুটা অবশ্য মনমতো হয়নি। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের চেনাতে শুরু করে স্বাগতিকেরা।
নবম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত ইতালি। বাঁ দিক থেকে আসা পাস পেয়ে দূরের পোস্টে ফাঁকায় ছিলেন মোইজে কিন। কিন্তু তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মিয়াঁ।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নিতে থাকে ফ্রান্স। ৩৭তম মিনিটে প্রথমবার লক্ষ্যে শট নেয় তারা। উসমান দেম্বেলের শট অবশ্য সহজেই ঠেকিয়ে দেন জানলুইজি দোন্নারুম্মা।
প্রথমার্ধে দুই দলই ৮টি করে শট নেয়। লক্ষ্যে ছিল একটি করে।
বিরতির পর ৫৫ মিনিটে ফ্রান্সের গোলটি ছিল দারুণ। ফ্রি কিক থেকে সরাসরি গোলের চেষ্টা না করে শেরকি বল বাড়িয়ে দেন ওলিসেকে। বাঁ পায়ের দারুণ শটে বল ক্রসবারে লেগে জালে ঢোকে। ইতালির গোলরক্ষক শুধু তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করতে পারেননি।
কিন্তু ১৩ মিনিট পরই ম্যাচের গল্প বদলে দেন বাস্তোনি। তুরস্কের বিপক্ষে কয়েক দিন আগে ইতালির ৪-১ গোলের জয়ে ম্যাচের প্রথম গোলটি করেছিলেন এই ইন্টার মিলান ডিফেন্ডার। ফ্রান্সের বিপক্ষেও গোল করে চলতি নেশনস লিগে নিজের গোলসংখ্যা নিয়ে গেলেন দুইয়ে।
শেষদিকে দায়েত উপামেকানো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দল হয়ে যায় ফ্রান্স। তবে সেই সুযোগটা আর নিতে পারেনি ইতালি। ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে দুই দল।