ফিফা বিশ্বকাপ

অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক
Thumbnail image

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ১-১ এ সমতায়। এরপর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১১৩ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ ছিল ১–১ গোলে সমতায়। এরপর গোলের দেখা পান হুলিয়ান আলভারেজ ও লাওতারো মার্টিনেজ। এতেই সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।  

আজ রোববার কনসাস স্টেডিয়ামের ৯০ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ ছিল ১-১ গোলের ড্র। এর মধ্যে নাটক আর বাঁক বদল। তবে লাউতারো মার্টিনেজ সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেন। ১২০তম মিনিটে  চমৎকার ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে ৩-১ গোলের জয় উপহার দেন লাউতারো মার্তিনেজ। তাতেই শেষ চার নিশ্চিত হয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির দল। সেমিতে আলবেসেলেস্তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। ১৫ জুলাই আটালান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দল দুটি।

ম্যাচের প্রথম অর্ধে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় আনে সুইজারল্যান্ড। এরপর অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। ১১২ ও ১২০তম মিনিটে গোল করেন হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ।

এর আগে ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা ছন্দে আক্রমণ শানাতে থাকে আর্জেন্টিনা। নবম মিনিটেই কর্নার পায় তারা। কর্নার থেকে একেবারে মাপা শট নেন কাপ্তান লিওনেল মেসি। সুইসদের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে গোল পেতে হলে অনেকটা লাফাতে হতো ম্যাক অ্যালিস্টারকে। তবে তার সামনে থাকা সুইস ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকানজি লাফিয়েও বলের নাগাল পাননি। সেই সুযোগটাই কাজে লাগান অ্যালিস্টার। দ্বিতীয় বার ঘেঁষে বল যখন জালে জড়ায়, সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের কেবল তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না।

এই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬৫তম মিনিটে এমবোলোর হেড বাম দিকে ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেন এমি মার্তিনেজ। পরের মিনিটেই বক্সের বেশ বাইরে থেকে গ্রানিত জাকার জোরাল শট আবার ডাইভ দিয়ে ঠেকান আর্জেন্টাইন গোলকিপার। এর দুই মিনিট পরই সমতায় ফেরে সুইসরা।  রিকার্দো রদ্রিগেজের সঙ্গে দারুণভাবে ওয়ান-টু খেলে চমৎকার ফিনিশিংয়ে জাল কাঁপান এনদোয়ে।

এরপরই ডাইভ দিয়ে লাল কার্ড দেখেন এমবোলো।  ফাউলের জন্য শুরুতে পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। তবে পরে ভিএআর রেফারির হস্তক্ষেপের পর মাঠের পাশের স্ক্রিনে রিপ্লে দেখে রেফারি সিদ্ধান্তে পৌঁছান, ইচ্ছে করেই ডাইভ দিয়েছেন এমবোলো। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয় ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে। কান্না করতে করতে মাঠ ছাড়তে দেখা যায় তাকে।

যোগ করা সময়ের ৯ মিনিটের শেষ দিকে লিসান্দ্রো মার্তিনেজেরর অ্যাক্রোবেটিক শট ফুল লেংথ ডাইভ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন সুইস গোলকিপার গ্রেগর কোবেল। এই সময়েও কোন ফল আসাতে ম্যাচ যায় অতিরিক্ত সময়ে। যেখানে ১১২তম মিনিটে ডি বক্সের বাইর থেকে কার্লিং শটে লিড এনে দেন আলভারেজ। আর ১২০তম মিনিটে সুইজারল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন লাউতারো মার্টিনেজ।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সম্পর্কিত