ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে নরওয়ে। কিন্তু তাদের রূপকথার জয়যাত্রা শেষ হলো এখানেই, ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে স্টেল সোলবাকেনের দল। বিদায় নেওয়ার আগে এই রাউন্ডে তারা লড়াই করেছে, কিন্তু হার এড়াতে পারেনি। দারুণ জয়ে এক আসর পর আবারও সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিল থ্রি লায়ন্সরা।
গতকাল শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি স্টেডিয়ামে নরওয়েকে অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড।
শুরু থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ইংল্যান্ডের হাতে। বেশ কিছু আক্রমণে নরওয়ের ডিফেন্সকে ব্যস্ত রাখে ইংলিশ ফরোয়ার্ডরা। তবে স্রোতের বিপরীতে ৩৬ মিনিটে গোল খেয়ে বসে তারা। দারুণ এক শটে দূরের পোস্ট ঘেঁসে বল জালে জড়ান আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ।
এরপর ম্যাচে সমতা আনতে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে সমতা এনে দেন জুড বেলিংহাম। এতে ১-১ গোলের সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর হলান্ডের হেড ডান দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নার করে দেন পিকফোর্ড। ৫৫ মিনিটে ফের শেলদেরুপের গোলে ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দে মেতে ওঠে নরওয়ের সমর্থকেরা। কিন্তু ভিএআরএ রিভিউয়ে দেখা যায় গোলের আগে বক্সে অ্যান্ডারসনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন হলান্ড, ফাউল ধরায় গোল বাতিল হয় নরওয়ের। যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে ইংল্যান্ড।
৭৬ মিনিটে জয়সূচক গোলের খুব কাছাকাছি গিয়েছিল নরওয়ে। বার্গের কর্নার কিক পিকফোর্ড ফিস্ট করে প্রায় ক্লিয়ার করে দেন, কিন্তু ফ্রেডরিক অউরেস্নেস ফের উচু করে বল বাড়ান বক্সে, গোলমুখের সামনে হেড নেন ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের। কিন্তু নরওয়ে ডিফেন্ডারের হেডটি ক্রসবারের ওপরের অংশে লেগে ফিরে আসে।
দুই মিনিট পর আক্ষেপ বাড়িয়ে সাকার শট চলে যায় দূরের পোস্টের বাইরে দিয়ে। ৮৭ মিনিটে গোলমুখের সামনে দারুণ ক্রস দেন সাকা। তবে নরওয়ের ডিফেন্ডার আয়ের বলটি উড়িয়ে মেরে ক্লিয়ার করে দেন। শেষ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
৯৩ মিনিটেই দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বেলিংহাম। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে গোলে দূরপাল্লার বাকানো শট নেন মর্গান রজার্স, নরওয়ে গোলকিপার অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড ঝাঁপিয়ে রুখেও দেন, কিন্তু পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে না পারায় দৌরে এসে রিবাউন্ড থেকে জালে বল জড়ান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
৯৯ মিনিটে বক্সে এবেরেচি এজেকে ফাউল করায় পেনাল্টি হজম করে নরওয়ে। যদিও ভিএআর রিভিউয়ে পরে সেটি বাতিল করলে লাইফলাইন পায় নরওয়ে। ১০৯ মিনিটে জোড়া সেভ করে নরওয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন দলটির গোলকিপার। কিন্তু তাঁর দল আর পারেনি ম্যাচে ফিরতে। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের পরাজয় মেনেই বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করে নরওয়ে।

পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে নরওয়ে। কিন্তু তাদের রূপকথার জয়যাত্রা শেষ হলো এখানেই, ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে স্টেল সোলবাকেনের দল। বিদায় নেওয়ার আগে এই রাউন্ডে তারা লড়াই করেছে, কিন্তু হার এড়াতে পারেনি। দারুণ জয়ে এক আসর পর আবারও সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিল থ্রি লায়ন্সরা।
গতকাল শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি স্টেডিয়ামে নরওয়েকে অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড।
শুরু থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ইংল্যান্ডের হাতে। বেশ কিছু আক্রমণে নরওয়ের ডিফেন্সকে ব্যস্ত রাখে ইংলিশ ফরোয়ার্ডরা। তবে স্রোতের বিপরীতে ৩৬ মিনিটে গোল খেয়ে বসে তারা। দারুণ এক শটে দূরের পোস্ট ঘেঁসে বল জালে জড়ান আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ।
এরপর ম্যাচে সমতা আনতে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে সমতা এনে দেন জুড বেলিংহাম। এতে ১-১ গোলের সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর হলান্ডের হেড ডান দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নার করে দেন পিকফোর্ড। ৫৫ মিনিটে ফের শেলদেরুপের গোলে ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার আনন্দে মেতে ওঠে নরওয়ের সমর্থকেরা। কিন্তু ভিএআরএ রিভিউয়ে দেখা যায় গোলের আগে বক্সে অ্যান্ডারসনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন হলান্ড, ফাউল ধরায় গোল বাতিল হয় নরওয়ের। যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে ইংল্যান্ড।
৭৬ মিনিটে জয়সূচক গোলের খুব কাছাকাছি গিয়েছিল নরওয়ে। বার্গের কর্নার কিক পিকফোর্ড ফিস্ট করে প্রায় ক্লিয়ার করে দেন, কিন্তু ফ্রেডরিক অউরেস্নেস ফের উচু করে বল বাড়ান বক্সে, গোলমুখের সামনে হেড নেন ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের। কিন্তু নরওয়ে ডিফেন্ডারের হেডটি ক্রসবারের ওপরের অংশে লেগে ফিরে আসে।
দুই মিনিট পর আক্ষেপ বাড়িয়ে সাকার শট চলে যায় দূরের পোস্টের বাইরে দিয়ে। ৮৭ মিনিটে গোলমুখের সামনে দারুণ ক্রস দেন সাকা। তবে নরওয়ের ডিফেন্ডার আয়ের বলটি উড়িয়ে মেরে ক্লিয়ার করে দেন। শেষ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
৯৩ মিনিটেই দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বেলিংহাম। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে গোলে দূরপাল্লার বাকানো শট নেন মর্গান রজার্স, নরওয়ে গোলকিপার অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড ঝাঁপিয়ে রুখেও দেন, কিন্তু পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে না পারায় দৌরে এসে রিবাউন্ড থেকে জালে বল জড়ান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
৯৯ মিনিটে বক্সে এবেরেচি এজেকে ফাউল করায় পেনাল্টি হজম করে নরওয়ে। যদিও ভিএআর রিভিউয়ে পরে সেটি বাতিল করলে লাইফলাইন পায় নরওয়ে। ১০৯ মিনিটে জোড়া সেভ করে নরওয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন দলটির গোলকিপার। কিন্তু তাঁর দল আর পারেনি ম্যাচে ফিরতে। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের পরাজয় মেনেই বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করে নরওয়ে।