আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

প্রথমার্ধে জাপানের গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ব্রাজিল। এরপর ক্যাসেমিরোর গোলে সমতায় ফিরে সেলেসাওরা। পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াই শেষে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ২-১ গোলের জয়ে শেষ ষোলোতে পা রাখলো সেলেসাওরা।
ম্যাচের শুরু থেকে বলের দখল পুরোপুরি ছিল ব্রাজিলের দখলে। অন্যদিকে, ডিফেন্সিভ খেলতে থাকে জাপান। ৩ মিনিটে ব্রাজিল আক্রমণের সুযোগ পায়। বক্সের প্রান্ত থেকে ব্রুনো গিমারায়েসের শট প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। পাঁচ মিনিটে ওপর দিয়ে বল বাড়ায় ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সামনে বল পড়ার আগেই জাপানি গোলকিপার সুজুকি সামনে এগিয়ে এসে দুই হাত দিয়ে পাঞ্চ করে বল ক্লিয়ার করেন।
১০ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো বলে ব্রাজিলিয়ানদের নিজেদের মধ্যেই ভুল বোঝাবুঝির কারণে একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া হয়। এরপর কুনহা ও পাকেতার শটগুলোও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয়। জাপান শুরুতে কিছুটা রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেললেও ১৬ মিনিটে কামাদার ফ্রি কিক থেকে তারা নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়।
ম্যাচের ২৯ মিনিটে পুরো দৃশ্যপট বদলে দেন সানো। মাঝমাঠে দানিলোর নিয়ন্ত্রণ হারানো লুজ বলটি লুফে নিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যান তিনি। অভিজ্ঞ কাসেমিরোকে গতিতে পরাস্ত করে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার ডান পায়ের শটটি সরাসরি খুঁজে নেয় পোস্টের নিচের বাম কোণ। গোলরক্ষকের সব প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে বল জালে জড়িয়ে গেলে গ্যালারিতে থাকা জাপানি সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।
গোল হজম করার পর ব্রাজিল আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয়। সমতা ফেরাতে মরিয়া সেলেসাওরা বারবার জাপানের রক্ষণভাগে হানা দিতে থাকে। পাকেতার ফ্রি কিক থেকে মারকুইনহোসের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর পরপরই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও কুনহা দূরপাল্লার শট নিলেও জাপানি গোলরক্ষক সুজুকি এবার আর কোনো ভুল করেননি। রক্ষণভাগকে সুসংগঠিত রেখে প্রথমার্ধের বাকি সময়টা পার করে দেয় জাপান। বিরতির আগে ১-০ গোলের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে এশিয়ার প্রতিনিধিরা।
বিরতিতে থেকে ফিরে গোল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। একের পর এক আক্রমণ চালায় তারা। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় সেলেসাওরা। গ্যাব্রিয়েল মাগালাইয়েসের ক্রসে কাসেমিরোর দারুণ এক হেডে সমতায় ফিরেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এরপর একাধিক আক্রমণেও করে গোলে দেখা পাচ্ছিলো না ব্রাজিল। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর দিকে যাচ্ছি। ম্যাচের যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। গিমাইরেসের বাড়ানো বলে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির কোনাকুনি শট পোস্টে লেগে জালে জড়ায়। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।

প্রথমার্ধে জাপানের গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ব্রাজিল। এরপর ক্যাসেমিরোর গোলে সমতায় ফিরে সেলেসাওরা। পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াই শেষে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ২-১ গোলের জয়ে শেষ ষোলোতে পা রাখলো সেলেসাওরা।
ম্যাচের শুরু থেকে বলের দখল পুরোপুরি ছিল ব্রাজিলের দখলে। অন্যদিকে, ডিফেন্সিভ খেলতে থাকে জাপান। ৩ মিনিটে ব্রাজিল আক্রমণের সুযোগ পায়। বক্সের প্রান্ত থেকে ব্রুনো গিমারায়েসের শট প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। পাঁচ মিনিটে ওপর দিয়ে বল বাড়ায় ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সামনে বল পড়ার আগেই জাপানি গোলকিপার সুজুকি সামনে এগিয়ে এসে দুই হাত দিয়ে পাঞ্চ করে বল ক্লিয়ার করেন।
১০ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো বলে ব্রাজিলিয়ানদের নিজেদের মধ্যেই ভুল বোঝাবুঝির কারণে একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া হয়। এরপর কুনহা ও পাকেতার শটগুলোও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয়। জাপান শুরুতে কিছুটা রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেললেও ১৬ মিনিটে কামাদার ফ্রি কিক থেকে তারা নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়।
ম্যাচের ২৯ মিনিটে পুরো দৃশ্যপট বদলে দেন সানো। মাঝমাঠে দানিলোর নিয়ন্ত্রণ হারানো লুজ বলটি লুফে নিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যান তিনি। অভিজ্ঞ কাসেমিরোকে গতিতে পরাস্ত করে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার ডান পায়ের শটটি সরাসরি খুঁজে নেয় পোস্টের নিচের বাম কোণ। গোলরক্ষকের সব প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে বল জালে জড়িয়ে গেলে গ্যালারিতে থাকা জাপানি সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।
গোল হজম করার পর ব্রাজিল আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয়। সমতা ফেরাতে মরিয়া সেলেসাওরা বারবার জাপানের রক্ষণভাগে হানা দিতে থাকে। পাকেতার ফ্রি কিক থেকে মারকুইনহোসের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর পরপরই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও কুনহা দূরপাল্লার শট নিলেও জাপানি গোলরক্ষক সুজুকি এবার আর কোনো ভুল করেননি। রক্ষণভাগকে সুসংগঠিত রেখে প্রথমার্ধের বাকি সময়টা পার করে দেয় জাপান। বিরতির আগে ১-০ গোলের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে এশিয়ার প্রতিনিধিরা।
বিরতিতে থেকে ফিরে গোল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। একের পর এক আক্রমণ চালায় তারা। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় সেলেসাওরা। গ্যাব্রিয়েল মাগালাইয়েসের ক্রসে কাসেমিরোর দারুণ এক হেডে সমতায় ফিরেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এরপর একাধিক আক্রমণেও করে গোলে দেখা পাচ্ছিলো না ব্রাজিল। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর দিকে যাচ্ছি। ম্যাচের যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। গিমাইরেসের বাড়ানো বলে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির কোনাকুনি শট পোস্টে লেগে জালে জড়ায়। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।