নিজস্ব প্রতিবেদক

মনোলোভা প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের চার কিলোমিটার এলাকা নিয়ে মহাপরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। হারিয়ে যাওয়া জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে সরকার এই পরিকল্পনা করছে। ১০ বছর মেয়াদী এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ৫৫ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে। মূলত অতিরিক্ত পর্যটক ঠেকাতে সরকার এই পথে যাচ্ছে।
সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। এই জোনের এক কিলোমিটারের মধ্যে মাছ ধরা, দূষণ ও বন্য প্রাণীকে বিরক্ত করা নিষিদ্ধের সুপারিশ করা হয়েছে।
জানা গেছে, আগে এই দ্বীপে ৭ হাজার ১৯৩ জন পর্যটক রাতে থাকতেন। এতে করে সেখান পরিবেশ প্রতিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। দূষিত হচ্ছে এলাকা। ১৯৮০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৩৮ বছরে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রবাল প্রজাতি ১৪১ টি থেকে কমে ৪০ টিতে দাঁড়ায়। ২০৪৫ সালের মধ্যে দ্বীপটি পুরোপুরি প্রবালশূন্য হয়ে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কাও রয়েছে। তাই দিনে ৯০০ পর্যটক রাখতে চান সরকার।

নতুন মহাপরিকল্পনায় বলা আছে, সংরক্ষণের অংশ হিসেবে আট বর্গকিলোমিটারের সেন্ট মার্টিনকে চারটি জোনে ভাগ করা হবে। প্রথম জোনকে নাম দেওয়া হয়েছে ‘সাধারণ ব্যবহার এলাকা’। সেন্ট মার্টিনের অন্য তিন অংশ থেকে হোটেল ও রিসোর্ট সরিয়ে এ জোনে নিয়ে আসা হবে। এ জোনেই রাত কাটাবেন পর্যটকেরা। প্রতিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় এখানে প্রতিদিন সর্বোচ্চ পর্যটক সংখ্যা ৯০০ জনে সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে মহাপরিকল্পনায়।
এ প্রসঙ্গে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইস) গবেষক এইচ এম নুরুল ইসলাম বলেন, সেন্ট মার্টিনের ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে অঞ্চল ভাগ করা হয়েছে।
সেন্ট মার্টিনে ১ হাজার ৪৪৫টি পরিবারে জনসংখ্যা ৯ হাজার ৮৮৫ জন।
এ দ্বীপে হোটেল ও রিসোর্টের সংখ্যা ১০৯।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিশিষ্ট পরিবেশবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেন্ট মার্টিনকে রক্ষা করতে হলে নিয়ন্ত্রিত পর্যটনের কোনো বিকল্প নেই। এখানে পর্যটন হতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক। এ ছাড়া বিকল্প কর্মসংস্থানে মৎস্য ও কৃষি মন্ত্রণালয় প্রকল্প হাতে নেবে। এর মধ্যে বাংলাদেশের নিজস্ব জলবায়ু তহবিল থেকে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

মনোলোভা প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের চার কিলোমিটার এলাকা নিয়ে মহাপরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। হারিয়ে যাওয়া জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে সরকার এই পরিকল্পনা করছে। ১০ বছর মেয়াদী এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ৫৫ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে। মূলত অতিরিক্ত পর্যটক ঠেকাতে সরকার এই পথে যাচ্ছে।
সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। এই জোনের এক কিলোমিটারের মধ্যে মাছ ধরা, দূষণ ও বন্য প্রাণীকে বিরক্ত করা নিষিদ্ধের সুপারিশ করা হয়েছে।
জানা গেছে, আগে এই দ্বীপে ৭ হাজার ১৯৩ জন পর্যটক রাতে থাকতেন। এতে করে সেখান পরিবেশ প্রতিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। দূষিত হচ্ছে এলাকা। ১৯৮০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৩৮ বছরে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রবাল প্রজাতি ১৪১ টি থেকে কমে ৪০ টিতে দাঁড়ায়। ২০৪৫ সালের মধ্যে দ্বীপটি পুরোপুরি প্রবালশূন্য হয়ে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কাও রয়েছে। তাই দিনে ৯০০ পর্যটক রাখতে চান সরকার।

নতুন মহাপরিকল্পনায় বলা আছে, সংরক্ষণের অংশ হিসেবে আট বর্গকিলোমিটারের সেন্ট মার্টিনকে চারটি জোনে ভাগ করা হবে। প্রথম জোনকে নাম দেওয়া হয়েছে ‘সাধারণ ব্যবহার এলাকা’। সেন্ট মার্টিনের অন্য তিন অংশ থেকে হোটেল ও রিসোর্ট সরিয়ে এ জোনে নিয়ে আসা হবে। এ জোনেই রাত কাটাবেন পর্যটকেরা। প্রতিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় এখানে প্রতিদিন সর্বোচ্চ পর্যটক সংখ্যা ৯০০ জনে সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে মহাপরিকল্পনায়।
এ প্রসঙ্গে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইস) গবেষক এইচ এম নুরুল ইসলাম বলেন, সেন্ট মার্টিনের ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে অঞ্চল ভাগ করা হয়েছে।
সেন্ট মার্টিনে ১ হাজার ৪৪৫টি পরিবারে জনসংখ্যা ৯ হাজার ৮৮৫ জন।
এ দ্বীপে হোটেল ও রিসোর্টের সংখ্যা ১০৯।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিশিষ্ট পরিবেশবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেন্ট মার্টিনকে রক্ষা করতে হলে নিয়ন্ত্রিত পর্যটনের কোনো বিকল্প নেই। এখানে পর্যটন হতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক। এ ছাড়া বিকল্প কর্মসংস্থানে মৎস্য ও কৃষি মন্ত্রণালয় প্রকল্প হাতে নেবে। এর মধ্যে বাংলাদেশের নিজস্ব জলবায়ু তহবিল থেকে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।