সাজিদুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার অন্যতম পর্যটন স্পটের একটি হলো লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান। কিছুটা উঁচু-নিচু লাল মাটির পাহাড়ে গড়ে উঠেছে এই উদ্যানটি। ইট বিছানো পথ ধরে হাঁটলে একটু পরপরই চোখে পড়বে বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির নানা উদ্ভিদ। চারপাশের সবুজ প্রকৃতি আর পাখির কিচিরমিচির শব্দ যেকোনো দর্শনার্থীদেরই মুগ্ধ করে তুলবে।

বর্তমান প্রজন্ম প্রায় ভুলতে বসেছে—এমন অনেক বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে এই উদ্যান। লালমাই উদ্ভিদ উদ্যানে রয়েছে নানা জাতের ফুল, ফল ও বিপন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ। উদ্যানজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই বিরল উদ্ভিদের সমাহার প্রতিনিয়তই দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে।

উদ্ভিদ উদ্যানটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ি ময়নামতি জাদুঘরের কাছাকাছি ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সালমানপুর এলাকায় অবস্থিত। প্রায় ১৭ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই উদ্যানটি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উদ্যানটিতে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে একটি বিশাল গোলাপ বাগান। সেখানে রয়েছে হরেক রকমের গোলাপ, যা প্রতিটি ফুলপ্রেমী মানুষকেই আকৃষ্ট করবে। গোলাপ বাগানের দু’পাশে ইট বিছানো পথের ধারজুড়ে সাজানো রয়েছে নানা প্রজাতির বিরল উদ্ভিদ। প্রতিটি উদ্ভিদের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে পরিচিতি বোর্ড, যেখানে উদ্ভিদের নাম ও বিস্তারিত পরিচয় উল্লেখ করা আছে।

আরও কিছুটা এগিয়ে গেলে চোখে পড়ে প্রায় বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশঝাড়। রয়েছে রঙ-বেরঙের নানান ফুলের সমারোহ। উদ্যানটিতে ক্যাকটাস ও অর্কিড হাউস ছাড়াও রয়েছে বন্যপ্রাণীর জন্য জলাশয় এবং বিভিন্ন প্রজাতির ঘাস।
দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে বেশ কয়েকটি আরসিসি বেঞ্চ ও ব্যাঙের ছাতার আদলে তৈরি বিশ্রামাগার। এছাড়া পৃথক শৌচাগারের ব্যবস্থাও রয়েছে।

সামাজিক বন বিভাগের এ উদ্যানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণীর নির্ভয় আবাসস্থল তৈরি, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা। এ ছাড়া বিনোদনের ব্যবস্থা ও স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

কুমিল্লা সামাজিক বন বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে উদ্যানটিতে বিলুপ্তপ্রায় ও বিরল উদ্ভিদের মধ্যে রাধাচূঁড়া, নাগেশ্বর, আগর, নাগলিঙ্গম, অশ্বথ, চন্দন, রক্তচন্দন, চালমুগরা, লোহাকাঠ, চাপালিশ, ধূপ, বাবলা, হরিতকি, বহেরা, হিজল, কনক, তমাল, অশোক, সিভিট, উড়ি আম, বন পেয়ারা, অর্জুন, মহুয়া, তেলশুর, পুঁটিজাম, বাঁশপাতা, কুম্ভি, পিতরাজ, পারুল, চিকরাশি, হরিয়ান, লটকন, ফেন্স, বোটলব্রাশ, বাসক,বট ও করমচা সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সমাহার রয়েছে।

বিরল প্রজাতির উদ্ভিদের পাশাপাশি রয়েছে হরেক রকমের প্রায় ২ হাজার প্রজাতির ফুলের চারা। বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের মধ্যে রয়েছে জবা, টগর, বেলি, গন্ধরাজ, রঙ্গন, আলমেন্ডা, ছোট জারুল, কাঞ্চন, চামেলি, জুই, পাতাবাহার সহ নানান ফুল।
উদ্যানটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও শিক্ষার্থীদের জন্য টিকিট ১০ টাকা, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০ টাকা এবং বিদেশিদের জন্য ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই উদ্যান।

কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার অন্যতম পর্যটন স্পটের একটি হলো লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান। কিছুটা উঁচু-নিচু লাল মাটির পাহাড়ে গড়ে উঠেছে এই উদ্যানটি। ইট বিছানো পথ ধরে হাঁটলে একটু পরপরই চোখে পড়বে বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির নানা উদ্ভিদ। চারপাশের সবুজ প্রকৃতি আর পাখির কিচিরমিচির শব্দ যেকোনো দর্শনার্থীদেরই মুগ্ধ করে তুলবে।

বর্তমান প্রজন্ম প্রায় ভুলতে বসেছে—এমন অনেক বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে এই উদ্যান। লালমাই উদ্ভিদ উদ্যানে রয়েছে নানা জাতের ফুল, ফল ও বিপন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ। উদ্যানজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই বিরল উদ্ভিদের সমাহার প্রতিনিয়তই দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে।

উদ্ভিদ উদ্যানটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ি ময়নামতি জাদুঘরের কাছাকাছি ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সালমানপুর এলাকায় অবস্থিত। প্রায় ১৭ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই উদ্যানটি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উদ্যানটিতে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে একটি বিশাল গোলাপ বাগান। সেখানে রয়েছে হরেক রকমের গোলাপ, যা প্রতিটি ফুলপ্রেমী মানুষকেই আকৃষ্ট করবে। গোলাপ বাগানের দু’পাশে ইট বিছানো পথের ধারজুড়ে সাজানো রয়েছে নানা প্রজাতির বিরল উদ্ভিদ। প্রতিটি উদ্ভিদের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে পরিচিতি বোর্ড, যেখানে উদ্ভিদের নাম ও বিস্তারিত পরিচয় উল্লেখ করা আছে।

আরও কিছুটা এগিয়ে গেলে চোখে পড়ে প্রায় বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশঝাড়। রয়েছে রঙ-বেরঙের নানান ফুলের সমারোহ। উদ্যানটিতে ক্যাকটাস ও অর্কিড হাউস ছাড়াও রয়েছে বন্যপ্রাণীর জন্য জলাশয় এবং বিভিন্ন প্রজাতির ঘাস।
দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে বেশ কয়েকটি আরসিসি বেঞ্চ ও ব্যাঙের ছাতার আদলে তৈরি বিশ্রামাগার। এছাড়া পৃথক শৌচাগারের ব্যবস্থাও রয়েছে।

সামাজিক বন বিভাগের এ উদ্যানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণীর নির্ভয় আবাসস্থল তৈরি, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা। এ ছাড়া বিনোদনের ব্যবস্থা ও স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

কুমিল্লা সামাজিক বন বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে উদ্যানটিতে বিলুপ্তপ্রায় ও বিরল উদ্ভিদের মধ্যে রাধাচূঁড়া, নাগেশ্বর, আগর, নাগলিঙ্গম, অশ্বথ, চন্দন, রক্তচন্দন, চালমুগরা, লোহাকাঠ, চাপালিশ, ধূপ, বাবলা, হরিতকি, বহেরা, হিজল, কনক, তমাল, অশোক, সিভিট, উড়ি আম, বন পেয়ারা, অর্জুন, মহুয়া, তেলশুর, পুঁটিজাম, বাঁশপাতা, কুম্ভি, পিতরাজ, পারুল, চিকরাশি, হরিয়ান, লটকন, ফেন্স, বোটলব্রাশ, বাসক,বট ও করমচা সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সমাহার রয়েছে।

বিরল প্রজাতির উদ্ভিদের পাশাপাশি রয়েছে হরেক রকমের প্রায় ২ হাজার প্রজাতির ফুলের চারা। বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের মধ্যে রয়েছে জবা, টগর, বেলি, গন্ধরাজ, রঙ্গন, আলমেন্ডা, ছোট জারুল, কাঞ্চন, চামেলি, জুই, পাতাবাহার সহ নানান ফুল।
উদ্যানটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও শিক্ষার্থীদের জন্য টিকিট ১০ টাকা, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০ টাকা এবং বিদেশিদের জন্য ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই উদ্যান।