আমার শহর ডেস্ক

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে নতুন করে শিশুসহ ১০ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছেন।
গতকাল সোমবার ভোরে নাফ নদের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত দিয়ে ঢুকে উখিয়ার জামতলী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন তারা। তাদের মধ্য সাত জনই শিশু। বিষয়টি স্বীকার করে উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ সলিম বলেন, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করে সকালে আমার ক্যাম্পে ১০ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। নতুন আসা
রোহিঙ্গারা হলো- ছমুদা (১৮), সাবেকুন্নাহার (১৫), মো. সলিম (১৩), জবিউল্লাহ (১২), মো. আনাস (১১), জিয়াবুর রহমান (১০), শায়েকা (৮), উম্মে হাবিবা (৭), মো. ইসমাইল (৬) ও রেহেনা (৫)।
এদিকে নয় বছর পার হলেও একজন রোহিঙ্গাকেও স্থায়ীভাবে ফেরানো যায়নি। বরং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। গত ১৫ মাসে নতুন করে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। সীমান্তের ওপারে আরও অনেকে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় জড়ো হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে শুধু মানবিক সংকটই নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, সীমান্তে রোহিঙ্গাদের জড়ো হওয়ার খবর পাচ্ছি। এটা আমাদের জন্য ভালো খবর নয়। প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বলার মতো তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে সরকার মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।
সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়ে অবগত নই, আমি খোঁজ নেবো। তবে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের বিষয়ে বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে নতুন করে শিশুসহ ১০ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছেন।
গতকাল সোমবার ভোরে নাফ নদের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত দিয়ে ঢুকে উখিয়ার জামতলী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন তারা। তাদের মধ্য সাত জনই শিশু। বিষয়টি স্বীকার করে উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ সলিম বলেন, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করে সকালে আমার ক্যাম্পে ১০ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। নতুন আসা
রোহিঙ্গারা হলো- ছমুদা (১৮), সাবেকুন্নাহার (১৫), মো. সলিম (১৩), জবিউল্লাহ (১২), মো. আনাস (১১), জিয়াবুর রহমান (১০), শায়েকা (৮), উম্মে হাবিবা (৭), মো. ইসমাইল (৬) ও রেহেনা (৫)।
এদিকে নয় বছর পার হলেও একজন রোহিঙ্গাকেও স্থায়ীভাবে ফেরানো যায়নি। বরং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। গত ১৫ মাসে নতুন করে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। সীমান্তের ওপারে আরও অনেকে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় জড়ো হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে শুধু মানবিক সংকটই নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, সীমান্তে রোহিঙ্গাদের জড়ো হওয়ার খবর পাচ্ছি। এটা আমাদের জন্য ভালো খবর নয়। প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বলার মতো তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে সরকার মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।
সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়ে অবগত নই, আমি খোঁজ নেবো। তবে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের বিষয়ে বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।