নিজস্ব প্রতিবেদক

শৈশব ও কৈশোরে রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ ছিল আমাদের প্রাণ। এখানে বড় বড় গাছ ছিল। গাছের ছায়ায় মায়ায় ক্লাস শেষে আমরা আড্ডা দিতাম। ১০ বছর আগে এ ক্যাম্পাসে এসেছিলাম। আজ আবার এলাম। আজ পুরোনো অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই স্কুলের প্রতিটি জায়গার সঙ্গে আমাদের শৈশব-কৈশোরের অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আশির দশকে এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং রক্তের গ্রুপ নির্ণয় অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। ওই অনুষ্ঠানে অতীতের স্মৃতি রোমন্থন করেন তিনি। এ অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন সাবেক দুই শিক্ষার্থী সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী ও একজন সংসদ সদস্য। প্রবীণ তিন শিক্ষার্থীকে কাছে পেয়ে নবীন শিক্ষার্থীরা আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়।
অনুষ্ঠানে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, রোবটিক্স, স্কাউটিং ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিতে হবে।
ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, প্রায় দশ বছর পর এই স্কুল প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলোÑমডেল স্কুলের সেই পুরোনো ঐতিহ্য, গৌরব ও শ্রেষ্ঠত্ব যেন আবার ফিরে আসে। একসময় এই স্কুল দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। আমরা চাই, আবারও এটি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।
পূর্তমন্ত্রী বলেন, শহরের মধ্যে অবস্থিত হয়েও আমাদের স্কুলের এই অনন্য পরিবেশ ও বৈশিষ্ট্য ছিল সত্যিই ব্যতিক্রমী। আমাদের একজন শিক্ষার্থী রোবটিক্স নিয়ে অসাধারণ কাজ করে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে।
ওল্ড রিমেইন ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম।
ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে প্রাক্তন শিক্ষার্থী গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম তাদের শিক্ষা জীবনের স্মৃতি উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন।

কলেজের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে আয়োজিত এই রক্তদান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীবৃন্দ ও শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাবের হোসেন। রক্তদান কর্মসূচিতে ওল্ড রিমেইন ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন সদস্যবৃন্দ ও সাবেক কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, মন্ত্রী মহোদয় ওই ক্যাম্পাসে গিয়ে তাঁর স্কুল জীবনের স্মৃতি মনে করেন।

শৈশব ও কৈশোরে রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ ছিল আমাদের প্রাণ। এখানে বড় বড় গাছ ছিল। গাছের ছায়ায় মায়ায় ক্লাস শেষে আমরা আড্ডা দিতাম। ১০ বছর আগে এ ক্যাম্পাসে এসেছিলাম। আজ আবার এলাম। আজ পুরোনো অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই স্কুলের প্রতিটি জায়গার সঙ্গে আমাদের শৈশব-কৈশোরের অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আশির দশকে এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং রক্তের গ্রুপ নির্ণয় অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। ওই অনুষ্ঠানে অতীতের স্মৃতি রোমন্থন করেন তিনি। এ অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন সাবেক দুই শিক্ষার্থী সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী ও একজন সংসদ সদস্য। প্রবীণ তিন শিক্ষার্থীকে কাছে পেয়ে নবীন শিক্ষার্থীরা আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়।
অনুষ্ঠানে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, রোবটিক্স, স্কাউটিং ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিতে হবে।
ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, প্রায় দশ বছর পর এই স্কুল প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলোÑমডেল স্কুলের সেই পুরোনো ঐতিহ্য, গৌরব ও শ্রেষ্ঠত্ব যেন আবার ফিরে আসে। একসময় এই স্কুল দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। আমরা চাই, আবারও এটি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।
পূর্তমন্ত্রী বলেন, শহরের মধ্যে অবস্থিত হয়েও আমাদের স্কুলের এই অনন্য পরিবেশ ও বৈশিষ্ট্য ছিল সত্যিই ব্যতিক্রমী। আমাদের একজন শিক্ষার্থী রোবটিক্স নিয়ে অসাধারণ কাজ করে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে।
ওল্ড রিমেইন ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম।
ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে প্রাক্তন শিক্ষার্থী গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম তাদের শিক্ষা জীবনের স্মৃতি উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন।

কলেজের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে আয়োজিত এই রক্তদান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীবৃন্দ ও শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাবের হোসেন। রক্তদান কর্মসূচিতে ওল্ড রিমেইন ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন সদস্যবৃন্দ ও সাবেক কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, মন্ত্রী মহোদয় ওই ক্যাম্পাসে গিয়ে তাঁর স্কুল জীবনের স্মৃতি মনে করেন।