• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

পৌরসভার চেয়ারম্যান থেকে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ০৯
logo

পৌরসভার চেয়ারম্যান থেকে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ০৯
Photo

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তিনি বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ছিলেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব ছিলেন জামায়াত ও এনসিপির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অব. অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি পেয়েছেন ৮৮ ভোট। সংসদ সদস্য না থাকায় অলি আহমদ ও কয়েকজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ভোট দিতে পারেননি। এ নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরাই ভোট দিয়েছেন। আগামীকাল সন্ধ্যায় নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন। এর মধ্যে বিএনপির ভোটার ২৪৭ জন এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের ভোট ৯০ জন সংসদ সদস্য ও ১২ জন স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য সংসদ সদস্য। নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন। ছয়জন ভোট দেননি। ভোটগ্রহণ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন।

ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের লেকচারার থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি (প্রেসিডেন্ট) হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ছয়বার কারাবরণ করেন। বিএনপির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি হলেন মির্জা ফখরুল। বেগম খালেদা জিয়া আস্থাভাজন ছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে অত্যন্ত সম্মান করেন। বাংলাদেশের সুশীল সমাজ ও ভিন্ন মতের ব্যক্তিদের কাছে মির্জার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মির্জা রুহুল আমিন ও মাতা মির্জা ফাতেমা আমিন। তাঁর দুই কন্যা সন্তান। শিক্ষাজীবনে মির্জা ফখরুল ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা (প্রভাষক পদে) পেশায় যোগদান করেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। অন্যান্য সরকারি দায়িত্বের মধ্যে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরে একজন নিরীক্ষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস. এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৮২ সাল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বারী পদত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। বারী পদত্যাগ করার পর মির্জা ফখরুল তার শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান। এ সময় তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন। এরপর তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান (বর্তমানে মেয়র) ছিলেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। ২০০১ সালে ঠাকুরগাঁয়ে জয়ী হন। ২০১৮ সালে বগুড়া থেকে জয়ী হন। ২০২৬ সালে ঠাকুরগাঁও থেকে জয়ী হয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হন। মির্জা ফখরুল ২০১১ সালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হন। এরপর ২০১৬ সালে দলের জাতীয় কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসচিব নিযুক্ত হন। দীর্ঘ এই সময়ে তিনি বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতায় পরিণত হন। বিশেষ করে দলের দুই প্রধান নেতা খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব এবং তারেক রহমানের লন্ডনে নির্বাসনের পুরোটা সময় তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে ছিলেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি ছয়বার কারাগারে যান। বিগত সরকারের নানামুখী নির্যাতন ও প্রতিক‚লতার মুখে তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। রাজনীতিতে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয় ও পরবর্তীকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্ব পান মির্জা ফখরুল।

গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের (বর্তমান কার্যক্রম নিষিদ্ধ) মনোনয়নে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে হবে।

দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হয় । এর আগে ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হয়েছিল। মাঝের সময়ে সাতজন রাষ্ট্রপতি হয়েছেন ক্ষমতাসীন দল থেকে, বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায়। বিরোধী দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়া হয়নি।

Thumbnail image

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তিনি বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ছিলেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব ছিলেন জামায়াত ও এনসিপির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অব. অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি পেয়েছেন ৮৮ ভোট। সংসদ সদস্য না থাকায় অলি আহমদ ও কয়েকজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ভোট দিতে পারেননি। এ নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরাই ভোট দিয়েছেন। আগামীকাল সন্ধ্যায় নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন। এর মধ্যে বিএনপির ভোটার ২৪৭ জন এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের ভোট ৯০ জন সংসদ সদস্য ও ১২ জন স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য সংসদ সদস্য। নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন। ছয়জন ভোট দেননি। ভোটগ্রহণ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন।

ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের লেকচারার থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি (প্রেসিডেন্ট) হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ছয়বার কারাবরণ করেন। বিএনপির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি হলেন মির্জা ফখরুল। বেগম খালেদা জিয়া আস্থাভাজন ছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে অত্যন্ত সম্মান করেন। বাংলাদেশের সুশীল সমাজ ও ভিন্ন মতের ব্যক্তিদের কাছে মির্জার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মির্জা রুহুল আমিন ও মাতা মির্জা ফাতেমা আমিন। তাঁর দুই কন্যা সন্তান। শিক্ষাজীবনে মির্জা ফখরুল ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা (প্রভাষক পদে) পেশায় যোগদান করেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। অন্যান্য সরকারি দায়িত্বের মধ্যে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরে একজন নিরীক্ষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস. এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৮২ সাল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বারী পদত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। বারী পদত্যাগ করার পর মির্জা ফখরুল তার শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান। এ সময় তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন। এরপর তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান (বর্তমানে মেয়র) ছিলেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। ২০০১ সালে ঠাকুরগাঁয়ে জয়ী হন। ২০১৮ সালে বগুড়া থেকে জয়ী হন। ২০২৬ সালে ঠাকুরগাঁও থেকে জয়ী হয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হন। মির্জা ফখরুল ২০১১ সালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হন। এরপর ২০১৬ সালে দলের জাতীয় কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসচিব নিযুক্ত হন। দীর্ঘ এই সময়ে তিনি বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতায় পরিণত হন। বিশেষ করে দলের দুই প্রধান নেতা খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব এবং তারেক রহমানের লন্ডনে নির্বাসনের পুরোটা সময় তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে ছিলেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি ছয়বার কারাগারে যান। বিগত সরকারের নানামুখী নির্যাতন ও প্রতিক‚লতার মুখে তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। রাজনীতিতে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয় ও পরবর্তীকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্ব পান মির্জা ফখরুল।

গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের (বর্তমান কার্যক্রম নিষিদ্ধ) মনোনয়নে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে হবে।

দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হয় । এর আগে ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হয়েছিল। মাঝের সময়ে সাতজন রাষ্ট্রপতি হয়েছেন ক্ষমতাসীন দল থেকে, বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায়। বিরোধী দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়া হয়নি।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী

২

ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে পুরানো সেই দিনের স্মৃতি রোমন্থন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

৩

পৌরসভার চেয়ারম্যান থেকে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

৪

চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে নাভিদ নওরোজ শাহ্

৫

নিজ কলেজ রেসিডেন্সিয়ালে যাচ্ছেন পূর্তমন্ত্রী

সম্পর্কিত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী

৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে পুরানো সেই দিনের স্মৃতি রোমন্থন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে পুরানো সেই দিনের স্মৃতি রোমন্থন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে
চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে নাভিদ নওরোজ শাহ্

চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে নাভিদ নওরোজ শাহ্

৮ ঘণ্টা আগে
নিজ কলেজ রেসিডেন্সিয়ালে যাচ্ছেন পূর্তমন্ত্রী

নিজ কলেজ রেসিডেন্সিয়ালে যাচ্ছেন পূর্তমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে