আমার শহর ডেস্ক

ঢাকার সাভারের আলোচিত ‘সিরিয়াল কিলার’ ভবঘুরে সম্রাট ওরফে সবুজ শেখ মারা গেছেন।
আজ মঙ্গলবার সকালে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, সম্রাট ওরফে সবুজ শেখ কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। সকালে তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সম্রাটের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে সম্রাট কারাগারেই ছিলেন। তিনি মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা পান্না শেখের ছেলে। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।
গত ১৯ জানুয়ারি সাভারের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জোড়া খুনের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আরও কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মোট ছয়টি হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে সম্রাটকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারেই আটক ছিলেন।

ঢাকার সাভারের আলোচিত ‘সিরিয়াল কিলার’ ভবঘুরে সম্রাট ওরফে সবুজ শেখ মারা গেছেন।
আজ মঙ্গলবার সকালে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, সম্রাট ওরফে সবুজ শেখ কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। সকালে তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সম্রাটের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে সম্রাট কারাগারেই ছিলেন। তিনি মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা পান্না শেখের ছেলে। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।
গত ১৯ জানুয়ারি সাভারের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জোড়া খুনের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আরও কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মোট ছয়টি হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে সম্রাটকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারেই আটক ছিলেন।