নিজস্ব প্রতিবেদক

সহকর্মী, শিক্ষার্থী , রাজনীতিবিদ ও স্বজনেরা শেষ বিদায় জানাল কুমিল্লা নগরের মনোহরপুর এলাকার বাসিন্দা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক কুমিল্লার কৃতী সন্তান মো. আবদুল হাকিম কে। আজ শনিবার বাদ আসর কুমিল্লা নগরের টমছমব্রীজ কবরস্থান এলাকায় তাঁর জানাযা হয়। এরপর তাঁকে টমছমব্রীজ কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় বেলা ১১ টায় কানাডার অটোয়ায় ইন্তেকাল (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি রাজিউন) করেছেন। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
তাঁর জানাযায় অংশ নেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, জামায়াতের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আশরাফ, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, সুজনের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল করিম, ময়নামতি মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নাজমুস সাদাত পিলু, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, ঝলম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ এমদাদুল হক, এবি পার্টির কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি মিয়া মো. তৌফিক, অধ্যাপক মীর আবু তাহের, আবদুল হালিম, আবু সাঈদ প্রয়াত অধ্যাপক মো. আবদুল হাকিমের একমাত্র ছেলে আদনান মাহমুদ হাকিম, ভাতিজা আনোয়ার কামাল বাদল, নাজমুল হাসান, হোটেল সালাউদ্দিনের স্বত্বাধিকারী সালাউদ্দিন মাহমুদ, নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল করিম, আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ, কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবীর মাসউদ ও সাফা।

অধ্যাপক মো. আবদুল হাকিম দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডীন এবং ইউজিসির সদস্য হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি সদালাপী, বিনয়ী এবং পরোপকারী ছিলেন।
জানতে চাইলে ইতিহাসবিদ আহসানুল কবীর বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন কালে আমরা স্যারের ক্লাস করতাম আনন্দঘন পরিবেশে। প্রগতির লড়াইয়ে তিনি ছিলেন অগ্রপথিক। আজ তাঁকে শেষ বিদায় জানাল কুমিল্লাবাসী। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও স্যারের সহকর্মীরা এসেছিলেন।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. নিজামুল করিম বলেন, আবদুল হাকিম আমার জেঠাতো ভাই। তিনি করোনার পর শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কানাডায় জানাজা শেষে তাঁকে দেশে হয়েছে। আজ টমছমব্রিজে জানাযা শেষে দাফন হল।
তিনি ছিলেন সদালাপী। শিক্ষক হিসেবে সুনাম ছিল বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় ও সৎ ছিলেন।

সহকর্মী, শিক্ষার্থী , রাজনীতিবিদ ও স্বজনেরা শেষ বিদায় জানাল কুমিল্লা নগরের মনোহরপুর এলাকার বাসিন্দা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক কুমিল্লার কৃতী সন্তান মো. আবদুল হাকিম কে। আজ শনিবার বাদ আসর কুমিল্লা নগরের টমছমব্রীজ কবরস্থান এলাকায় তাঁর জানাযা হয়। এরপর তাঁকে টমছমব্রীজ কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় বেলা ১১ টায় কানাডার অটোয়ায় ইন্তেকাল (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি রাজিউন) করেছেন। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
তাঁর জানাযায় অংশ নেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, জামায়াতের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আশরাফ, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, সুজনের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল করিম, ময়নামতি মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নাজমুস সাদাত পিলু, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, ঝলম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ এমদাদুল হক, এবি পার্টির কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি মিয়া মো. তৌফিক, অধ্যাপক মীর আবু তাহের, আবদুল হালিম, আবু সাঈদ প্রয়াত অধ্যাপক মো. আবদুল হাকিমের একমাত্র ছেলে আদনান মাহমুদ হাকিম, ভাতিজা আনোয়ার কামাল বাদল, নাজমুল হাসান, হোটেল সালাউদ্দিনের স্বত্বাধিকারী সালাউদ্দিন মাহমুদ, নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল করিম, আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ, কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবীর মাসউদ ও সাফা।

অধ্যাপক মো. আবদুল হাকিম দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডীন এবং ইউজিসির সদস্য হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি সদালাপী, বিনয়ী এবং পরোপকারী ছিলেন।
জানতে চাইলে ইতিহাসবিদ আহসানুল কবীর বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন কালে আমরা স্যারের ক্লাস করতাম আনন্দঘন পরিবেশে। প্রগতির লড়াইয়ে তিনি ছিলেন অগ্রপথিক। আজ তাঁকে শেষ বিদায় জানাল কুমিল্লাবাসী। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও স্যারের সহকর্মীরা এসেছিলেন।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. নিজামুল করিম বলেন, আবদুল হাকিম আমার জেঠাতো ভাই। তিনি করোনার পর শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কানাডায় জানাজা শেষে তাঁকে দেশে হয়েছে। আজ টমছমব্রিজে জানাযা শেষে দাফন হল।
তিনি ছিলেন সদালাপী। শিক্ষক হিসেবে সুনাম ছিল বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় ও সৎ ছিলেন।