পাভেল রহমান, নাঙ্গলকোট

বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনী মাঠ আমি শতকারা ৯০ ভাগ তৈরি করে দিয়েছি। প্রতিটি নির্বাচনী ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা এবং কেন্দ্র কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিপক্ষকে দুর্বল ভাবলে হবে না। জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীরা তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে কেন্দ্রে চলে আসবে। আমাদেরকেও কেন্দ্রে এসে ফজরের নামাজ পড়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে যেতে হবে। মহিলা ভোটারদেরকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। তাদেরকে সকাল-সকাল ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে। তিনি জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে নেতাকর্মীদের বলেন, তাঁরা টাকা দিলে টাকা নেব এবং ধানের শীষে ভোট দেব। এটা আমাদের বায়তুল মালের টাকা। এরা প্রকাশ্যে রাজনীতি করে না। আমরা নাঙ্গলকোটকে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত একটি আদর্শ নাঙ্গলকোট গড়ে তুলব। নাঙ্গলকোটের মানুষ আমার জন্য যে ত্যাগ স্বীকার এবং পরিশ্রম করেছেন, আমি চেয়েছিলাম সংসদ সদস্য হয়ে তাদের সে ঋণ শোষ করবোদ। কিন্তু আমার প্রার্থিতা নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। মোবাশ্বের এবং আমার মধ্যে যে দূরত্ব ছিল, আমাদের মধ্যে এখন থেকে আর কোনো দূরত্ব নেই। আমার দুজন সম্মিলিতভাবে নাঙ্গলকোটকে আদর্শ উপজেলা গঠন করব। প্রত্যেক বাড়ির সাথে সংযোগ সড়ক পাকাকরণ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার উন্নয়ন করা হবে।
আবদুল গফুর ভূঁইয়া আজ উপজেলার ঢালুয়া, মৌকরা, সাতবাড়িয়া ও বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে চাঁন্দগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মৌকরা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলী আক্কাছ চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ভূঁইয়া, গোলাম রসুল চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কলিমুল্লাহ চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম সোহাগ, রাজউক জাতীয়তাবাদি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি জাফর সাদিক প্রমুখ।
আবদুল গফুর ভূঁইয়া আরো বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭বছর নির্বাসন থেকে দেশে এসেছেন। দলকে সু-সংগঠিত করেছেন। ব্রিটিশ রাজনীতি, গণতন্ত্র, সমাজ ব্যবস্থা এবং সামাজিক নিরাপত্তা দেখেছেন। তিনি সাধারণ জনগণকে সামাজিক নিরাপত্তা দেবেন। এজন্য তিনি কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্যসেবা কার্ড, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানসহ সামাজিক নিরাপত্তাখাতের বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এসব সেবা প্রদানে কাউকে দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না। ডিজিটালভাবে এসব সেবা সবার ঘরে-ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, আমাদেরকে নির্বাচন জয়লাভে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। আমাদের প্রতিপক্ষ আমাদের বিরুদ্ধে ছোট ষড়যন্ত্র করছে। আমরা তাদের মোকাবিলা করতে পারলে আমাদের বিজয় নিশ্চিত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিপ্রত্যেক ভোট কেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের পাসের ফলাফল নিয়ে আসলে নাঙ্গলকোটে আমার সবাইকে ফুলের মালা পরাব এবং পরবর্তী ৫ বছর আপনাদের উন্নয়ন করব। বড় ভাই গফুর ভূঁইয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে দুজনের মিলে নাঙ্গলকোটের উন্নয়ন করব। আমি বিএনপির এমপি হতে চাই না। আমি সার্বজনীন এমপি হতে চাই।

বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনী মাঠ আমি শতকারা ৯০ ভাগ তৈরি করে দিয়েছি। প্রতিটি নির্বাচনী ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা এবং কেন্দ্র কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিপক্ষকে দুর্বল ভাবলে হবে না। জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীরা তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে কেন্দ্রে চলে আসবে। আমাদেরকেও কেন্দ্রে এসে ফজরের নামাজ পড়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে যেতে হবে। মহিলা ভোটারদেরকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। তাদেরকে সকাল-সকাল ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে। তিনি জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে নেতাকর্মীদের বলেন, তাঁরা টাকা দিলে টাকা নেব এবং ধানের শীষে ভোট দেব। এটা আমাদের বায়তুল মালের টাকা। এরা প্রকাশ্যে রাজনীতি করে না। আমরা নাঙ্গলকোটকে মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত একটি আদর্শ নাঙ্গলকোট গড়ে তুলব। নাঙ্গলকোটের মানুষ আমার জন্য যে ত্যাগ স্বীকার এবং পরিশ্রম করেছেন, আমি চেয়েছিলাম সংসদ সদস্য হয়ে তাদের সে ঋণ শোষ করবোদ। কিন্তু আমার প্রার্থিতা নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। মোবাশ্বের এবং আমার মধ্যে যে দূরত্ব ছিল, আমাদের মধ্যে এখন থেকে আর কোনো দূরত্ব নেই। আমার দুজন সম্মিলিতভাবে নাঙ্গলকোটকে আদর্শ উপজেলা গঠন করব। প্রত্যেক বাড়ির সাথে সংযোগ সড়ক পাকাকরণ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার উন্নয়ন করা হবে।
আবদুল গফুর ভূঁইয়া আজ উপজেলার ঢালুয়া, মৌকরা, সাতবাড়িয়া ও বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে চাঁন্দগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মৌকরা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলী আক্কাছ চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ভূঁইয়া, গোলাম রসুল চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কলিমুল্লাহ চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম সোহাগ, রাজউক জাতীয়তাবাদি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি জাফর সাদিক প্রমুখ।
আবদুল গফুর ভূঁইয়া আরো বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭বছর নির্বাসন থেকে দেশে এসেছেন। দলকে সু-সংগঠিত করেছেন। ব্রিটিশ রাজনীতি, গণতন্ত্র, সমাজ ব্যবস্থা এবং সামাজিক নিরাপত্তা দেখেছেন। তিনি সাধারণ জনগণকে সামাজিক নিরাপত্তা দেবেন। এজন্য তিনি কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্যসেবা কার্ড, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানসহ সামাজিক নিরাপত্তাখাতের বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এসব সেবা প্রদানে কাউকে দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না। ডিজিটালভাবে এসব সেবা সবার ঘরে-ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, আমাদেরকে নির্বাচন জয়লাভে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। আমাদের প্রতিপক্ষ আমাদের বিরুদ্ধে ছোট ষড়যন্ত্র করছে। আমরা তাদের মোকাবিলা করতে পারলে আমাদের বিজয় নিশ্চিত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিপ্রত্যেক ভোট কেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের পাসের ফলাফল নিয়ে আসলে নাঙ্গলকোটে আমার সবাইকে ফুলের মালা পরাব এবং পরবর্তী ৫ বছর আপনাদের উন্নয়ন করব। বড় ভাই গফুর ভূঁইয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে দুজনের মিলে নাঙ্গলকোটের উন্নয়ন করব। আমি বিএনপির এমপি হতে চাই না। আমি সার্বজনীন এমপি হতে চাই।