আমার শহর ডেস্ক

কুমিল্লায় মারুফ মিয়া নামের এক নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়। নিহত মারুফ মিয়া (২২) নেত্রকোনা জেলা সদরের মশুয়া গ্রামের আওলাদ হোসেন মুন্সীর ছেলে।
পুলিশ এবং স্থানীয়রা জানায়, নোয়াপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন একটি আবাসিক ভবনে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করছিল মারুফ মিয়াসহ একদল শ্রমিক। গত বুধবার গভীর রাতে এলাকার কয়েকজন বখাটে যুবকের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় মারুফসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মারুফকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী শামসুল হক বলেন, আমরা নেত্রকোনার বাসিন্দা। এখানে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করছি। বুধবার আমাদের কাছে মাদক রয়েছে এমন অভিযোগ করে তিনজন বখাটে আমাদের ওপর আক্রমণ করে। তারা প্রথমে এসে ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়। এরপর আমাদেরকে মারধর করে। এ সময় মারুফকে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আমরা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ওরা বাধা দেয়। এ সময় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শুক্রবার অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মৃত্যু হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মিল্টন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে এলাকার কেউ এখনো মুখ খুলছে না। বখাটেদের নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, নিহত শ্রমিক মারুফ মিয়ার হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের পরিবার এলে মামলা নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় মারুফ মিয়া নামের এক নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়। নিহত মারুফ মিয়া (২২) নেত্রকোনা জেলা সদরের মশুয়া গ্রামের আওলাদ হোসেন মুন্সীর ছেলে।
পুলিশ এবং স্থানীয়রা জানায়, নোয়াপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন একটি আবাসিক ভবনে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করছিল মারুফ মিয়াসহ একদল শ্রমিক। গত বুধবার গভীর রাতে এলাকার কয়েকজন বখাটে যুবকের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় মারুফসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মারুফকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী শামসুল হক বলেন, আমরা নেত্রকোনার বাসিন্দা। এখানে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করছি। বুধবার আমাদের কাছে মাদক রয়েছে এমন অভিযোগ করে তিনজন বখাটে আমাদের ওপর আক্রমণ করে। তারা প্রথমে এসে ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়। এরপর আমাদেরকে মারধর করে। এ সময় মারুফকে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আমরা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ওরা বাধা দেয়। এ সময় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শুক্রবার অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মৃত্যু হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মিল্টন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে এলাকার কেউ এখনো মুখ খুলছে না। বখাটেদের নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, নিহত শ্রমিক মারুফ মিয়ার হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের পরিবার এলে মামলা নেওয়া হবে।