নিজস্ব প্রতিবেদক

এক সময় কুমিল্লা শহরের এবাড়ি ওবাড়ি থেকে সকাল, বিকেল ও সন্ধ্যায় হারমোনিয়ামের শব্দ ভেসে আসতো। গান হতো। আবৃত্তি হতো। প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় ছেলে মেয়ে পরিণত মানুষেরা গোল হয়ে গান শুনতো। নানান তান পিঠা থাকতো। ঘরোয়া এই আয়োজনে সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় হতো। কালের পরিক্রমায় সেটি কমে গেছে।

তবে আজ শনিবার সন্ধ্যায় নগরের ঝাউতলা এলাকায় সংস্কৃতিকর্মী চন্দন দাসের বাসায় বসে সংগীতের আসর। পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে। ধোঁয়া উড়া গরম পিঠা। ভাপা পিঠা, চিতল পিঠা, নারকেল পিঠা, সবজি পিঠা, রং চা -সবই ছিল আয়োজনে।

এ আয়োজনে লালনের গান করেন ডা. ইকবাল আয়োজন, আধুনিক গান করেন সাবেক কাউন্সিলর আইনজীবী নাজনীন কাজল, গানের শিক্ষক রতন আচার্য ও আওয়ার লেডী অব ফাতিমা গার্লস হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনুরাধা দাস। কি সুন্দও গেয়েছেন চার শিল্পী। ওদের গানে মুগ্ধতার আবেশ জড়িয়ে যায়।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন লালমাই সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, ডা. আতোয়ার রহমান, অধূনা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট শহীদুল হক স্বপন, আবৃত্তিকার কাজী মাহতাব সুমন, খায়রুল আজিম শিমুল, দেলোয়ার মজুমদার, মনিরুল ইসলাম ও আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ।

এক সময় কুমিল্লা শহরের এবাড়ি ওবাড়ি থেকে সকাল, বিকেল ও সন্ধ্যায় হারমোনিয়ামের শব্দ ভেসে আসতো। গান হতো। আবৃত্তি হতো। প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় ছেলে মেয়ে পরিণত মানুষেরা গোল হয়ে গান শুনতো। নানান তান পিঠা থাকতো। ঘরোয়া এই আয়োজনে সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় হতো। কালের পরিক্রমায় সেটি কমে গেছে।

তবে আজ শনিবার সন্ধ্যায় নগরের ঝাউতলা এলাকায় সংস্কৃতিকর্মী চন্দন দাসের বাসায় বসে সংগীতের আসর। পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে। ধোঁয়া উড়া গরম পিঠা। ভাপা পিঠা, চিতল পিঠা, নারকেল পিঠা, সবজি পিঠা, রং চা -সবই ছিল আয়োজনে।

এ আয়োজনে লালনের গান করেন ডা. ইকবাল আয়োজন, আধুনিক গান করেন সাবেক কাউন্সিলর আইনজীবী নাজনীন কাজল, গানের শিক্ষক রতন আচার্য ও আওয়ার লেডী অব ফাতিমা গার্লস হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনুরাধা দাস। কি সুন্দও গেয়েছেন চার শিল্পী। ওদের গানে মুগ্ধতার আবেশ জড়িয়ে যায়।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন লালমাই সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, ডা. আতোয়ার রহমান, অধূনা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট শহীদুল হক স্বপন, আবৃত্তিকার কাজী মাহতাব সুমন, খায়রুল আজিম শিমুল, দেলোয়ার মজুমদার, মনিরুল ইসলাম ও আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ।