দুই আসামি সাত দিনের রিমান্ডে
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের ৪ নং ওয়ার্ডের যুবদল কর্মী মো. আবু কাউছারকে প্রকাশ্য দিবালোকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে কোতোয়ালি মডেল থানার সামনে বিক্ষোভ করেছেন কাপ্তান বাজার এলাকার লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা। গতকাল রোববার দুপুরের দিকে থানার সামনে এই বিক্ষোভ করা হয়।
এদিকে এ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া এবং নেপথ্যে থাকা সবার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের দাবিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে বিএনপি ও যুবদলের নেতারা বেশ কিছু সময় তর্কবিতর্কে লিপ্ত হতে দেখা গেছে। যদিও পরবর্তীতে মামলা গ্রহণ করা হয়।
এ ঘটনার একাধিক ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার এ হত্যাকাণ্ডের পর জড়িতদের আটক করতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান শুরু হয়। গত শনিবার সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান কাউছার হত্যার ঘটনায় তৌহিদুল আলম তৌহিদ ও তার বড় ভাই তানজিরকে গ্রেপ্তারের কথা জানান।
এদিকে, গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে জেলা ও মহানগর বিএনপি ও যুবদলের একটি প্রতিনিধি দল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে গিয়ে তাদের দেওয়া অভিযোগ অনুসারে মামলা রেকর্ড করার অনুরোধ করেন। এ নিয়ে এ সময় আসামির সংখ্যা নিয়ে ওসির কক্ষে পুলিশ ও দলীয় নেতারা তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় দলীয় নেতাদের বলতে শোনা যায়, ‘এমপি-মন্ত্রীর কথায় মামলা হবে না। তাদের (এমপি-মন্ত্রী) গিয়ে বলেন, আমরা তাদের তৈরি করেছি, কথা বলে লাভ নাই। বাদীর বড় ভাই যেভাবে চায় সেভাবেই মামলা হতে হবে। পুলিশের চাওয়ায় মামলা হবে না।’
নিহত আবু কাউছারের বড় ভাই কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি কবির হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই মারা গেছে, তাঁর ছেলে-মেয়ের কান্নায় বাসায় যেতে পারি না। আমি আশা করেছিলাম আমাদের দল ক্ষমতায় আছে, আমরা দ্রুত বিচার আইনে মামলা করতে পারব। কিন্তু আমি মামলার জন্য ঘুরছি।’
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান বিপ্লব বলেন, মামলার অভিযোগে তো আমরা গণহারে আসামি করিনি। সরাসরি হত্যায় জড়িত ছাড়াও হত্যা পরিকল্পনায় আরও একাধিক ব্যক্তি জড়িত আছে। তাঁদেরকেও আসামি করে অভিযোগ দেওয়ার পর মামলা রেকর্ড বিলম্ব হয়। তাই, আমরা ওসির কক্ষে গিয়েছিলাম। পরে বিষয়টির সমাধান হয়েছে।’
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল আনোয়ার জানান, আবু কাউসার হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার তৌহিদ ও তানজিরসহ ৫ জনকে এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের বিরুদ্ধে রোববার থানায় মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত এ মামলায় হত্যায় জড়িত তৌহিদ ও তাঁর ভাই তানজিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
দুই আসামি সাত দিনের রিমান্ডে
যুবদল নেতা আবু কাউছার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে সাত দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় শুনানি শেষে কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফরহাদ রায়হান ভূঁইয়া এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা তাঁদের ১৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ডে নেওয়া দুই আসামি হলেন তৌহিদ ও তাঁর বড় ভাই তানজির। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গত শুক্রবার সকালে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি জমি নিয়ে বিরোধে আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।

কুমিল্লা নগরের ৪ নং ওয়ার্ডের যুবদল কর্মী মো. আবু কাউছারকে প্রকাশ্য দিবালোকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে কোতোয়ালি মডেল থানার সামনে বিক্ষোভ করেছেন কাপ্তান বাজার এলাকার লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা। গতকাল রোববার দুপুরের দিকে থানার সামনে এই বিক্ষোভ করা হয়।
এদিকে এ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া এবং নেপথ্যে থাকা সবার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের দাবিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে বিএনপি ও যুবদলের নেতারা বেশ কিছু সময় তর্কবিতর্কে লিপ্ত হতে দেখা গেছে। যদিও পরবর্তীতে মামলা গ্রহণ করা হয়।
এ ঘটনার একাধিক ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার এ হত্যাকাণ্ডের পর জড়িতদের আটক করতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান শুরু হয়। গত শনিবার সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান কাউছার হত্যার ঘটনায় তৌহিদুল আলম তৌহিদ ও তার বড় ভাই তানজিরকে গ্রেপ্তারের কথা জানান।
এদিকে, গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে জেলা ও মহানগর বিএনপি ও যুবদলের একটি প্রতিনিধি দল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে গিয়ে তাদের দেওয়া অভিযোগ অনুসারে মামলা রেকর্ড করার অনুরোধ করেন। এ নিয়ে এ সময় আসামির সংখ্যা নিয়ে ওসির কক্ষে পুলিশ ও দলীয় নেতারা তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় দলীয় নেতাদের বলতে শোনা যায়, ‘এমপি-মন্ত্রীর কথায় মামলা হবে না। তাদের (এমপি-মন্ত্রী) গিয়ে বলেন, আমরা তাদের তৈরি করেছি, কথা বলে লাভ নাই। বাদীর বড় ভাই যেভাবে চায় সেভাবেই মামলা হতে হবে। পুলিশের চাওয়ায় মামলা হবে না।’
নিহত আবু কাউছারের বড় ভাই কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি কবির হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই মারা গেছে, তাঁর ছেলে-মেয়ের কান্নায় বাসায় যেতে পারি না। আমি আশা করেছিলাম আমাদের দল ক্ষমতায় আছে, আমরা দ্রুত বিচার আইনে মামলা করতে পারব। কিন্তু আমি মামলার জন্য ঘুরছি।’
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান বিপ্লব বলেন, মামলার অভিযোগে তো আমরা গণহারে আসামি করিনি। সরাসরি হত্যায় জড়িত ছাড়াও হত্যা পরিকল্পনায় আরও একাধিক ব্যক্তি জড়িত আছে। তাঁদেরকেও আসামি করে অভিযোগ দেওয়ার পর মামলা রেকর্ড বিলম্ব হয়। তাই, আমরা ওসির কক্ষে গিয়েছিলাম। পরে বিষয়টির সমাধান হয়েছে।’
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল আনোয়ার জানান, আবু কাউসার হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার তৌহিদ ও তানজিরসহ ৫ জনকে এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের বিরুদ্ধে রোববার থানায় মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত এ মামলায় হত্যায় জড়িত তৌহিদ ও তাঁর ভাই তানজিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
দুই আসামি সাত দিনের রিমান্ডে
যুবদল নেতা আবু কাউছার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে সাত দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় শুনানি শেষে কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফরহাদ রায়হান ভূঁইয়া এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা তাঁদের ১৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ডে নেওয়া দুই আসামি হলেন তৌহিদ ও তাঁর বড় ভাই তানজির। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গত শুক্রবার সকালে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি জমি নিয়ে বিরোধে আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।