নিজস্ব প্রতিবেদক, সদর দক্ষিণ

রাজস্ব বাজেটের আওতায় কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ছয়টি জলাশয়ে মোট ৩৭৫ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।
আজ রোববার সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে পোনামাছ অবমুক্তকরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায়। এসময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অর্ণব চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রাসেল, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা চৌধুরী ফিহান ছন্দ, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আবুল বাশার, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইসমাইল মজুমদার, কৃষকদলের সভাপতি গিয়াস উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায় বলেন. বলেন, দেশের জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে নিয়মিতভাবে পোনা অবমুক্ত করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি এ উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মাছের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অবমুক্ত করা পোনামাছগুলো যাতে সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। মাছের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অর্ণব চৌধুরী বলেন, মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে পোনা অবমুক্তকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। এ কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের প্রাপ্যতা বাড়বে এবং স্থানীয় জনগণ উপকৃত হবে।

রাজস্ব বাজেটের আওতায় কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ছয়টি জলাশয়ে মোট ৩৭৫ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।
আজ রোববার সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে পোনামাছ অবমুক্তকরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায়। এসময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অর্ণব চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রাসেল, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা চৌধুরী ফিহান ছন্দ, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আবুল বাশার, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইসমাইল মজুমদার, কৃষকদলের সভাপতি গিয়াস উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায় বলেন. বলেন, দেশের জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে নিয়মিতভাবে পোনা অবমুক্ত করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি এ উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মাছের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অবমুক্ত করা পোনামাছগুলো যাতে সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। মাছের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অর্ণব চৌধুরী বলেন, মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে পোনা অবমুক্তকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। এ কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের প্রাপ্যতা বাড়বে এবং স্থানীয় জনগণ উপকৃত হবে।