নিজস্ব প্রতিবেদক

সচেতন রাজনৈতিক ফোরাম কুমিল্লার উদ্যোগে আজ শুক্রবার বিকেল ৫ টায় টাউন হলের সামনে এক মানববন্ধন হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কুমিল্লা শহরে অস্বাভাবিক হারে চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, রাহাজানি বেড়েছে। ছিনতাইকারীদের হাতে সাধারণ মানুষ, সরকারি -বেসরকারি চাকুরীজীবি, কেউ রেহাই পাচ্ছে না, এমন কি হত্যাকান্ডের ঘটনাও ঘটেছে। মানুষ ক্ষুব্ধ - তাই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত চুরি-ছিনতাই বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কুমিল্লার ক্ষমতাসীন দলের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সহ প্রশাসনের কাছে দাবী জানান।
মানববন্ধনে এক বক্তা বলেন, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ সড়কে কিশোর গ্যাং মানুষের বাসায় ঢুকে কম্পিউটার নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন চুরি করছে। পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এভাবে একটি শহর চলতে পারে না।
সচেতন রাজনৈতিক ফোরামের ডাকে সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ এ মানব বন্ধনে অংশগ্রহন করে।
এতে বিভিন্ন প্লেকার্ডে লেখা ছিল, নিরাপদ কুমিল্লা চাই, ভয়মুক্ত কুমিল্লা চাই, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনো, কুমিল্লাবাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করো, কুমিল্লা কি নিরাপদ শহর? চুরি-ছিনতাই-হত্যায় আতঙ্কিত কুমিল্লাবাসী, চুরি-ছিনতাই বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
যুবনেতা জোনায়েদ রায়হানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন রাজনৈতিক ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক শাহ মো. সেলিম, সমন্বয়ক শেখ আবদুল মান্নান, যুগ্ম সমন্বয়ক আবদুর রাজ্জাক, সাংবাদিক অশোক বড়ুয়া, মুক্তিযুদ্ধা মোতাহার হোসেন, উদীচী সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ, অধ্যাপক রাহুল তারণ পিন্টু , সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি আবুল কাসেম , হিন্দু-বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খোকন চন্দ, খেলাঘর সাধারণ সম্পাদক এড. দিলীপ চন্দ, নারী নেত্রী সাহানা হক, শিক্ষক নেতা শান্তি ভূষন দেবনাথ, যুবনেতা বোরহান, যুবনেতা মেহেদী হাসান, সুমী বড়ুয়া প্রমুখ।
সচেতন রাজনৈতিক ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক শাহ মো. সেলিম বলেন, আমরা বিশ্বাস করি সরকার কুমিল্লা শহরের চুরি, ছিনতাই, ঠেকবাজি ঠেকাবে। বর্তমান সরকার মানুষের জানমালের হেফাজত করুক, আমরা এটা চাই।

সচেতন রাজনৈতিক ফোরাম কুমিল্লার উদ্যোগে আজ শুক্রবার বিকেল ৫ টায় টাউন হলের সামনে এক মানববন্ধন হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কুমিল্লা শহরে অস্বাভাবিক হারে চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, রাহাজানি বেড়েছে। ছিনতাইকারীদের হাতে সাধারণ মানুষ, সরকারি -বেসরকারি চাকুরীজীবি, কেউ রেহাই পাচ্ছে না, এমন কি হত্যাকান্ডের ঘটনাও ঘটেছে। মানুষ ক্ষুব্ধ - তাই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত চুরি-ছিনতাই বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কুমিল্লার ক্ষমতাসীন দলের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সহ প্রশাসনের কাছে দাবী জানান।
মানববন্ধনে এক বক্তা বলেন, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ সড়কে কিশোর গ্যাং মানুষের বাসায় ঢুকে কম্পিউটার নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন চুরি করছে। পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এভাবে একটি শহর চলতে পারে না।
সচেতন রাজনৈতিক ফোরামের ডাকে সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ এ মানব বন্ধনে অংশগ্রহন করে।
এতে বিভিন্ন প্লেকার্ডে লেখা ছিল, নিরাপদ কুমিল্লা চাই, ভয়মুক্ত কুমিল্লা চাই, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনো, কুমিল্লাবাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করো, কুমিল্লা কি নিরাপদ শহর? চুরি-ছিনতাই-হত্যায় আতঙ্কিত কুমিল্লাবাসী, চুরি-ছিনতাই বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
যুবনেতা জোনায়েদ রায়হানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন রাজনৈতিক ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক শাহ মো. সেলিম, সমন্বয়ক শেখ আবদুল মান্নান, যুগ্ম সমন্বয়ক আবদুর রাজ্জাক, সাংবাদিক অশোক বড়ুয়া, মুক্তিযুদ্ধা মোতাহার হোসেন, উদীচী সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ, অধ্যাপক রাহুল তারণ পিন্টু , সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি আবুল কাসেম , হিন্দু-বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খোকন চন্দ, খেলাঘর সাধারণ সম্পাদক এড. দিলীপ চন্দ, নারী নেত্রী সাহানা হক, শিক্ষক নেতা শান্তি ভূষন দেবনাথ, যুবনেতা বোরহান, যুবনেতা মেহেদী হাসান, সুমী বড়ুয়া প্রমুখ।
সচেতন রাজনৈতিক ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক শাহ মো. সেলিম বলেন, আমরা বিশ্বাস করি সরকার কুমিল্লা শহরের চুরি, ছিনতাই, ঠেকবাজি ঠেকাবে। বর্তমান সরকার মানুষের জানমালের হেফাজত করুক, আমরা এটা চাই।