কুমিল্লায় আসিফ মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা জেলা পরিষদের রাজস্ব থেকে বিশেষ বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনিসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। গতকাল শনিবার কুমিল্লা নগরের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যিনি অভিযোগ তুলেছেন, যিনি সাধারণ বরাদ্দ আর বিশেষ বরাদ্দের পার্থক্য বোঝেন না। আমি উনাকে চিনি না। পরে খোঁজ নিয়ে জানলাম উনি কোনোমতে এসএসসি পাস করেছেন। এরকম যাদেরকে বিএনপি প্রশাসক বানিয়েছেন, তাদের অধিকাংশ কোয়ালিটি লেস। যোগ্য ও বঞ্চিতদের বাদ দিয়ে এ ধরনের লোককে প্রশাসক বানানো হয়েছে। এটি খুবই দু:খজনক। ভবিষ্যতে হয়তো এমন বক্তব্য আরও শুনতে পাব। মূর্খ, থার্ড কোয়ালিটির লোকজনকে প্রশাসকের পদে বসিয়ে রাখা হয়েছে। আমি আশা করব, বিএনপি এদের যথাযথ ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবে।
তিনি বলেন, জেলা পরিষদে তিন রকমের বরাদ্দ হয়। এগুলো কোয়ার্টার বাই কোয়ার্টার চলে যায়। এই যে সদর উপজেলায় দাঁড়িয়ে আছি, এখানেও ১১ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ এসেছে। সিটি করপোরেশনের মাধ্যমেও বরাদ্দ এসেছে। যে বরাদ্দ এসেছে, আপনারা চাইলে ওয়েবসাইটে গিয়ে সব দেখতে পারেন। কিন্তু উনি যেভাবে বক্তব্য রাখলেন, যেভাবে মিডিয়াতে ছড়াল-সব আমরা নিয়ে গেছি!
উল্লেখ, গত ৩১ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক মোস্তাক মিয়া অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে এলাকার উন্নয়নের জন্য এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। আর এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও বর্তমানে কুমিল্লা-৪ আসনের (দেবীদ্বার) সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ নিয়েছেন ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে তথ্য দেন।
৩০ মে রাত ৮টা ৩০মিনিটে সংসদ সদস্য হাসনাত কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়াকে ফোন করেছিলেন। মোস্তাক মিয়া ওই সময়ে ফোনটি ধরতে পারেননি। এরপর তিনি রাত ৮টা ৪০মিনিটের দিকে হাসনাতকে ফোন করেন। এ সময়ে দুই নেতার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একজন আরেকজনের কথার যুক্তি খÐন করেন।
জানতে চাইলে মোস্তাক মিয়া বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় বলেছিলাম, ‘জিয়াউর রহমান বৈষম্যহীন সমাজ চেয়েছিলেন। বৈষম্যহীন দেশ চেয়েছিলেন। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা নিজেদের এলাকার জন্য (নিজ নিজ উপজেলা) বৈষম্য করে উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ নিয়েছেন। যার তথ্য প্রমাণ আছে। আমি তো বলিনি, তাঁরা নিজেরা অর্থ নিয়েছে। বৈষম্য নিয়েই কথা বলতে ওই উদাহরণ দিয়েছি।’
ফোনে কথা কাটাকাটি প্রসঙ্গে মোস্তাক মিয়া বলেন, অবান্তর কথা বলায় আমিও পাল্টা বক্তব্য দিয়েছি।
জেলা পরিষদ প্রশাসকের এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘জেলা পরিষদের প্রশাসক যে কথাটি বলেছেন, তিনি সেটি দ্বারা উপজেলার জন্য বাজেট নেওয়ার কথা বুঝিয়েছেন। আর উপজেলার জন্য বাজেটের টাকা তো আমাকে দেওয়া হয়নি। এই বাজেট তো কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয় না। দেওয়া হয়েছে, উপজেলাকে।’
এরপর গতকাল শনিবার (৬ জুন) কুমিল্লায় এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী ও যোগদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে বক্তব্য দিতে আসেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বক্তব্য শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিষোদগার করেন।
জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, ৩০ মে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী ছিল। আমি আমার বক্তৃতায় বলেছিলাম, জিয়াউর রহমান বৈষম্যহীন সমাজ ও দেশ গড়ার কাজ করেছেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্রনেতারা কিন্তু বৈষম্য করেছেন। ওই প্রসঙ্গ টানতে গিয়ে বলেছিলাম, কুমিল্লার ১৭ উপজেলার মধ্যে মুরাদনগরের উন্নয়নের জন্য ১৫ কোটি টাকা আসিফ ও দেবীদ্বারের উন্নয়নের জন্য হাসনাত ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন। কুমিল্লার আরও ১৫ টি উপজেলায় সমানভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রথমে হাসনাত সাহেব বক্তব্য খণ্ডন করেন। শুনলাম আজকে কুমিল্লায় আসিফ মাহমুদ এ নিয়ে কথা বলেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণও করেছেন। ওদের এসব লাগামহীন কথার জবাব দিতে চাই না। ওরা যা ইচ্ছে তা-ই বলছে। দলের বিভিন্ন নেতাকে নিয়েও বলে যাচ্ছে।

কুমিল্লা জেলা পরিষদের রাজস্ব থেকে বিশেষ বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনিসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। গতকাল শনিবার কুমিল্লা নগরের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যিনি অভিযোগ তুলেছেন, যিনি সাধারণ বরাদ্দ আর বিশেষ বরাদ্দের পার্থক্য বোঝেন না। আমি উনাকে চিনি না। পরে খোঁজ নিয়ে জানলাম উনি কোনোমতে এসএসসি পাস করেছেন। এরকম যাদেরকে বিএনপি প্রশাসক বানিয়েছেন, তাদের অধিকাংশ কোয়ালিটি লেস। যোগ্য ও বঞ্চিতদের বাদ দিয়ে এ ধরনের লোককে প্রশাসক বানানো হয়েছে। এটি খুবই দু:খজনক। ভবিষ্যতে হয়তো এমন বক্তব্য আরও শুনতে পাব। মূর্খ, থার্ড কোয়ালিটির লোকজনকে প্রশাসকের পদে বসিয়ে রাখা হয়েছে। আমি আশা করব, বিএনপি এদের যথাযথ ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবে।
তিনি বলেন, জেলা পরিষদে তিন রকমের বরাদ্দ হয়। এগুলো কোয়ার্টার বাই কোয়ার্টার চলে যায়। এই যে সদর উপজেলায় দাঁড়িয়ে আছি, এখানেও ১১ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ এসেছে। সিটি করপোরেশনের মাধ্যমেও বরাদ্দ এসেছে। যে বরাদ্দ এসেছে, আপনারা চাইলে ওয়েবসাইটে গিয়ে সব দেখতে পারেন। কিন্তু উনি যেভাবে বক্তব্য রাখলেন, যেভাবে মিডিয়াতে ছড়াল-সব আমরা নিয়ে গেছি!
উল্লেখ, গত ৩১ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক মোস্তাক মিয়া অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে এলাকার উন্নয়নের জন্য এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। আর এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও বর্তমানে কুমিল্লা-৪ আসনের (দেবীদ্বার) সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ নিয়েছেন ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে তথ্য দেন।
৩০ মে রাত ৮টা ৩০মিনিটে সংসদ সদস্য হাসনাত কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়াকে ফোন করেছিলেন। মোস্তাক মিয়া ওই সময়ে ফোনটি ধরতে পারেননি। এরপর তিনি রাত ৮টা ৪০মিনিটের দিকে হাসনাতকে ফোন করেন। এ সময়ে দুই নেতার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একজন আরেকজনের কথার যুক্তি খÐন করেন।
জানতে চাইলে মোস্তাক মিয়া বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় বলেছিলাম, ‘জিয়াউর রহমান বৈষম্যহীন সমাজ চেয়েছিলেন। বৈষম্যহীন দেশ চেয়েছিলেন। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা নিজেদের এলাকার জন্য (নিজ নিজ উপজেলা) বৈষম্য করে উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ নিয়েছেন। যার তথ্য প্রমাণ আছে। আমি তো বলিনি, তাঁরা নিজেরা অর্থ নিয়েছে। বৈষম্য নিয়েই কথা বলতে ওই উদাহরণ দিয়েছি।’
ফোনে কথা কাটাকাটি প্রসঙ্গে মোস্তাক মিয়া বলেন, অবান্তর কথা বলায় আমিও পাল্টা বক্তব্য দিয়েছি।
জেলা পরিষদ প্রশাসকের এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘জেলা পরিষদের প্রশাসক যে কথাটি বলেছেন, তিনি সেটি দ্বারা উপজেলার জন্য বাজেট নেওয়ার কথা বুঝিয়েছেন। আর উপজেলার জন্য বাজেটের টাকা তো আমাকে দেওয়া হয়নি। এই বাজেট তো কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয় না। দেওয়া হয়েছে, উপজেলাকে।’
এরপর গতকাল শনিবার (৬ জুন) কুমিল্লায় এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী ও যোগদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে বক্তব্য দিতে আসেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বক্তব্য শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিষোদগার করেন।
জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, ৩০ মে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী ছিল। আমি আমার বক্তৃতায় বলেছিলাম, জিয়াউর রহমান বৈষম্যহীন সমাজ ও দেশ গড়ার কাজ করেছেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্রনেতারা কিন্তু বৈষম্য করেছেন। ওই প্রসঙ্গ টানতে গিয়ে বলেছিলাম, কুমিল্লার ১৭ উপজেলার মধ্যে মুরাদনগরের উন্নয়নের জন্য ১৫ কোটি টাকা আসিফ ও দেবীদ্বারের উন্নয়নের জন্য হাসনাত ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন। কুমিল্লার আরও ১৫ টি উপজেলায় সমানভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রথমে হাসনাত সাহেব বক্তব্য খণ্ডন করেন। শুনলাম আজকে কুমিল্লায় আসিফ মাহমুদ এ নিয়ে কথা বলেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণও করেছেন। ওদের এসব লাগামহীন কথার জবাব দিতে চাই না। ওরা যা ইচ্ছে তা-ই বলছে। দলের বিভিন্ন নেতাকে নিয়েও বলে যাচ্ছে।