বুড়িচং প্রতিনিধি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ‘আর স্কোয়াড’ নামে একটি কিশোর গ্যাংয়ের আত্মপ্রকাশের ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। গত শুক্রবার দুপুরে বুড়িচং আনন্দ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এক ভিডিওতে দেখা গেছে কথিত কিশোর গ্যাংয়ের লোকজন অস্ত্রের মহড়া দিয়ে বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রি কলেজের গেট দিয়ে নানা শ্লোগান প্রবেশ করছে। এ ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এ পযর্ন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি।
সূত্র জানায়, ঘটনার দুই দিন আগে, ৩ জুন একটি টিকটক আইডি থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অস্ত্রের মহড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষিত সময় অনুযায়ী কয়েকজন কিশোর বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়ে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন, দৌড়ঝাঁপ এবং শক্তি প্রদর্শনের মহড়া দেয়। এ সময় মাঠ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
স্থানীয়দের দাবি, জগতপুর এলাকার সামির নামের এক কিশোর এ গ্রুপটির নেতৃত্ব দিচ্ছে। এছাড়া কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অপরদিকে একাধিক সূত্র জানায় উপজেলা সদরে অবস্থিত ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজির ছাত্ররা ৮-১০ বছর আগ থেকে কলেজ থেকে বের হয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণসহ বাজার ঘোরাঘুরি-মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের অসভ্য ব্যবহার করে আসছে। বিগত সময় ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্ব পালন কালে মশিউর রহমান খানসহ আরও অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে কলেজ গেটে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছেন।
এলাকার ব্যবসায়ী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলবদ্ধ উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, মারামারি ও আধিপত্য বিস্তারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক এ ঘটনাকে তারা কিশোর গ্যাং সংস্কৃতির নতুন ও উদ্বেগজনক রূপ হিসেবে দেখছেন।
এ ব্যাপারে ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ আবু তাহের বলেন, গত মে মাসে দুই ছাত্রকে উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে বহিষ্কার করেছি। দুজনকে বুড়িচং থানা পুলিশে সোপর্দ করেছিলাম। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। রোববার কলেজে বৈঠক বসে শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থী যাদেরকে কলেজের ইউনিফর্মে দেখা গেছে এরা বিগত সময়ের শিক্ষার্থী, চলতি সনের নয়। আশেপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এরা।
তিনি আরো বলেন, আমরা এগুলো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। অভিভাবকরা সচেতন হলে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। রাজনৈতিক মাঠে প্রভাব বিস্তারের জন্য তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। এ কারণে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না।
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন মহল কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরের মানুষকে কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে কিশোর গ্যাংয়ের এই তৎপরতা ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ওইদিন পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্টরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশি অভিযান অব্যহৃত রয়েছে, এ পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন মহল কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরের মানুষকে কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অস্ত্রের মহড়ার বিষয়ে কয়েকটি ভিডিও ফুটেজ আমার নিকট এসেছে। আমরা এগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ‘আর স্কোয়াড’ নামে একটি কিশোর গ্যাংয়ের আত্মপ্রকাশের ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। গত শুক্রবার দুপুরে বুড়িচং আনন্দ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এক ভিডিওতে দেখা গেছে কথিত কিশোর গ্যাংয়ের লোকজন অস্ত্রের মহড়া দিয়ে বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রি কলেজের গেট দিয়ে নানা শ্লোগান প্রবেশ করছে। এ ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এ পযর্ন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি।
সূত্র জানায়, ঘটনার দুই দিন আগে, ৩ জুন একটি টিকটক আইডি থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অস্ত্রের মহড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষিত সময় অনুযায়ী কয়েকজন কিশোর বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়ে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন, দৌড়ঝাঁপ এবং শক্তি প্রদর্শনের মহড়া দেয়। এ সময় মাঠ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
স্থানীয়দের দাবি, জগতপুর এলাকার সামির নামের এক কিশোর এ গ্রুপটির নেতৃত্ব দিচ্ছে। এছাড়া কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অপরদিকে একাধিক সূত্র জানায় উপজেলা সদরে অবস্থিত ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজির ছাত্ররা ৮-১০ বছর আগ থেকে কলেজ থেকে বের হয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণসহ বাজার ঘোরাঘুরি-মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের অসভ্য ব্যবহার করে আসছে। বিগত সময় ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্ব পালন কালে মশিউর রহমান খানসহ আরও অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে কলেজ গেটে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছেন।
এলাকার ব্যবসায়ী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলবদ্ধ উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, মারামারি ও আধিপত্য বিস্তারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক এ ঘটনাকে তারা কিশোর গ্যাং সংস্কৃতির নতুন ও উদ্বেগজনক রূপ হিসেবে দেখছেন।
এ ব্যাপারে ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ আবু তাহের বলেন, গত মে মাসে দুই ছাত্রকে উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে বহিষ্কার করেছি। দুজনকে বুড়িচং থানা পুলিশে সোপর্দ করেছিলাম। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। রোববার কলেজে বৈঠক বসে শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থী যাদেরকে কলেজের ইউনিফর্মে দেখা গেছে এরা বিগত সময়ের শিক্ষার্থী, চলতি সনের নয়। আশেপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এরা।
তিনি আরো বলেন, আমরা এগুলো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। অভিভাবকরা সচেতন হলে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। রাজনৈতিক মাঠে প্রভাব বিস্তারের জন্য তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। এ কারণে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না।
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন মহল কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরের মানুষকে কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে কিশোর গ্যাংয়ের এই তৎপরতা ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ওইদিন পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্টরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশি অভিযান অব্যহৃত রয়েছে, এ পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন মহল কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরের মানুষকে কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অস্ত্রের মহড়ার বিষয়ে কয়েকটি ভিডিও ফুটেজ আমার নিকট এসেছে। আমরা এগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।