১৪০তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

একসঙ্গে ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রাখা ব্যক্তির সংখ্যা খুবই কম। তাঁদের একজন হলেন ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। যিনি বায়ান্ন ও একাত্তরে ভূমিকা রাখেন। তাই ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় কান্দিরপাড় দেশপ্রিয় কনভেনশন হলে শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ কুমিল্লার উদ্যোগে আয়োজিত ১৪০তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ঘুরেফিরে বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে স্মরণ করা হয়। এবারই প্রথম শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের আহবায়ক শাহ মো. সেলিমের নেতৃত্বে তাঁকে স্মরণ করা হলো।
পরিষদের আহ্বায়ক শাহ মো. সেলিমের সভাপতিত্বে জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ইতিহাসবিদ বীরমুক্তিযোদ্ধা গোলাম ফারুক, অভিবাদন সম্পাদক আবুল হাসনাত বাবুল, সনাকের সভাপতি নিখিল রায়, যাত্রীর সভাপতি অধ্যাপক ফারুক সরকার, কুমিল্লা টাউন হলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবীর, আইনজীবী আখতার হোসাইন, উদীচীর সভাপতি শেখ ফরিদ, আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ ও পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক তাপস বকসী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব বশির উল আনোয়ার।

ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্ম ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর অবিভক্ত কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার রামরাইল গ্রামে। ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখেন। একসঙ্গে বায়ান্ন ও একাত্তরের আন্দোলনের নেতা খুবই কম ছিলেন। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন উভয় আন্দোলনের নেতা, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি কুমিল্লা শহরের ধর্মসাগরের পশ্চিমপাড়ে বসবাস করতেন।
জানা গেছে, ১৯৫২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ ধর্মসাগরপাড়ের বাসা থেকে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ও তাঁর ছেলে দিলীপ কুমার দত্তকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী। ৩০ মার্চ কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসে তাঁদের অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ কুমিল্লার আহ্বায়ক শাহ মো. সেলিম বলেন, এবার আমরা ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন পালন করেছি প্রথমবারের মতো। এছাড়া ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ও নওয়াব ফয়জুন্নেছাকে নিয়ে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লায় মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে এনে একটি বড় আকারের অনুষ্ঠান করবেন। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

একসঙ্গে ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রাখা ব্যক্তির সংখ্যা খুবই কম। তাঁদের একজন হলেন ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। যিনি বায়ান্ন ও একাত্তরে ভূমিকা রাখেন। তাই ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় কান্দিরপাড় দেশপ্রিয় কনভেনশন হলে শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ কুমিল্লার উদ্যোগে আয়োজিত ১৪০তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ঘুরেফিরে বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে স্মরণ করা হয়। এবারই প্রথম শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের আহবায়ক শাহ মো. সেলিমের নেতৃত্বে তাঁকে স্মরণ করা হলো।
পরিষদের আহ্বায়ক শাহ মো. সেলিমের সভাপতিত্বে জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ইতিহাসবিদ বীরমুক্তিযোদ্ধা গোলাম ফারুক, অভিবাদন সম্পাদক আবুল হাসনাত বাবুল, সনাকের সভাপতি নিখিল রায়, যাত্রীর সভাপতি অধ্যাপক ফারুক সরকার, কুমিল্লা টাউন হলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবীর, আইনজীবী আখতার হোসাইন, উদীচীর সভাপতি শেখ ফরিদ, আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ ও পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক তাপস বকসী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব বশির উল আনোয়ার।

ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্ম ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর অবিভক্ত কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার রামরাইল গ্রামে। ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখেন। একসঙ্গে বায়ান্ন ও একাত্তরের আন্দোলনের নেতা খুবই কম ছিলেন। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন উভয় আন্দোলনের নেতা, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি কুমিল্লা শহরের ধর্মসাগরের পশ্চিমপাড়ে বসবাস করতেন।
জানা গেছে, ১৯৫২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ ধর্মসাগরপাড়ের বাসা থেকে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ও তাঁর ছেলে দিলীপ কুমার দত্তকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী। ৩০ মার্চ কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসে তাঁদের অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ কুমিল্লার আহ্বায়ক শাহ মো. সেলিম বলেন, এবার আমরা ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন পালন করেছি প্রথমবারের মতো। এছাড়া ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ও নওয়াব ফয়জুন্নেছাকে নিয়ে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লায় মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে এনে একটি বড় আকারের অনুষ্ঠান করবেন। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।