এ কেমন শত্রুতা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বরুড়ার জয়কামতা গ্রামে কীটনাশক দিয়ে ১০ হাজার ৭০০ আখের চারা নিধন করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে কে বা কারা আখের চারায় কীটনাশক ঢেলে দিয়ে মেরে ফেলে। এ ঘটনায় চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জমির মালিক সৈয়দ নাদেরুজ্জামান।
জানতে চাইলে সৈয়দ নাদেরুজ্জামান বলেন, ৮৮ শতক জমিতে ১০ হাজার ৭০০ আখের চারা রোপণ করেছি এক মাস আগে। রোববার রাতে কে বা কারা কীটনাশক ঢেলে আমার চারাগুলোকে মেরে ফেলছে। গত অর্থবছরে এ জমিতে আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। ৬ লাখ টাকার আখ বিক্রি করেছি। আমার কারো সঙ্গে কোনো ধরনের শত্রুতা নেই।
সরেজমিনে আজ সোমবার দুপুরে গিয়ে দেখা গেছে, খেতের মধ্যে পানি আর গাছগুলো মরা ও শুকনো। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, এলাকাবাসী এ ঘটনায় মর্মাহত। যার দোকান থেকে কীটনাশক কেনা হয়েছে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এলাকাবাসী সাখাওয়াত নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহ করেছে।
জয়কামতা গ্রামের অন্তত তিনজন ব্যক্তি জানান, সৈয়দ নাদেরুজ্জামান এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। তাঁদের পরিবার আমড়াতলি ও জয়কামতা এলাকার মানুষের জন্য পাকিস্তান আমল থেকে সহযোগিতা করে আসছে। গত কয়েক বছর ধরে নাদের সাহেব কুমিল্লা থেকে এলাকায় আসেন। তিনি আখ চাষ, মৎস্য চাষ শুরু করেন।
বরুড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বরুড়ার জয়কামতা গ্রামে কীটনাশক দিয়ে ১০ হাজার ৭০০ আখের চারা নিধন করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে কে বা কারা আখের চারায় কীটনাশক ঢেলে দিয়ে মেরে ফেলে। এ ঘটনায় চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জমির মালিক সৈয়দ নাদেরুজ্জামান।
জানতে চাইলে সৈয়দ নাদেরুজ্জামান বলেন, ৮৮ শতক জমিতে ১০ হাজার ৭০০ আখের চারা রোপণ করেছি এক মাস আগে। রোববার রাতে কে বা কারা কীটনাশক ঢেলে আমার চারাগুলোকে মেরে ফেলছে। গত অর্থবছরে এ জমিতে আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। ৬ লাখ টাকার আখ বিক্রি করেছি। আমার কারো সঙ্গে কোনো ধরনের শত্রুতা নেই।
সরেজমিনে আজ সোমবার দুপুরে গিয়ে দেখা গেছে, খেতের মধ্যে পানি আর গাছগুলো মরা ও শুকনো। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, এলাকাবাসী এ ঘটনায় মর্মাহত। যার দোকান থেকে কীটনাশক কেনা হয়েছে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এলাকাবাসী সাখাওয়াত নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহ করেছে।
জয়কামতা গ্রামের অন্তত তিনজন ব্যক্তি জানান, সৈয়দ নাদেরুজ্জামান এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। তাঁদের পরিবার আমড়াতলি ও জয়কামতা এলাকার মানুষের জন্য পাকিস্তান আমল থেকে সহযোগিতা করে আসছে। গত কয়েক বছর ধরে নাদের সাহেব কুমিল্লা থেকে এলাকায় আসেন। তিনি আখ চাষ, মৎস্য চাষ শুরু করেন।
বরুড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।