মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৩০০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৫৩ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ২৪৭ জন। পাসের হার ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। কলেজটির এমন ফলাফলের প্রতিবাদে অধ্যক্ষসহ শিক্ষকদের ফুলের তোড়া দিয়েছেন উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা। তাদের এই ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
গতকাল রোববার সকালে কলেজের কার্যালয়ে গিয়ে অধ্যক্ষ নাজমা বেগমসহ শিক্ষকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী, সহসভাপতি সজিবুর রহমান শান্ত, নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি তারিক আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ হোসেনসহ কলেজ ছাত্রদলের নেতারা।
উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী বলেন, এমন বিপর্যয়কর ফলাফলের দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। এর প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আজ সম্মানিত শিক্ষকদের আমরা জানিয়ে দিয়েছি, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিবেচনায় ফেল করা কোনো শিক্ষার্থীর ফরম পূরণে তদবির নিয়ে ছাত্রদল কিংবা বিএনপির কোনো অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী কলেজে যাবেন না। মেধার মূল্যায়ন করতে হবে। মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ হবে, রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়। ফুল আমাদের প্রতিবাদের ভাষা। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে ভালো ফলাফলের জন্য ছাত্রদলের সহযোগিতা থাকবে।’
আজ সোমবার কলেজের অধ্যক্ষ নাজমা বেগম বলেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন। তবে মফস্বলের এই কলেজের দায়িত্ব নেওয়ার পর ভিন্ন চিত্র দেখছেন। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত কলেজে আসে না। অভিভাবক সমাবেশ করেও সাড়া পাওয়া যায় না। সিসিটিভির মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষ পর্যবেক্ষণ, নিয়মিত ক্লাস নেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদারকি থাকলেও শিক্ষার্থীদের কলেজমুখী করা যাচ্ছে না। এ কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
ছাত্রদলের নেতাদের কলেজে আসার বিষয়ে অধ্যক্ষ বলেন, কলেজের ফলাফল খারাপ হওয়া এবং ভবিষ্যতে ভালো ফলের বিষয়ে তারা কিছু কথা বলেছেন। তারা ফুল নিয়ে এসেছিলেন। তবে ফুলকে প্রতিবাদের ভাষা বলা যায় না।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৩০০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৫৩ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ২৪৭ জন। পাসের হার ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। কলেজটির এমন ফলাফলের প্রতিবাদে অধ্যক্ষসহ শিক্ষকদের ফুলের তোড়া দিয়েছেন উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা। তাদের এই ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
গতকাল রোববার সকালে কলেজের কার্যালয়ে গিয়ে অধ্যক্ষ নাজমা বেগমসহ শিক্ষকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী, সহসভাপতি সজিবুর রহমান শান্ত, নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি তারিক আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ হোসেনসহ কলেজ ছাত্রদলের নেতারা।
উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী বলেন, এমন বিপর্যয়কর ফলাফলের দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। এর প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আজ সম্মানিত শিক্ষকদের আমরা জানিয়ে দিয়েছি, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিবেচনায় ফেল করা কোনো শিক্ষার্থীর ফরম পূরণে তদবির নিয়ে ছাত্রদল কিংবা বিএনপির কোনো অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী কলেজে যাবেন না। মেধার মূল্যায়ন করতে হবে। মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ হবে, রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়। ফুল আমাদের প্রতিবাদের ভাষা। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে ভালো ফলাফলের জন্য ছাত্রদলের সহযোগিতা থাকবে।’
আজ সোমবার কলেজের অধ্যক্ষ নাজমা বেগম বলেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন। তবে মফস্বলের এই কলেজের দায়িত্ব নেওয়ার পর ভিন্ন চিত্র দেখছেন। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত কলেজে আসে না। অভিভাবক সমাবেশ করেও সাড়া পাওয়া যায় না। সিসিটিভির মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষ পর্যবেক্ষণ, নিয়মিত ক্লাস নেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদারকি থাকলেও শিক্ষার্থীদের কলেজমুখী করা যাচ্ছে না। এ কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
ছাত্রদলের নেতাদের কলেজে আসার বিষয়ে অধ্যক্ষ বলেন, কলেজের ফলাফল খারাপ হওয়া এবং ভবিষ্যতে ভালো ফলের বিষয়ে তারা কিছু কথা বলেছেন। তারা ফুল নিয়ে এসেছিলেন। তবে ফুলকে প্রতিবাদের ভাষা বলা যায় না।