নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ মাসেও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন হয়নি। বর্তমানে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু , সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব। এই তিনজনেরই কুমিল্লা মহানগর বিএনপিতে পদ আছে। এর মধ্যে সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমানকে দলীয় কর্মসূচিতে কম দেখা যাচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্মেলন হয়েছিল গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি। সংগঠনের সম্মেলন হলেও এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। এ অবস্থায় দ্রুত পদ প্রত্যাশীরা কমিটি দাবি করেছেন। তাঁরা বলেছেন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে। এ অবস্থায় দল গুছাতে ও প্রার্থী জেতাতে কমিটি দরকার।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আগে জমা হয়েছে। এতে সহসভাপতি পদে অন্তত ১৭ জন, যুগ্ম সম্পাদক পদে ১৩ জন ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চারজনের নাম রয়েছে। উপদেষ্টামণ্ডলীর এক নম্বরে বেগম রাবেয়া চৌধুরীর নাম আছে। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার কাছে ওই কমিটি জমা দেওয়া হয়েছে। কমিটি ইমেইলে পাঠানো হয়েছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পর ওই কমিটি জানাজানি হবে। বিএনপির একটি সূত্র আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বর্তমানে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির কমিটিতে পদ প্রত্যাশীরা মুখিয়ে আছেন। তাঁরা দ্রুত কমিটি চান। পদ পদবি ব্যবহার করতে চান। তার উপর সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কমিটি হলে তাঁরা পদ নিয়ে ভোটারের কাছে যেতে পারবেন।
মহানগরের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন হয়। সিটি করপোরেশন হওয়ার ১১ বছর পর বিএনপি মহানগর কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়। ২০২২ সালের ৩০ মে বিএনপি প্রথমবারের মতো ৪৪ সদস্য বিশিষ্ট মহানগর আহবায়ক কমিটি গঠন করে। এতে আমিরুজ্জামানকে আহবায়ক ও ইউসুফ মোল্লা টিপুকে সদস্য সচিব করা হয়। এই কমিটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করায় আমিরুজ্জামানকে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তাঁর স্থলে ওই বছরের ২৭ জুলাই প্রথম যুগ্ম আহবায়ক শওকত আলী বকুলকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই কমিটি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা সমালোচনা হয়। এক পর্যায়ে ওই কমিটিও বিলুপ্ত করা হয়। এরপর ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটি কেন্দ্র থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে উদবাতুল বারী আবুকে আহবায়ক ও ইউসুফ মোল্লা টিপুকে সদস্য সচিব করা হয়। চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা টাউন হল মাঠে মহানগর বিএনপির প্রথম দ্বিবার্ষিক সম্মেলন হয়। এতে সভাপতি পদে উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি।
জানতে চাইলে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন,‘ আমরা প্রস্তাবিত কমিটি জমা দিয়েছি। নির্বাচিত তিনটি পদ ছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটি যেকোন পদে রদবদল করার ক্ষমতা রাখে। আমাদের কাজ পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে জমা দেওয়া। কেন্দ্র যখন অনুমোদন দেবে, তখনই জানাজানি হবে।’
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু বলেন, ‘কমিটি জমা দিয়েছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না। কেন্দ্র থেকে আগে অনুমোদন হোক।’

১০ মাসেও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন হয়নি। বর্তমানে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু , সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব। এই তিনজনেরই কুমিল্লা মহানগর বিএনপিতে পদ আছে। এর মধ্যে সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমানকে দলীয় কর্মসূচিতে কম দেখা যাচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্মেলন হয়েছিল গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি। সংগঠনের সম্মেলন হলেও এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। এ অবস্থায় দ্রুত পদ প্রত্যাশীরা কমিটি দাবি করেছেন। তাঁরা বলেছেন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে। এ অবস্থায় দল গুছাতে ও প্রার্থী জেতাতে কমিটি দরকার।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আগে জমা হয়েছে। এতে সহসভাপতি পদে অন্তত ১৭ জন, যুগ্ম সম্পাদক পদে ১৩ জন ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চারজনের নাম রয়েছে। উপদেষ্টামণ্ডলীর এক নম্বরে বেগম রাবেয়া চৌধুরীর নাম আছে। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার কাছে ওই কমিটি জমা দেওয়া হয়েছে। কমিটি ইমেইলে পাঠানো হয়েছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পর ওই কমিটি জানাজানি হবে। বিএনপির একটি সূত্র আমার শহরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বর্তমানে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির কমিটিতে পদ প্রত্যাশীরা মুখিয়ে আছেন। তাঁরা দ্রুত কমিটি চান। পদ পদবি ব্যবহার করতে চান। তার উপর সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কমিটি হলে তাঁরা পদ নিয়ে ভোটারের কাছে যেতে পারবেন।
মহানগরের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন হয়। সিটি করপোরেশন হওয়ার ১১ বছর পর বিএনপি মহানগর কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়। ২০২২ সালের ৩০ মে বিএনপি প্রথমবারের মতো ৪৪ সদস্য বিশিষ্ট মহানগর আহবায়ক কমিটি গঠন করে। এতে আমিরুজ্জামানকে আহবায়ক ও ইউসুফ মোল্লা টিপুকে সদস্য সচিব করা হয়। এই কমিটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করায় আমিরুজ্জামানকে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তাঁর স্থলে ওই বছরের ২৭ জুলাই প্রথম যুগ্ম আহবায়ক শওকত আলী বকুলকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই কমিটি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা সমালোচনা হয়। এক পর্যায়ে ওই কমিটিও বিলুপ্ত করা হয়। এরপর ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটি কেন্দ্র থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে উদবাতুল বারী আবুকে আহবায়ক ও ইউসুফ মোল্লা টিপুকে সদস্য সচিব করা হয়। চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা টাউন হল মাঠে মহানগর বিএনপির প্রথম দ্বিবার্ষিক সম্মেলন হয়। এতে সভাপতি পদে উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি।
জানতে চাইলে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন,‘ আমরা প্রস্তাবিত কমিটি জমা দিয়েছি। নির্বাচিত তিনটি পদ ছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটি যেকোন পদে রদবদল করার ক্ষমতা রাখে। আমাদের কাজ পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে জমা দেওয়া। কেন্দ্র যখন অনুমোদন দেবে, তখনই জানাজানি হবে।’
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু বলেন, ‘কমিটি জমা দিয়েছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না। কেন্দ্র থেকে আগে অনুমোদন হোক।’