নিজস্ব প্রতিবেদক

ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গতকাল মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি কাজী নাজিয়া হক। শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আবু জাহেদ ও সহকারী অধ্যাপক কামরুর রশীদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ মো. মোস্তাক আহমদসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ছিলেন সহকারী অধ্যাপক মোসাম্মৎ মমতা আক্তার ও প্রভাষক মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাসকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। গভর্নিং বডির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান আরো বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এতে দর্শক সারিতে বসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিপুল সংখ্যক অভিভাবক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি কাজী নাজিয়া হক বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চা শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননকে বিকশিত করে। তাছাড়াও দৈহিক ও আত্মিক সুস্থতায় ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই। তাই অবসরে ঘরকুনো হয়ে না থেকে মাঠে বিচরণ করতে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি পরামর্শ দেন। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা অবসর সময়ে ক্রীড়া, সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা করলে শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকবে। এ বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান। এর আগে গত ১১ জানুয়ারি বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন তিনি। এতে উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রি ও অনার্স শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৩টি ইভেন্টে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদেরকে মোট ১৬০টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি, পল্লীগীতি, লোকগীতি, আধুনিক গান, নজরুল গীতি, রবীন্দ্র গীতি, হামদ-নাত, নৃত্য ও যেমন খুশি তেমন সাজ। অপরদিকে শিক্ষকদের গোল পোস্টে বল নিক্ষেপ, শিক্ষিকাদের পিলোপাসিং ও কর্মচারীদের জন্য ছিল বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা। এখানেও চারটি ইভেন্টে মোট ১৮ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গতকাল মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি কাজী নাজিয়া হক। শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আবু জাহেদ ও সহকারী অধ্যাপক কামরুর রশীদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ মো. মোস্তাক আহমদসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ছিলেন সহকারী অধ্যাপক মোসাম্মৎ মমতা আক্তার ও প্রভাষক মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাসকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। গভর্নিং বডির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান আরো বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এতে দর্শক সারিতে বসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিপুল সংখ্যক অভিভাবক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি কাজী নাজিয়া হক বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চা শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননকে বিকশিত করে। তাছাড়াও দৈহিক ও আত্মিক সুস্থতায় ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই। তাই অবসরে ঘরকুনো হয়ে না থেকে মাঠে বিচরণ করতে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি পরামর্শ দেন। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা অবসর সময়ে ক্রীড়া, সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা করলে শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকবে। এ বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান। এর আগে গত ১১ জানুয়ারি বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন তিনি। এতে উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রি ও অনার্স শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৩টি ইভেন্টে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদেরকে মোট ১৬০টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি, পল্লীগীতি, লোকগীতি, আধুনিক গান, নজরুল গীতি, রবীন্দ্র গীতি, হামদ-নাত, নৃত্য ও যেমন খুশি তেমন সাজ। অপরদিকে শিক্ষকদের গোল পোস্টে বল নিক্ষেপ, শিক্ষিকাদের পিলোপাসিং ও কর্মচারীদের জন্য ছিল বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা। এখানেও চারটি ইভেন্টে মোট ১৮ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।