কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী এ কলেজ। আমার মামার কাছে অনেকবার এ কলেজের গল্প শুনেছি। আমার মামা এ কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
কলেজের জিয়া অডিটোরিয়ামের দুর্দশা দেখে হতাশা ব্যক্ত করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে এ কলেজের কি কি উন্নয়ন হয়েছে। এই হলের জন্য ৫০ লাখ টাকা স্থানীয় সংসদ সদস্য দেবেন বলে জানিয়েছেন। আরও ২০ লাখ টাকার কথা শুনেছি। একে একে এ কলেজে সব হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকার যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। বেগম খালেদা জিয়া এ কলেজে বাস দিয়েছেন। আর কেউ কিছু দেয়নি। সকল শিক্ষাঙ্গনের জন্য (প্রাইমারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত) আগামী বাজেটে ১৭ সিটের ওপরের বাস শুল্কমুক্ত করে দিয়েছি। এ বছর এ কলেজের জন্য দুইটি বাস দিব। যদি না দিতে পারি তাহলে আমার বাবার নামে একটি ফাউন্ডেশন আছে, সেখান থেকে বাস দেব।
মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে এ কলেজে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি।
তিনি বলেন, শিক্ষার মান নিয়ে দুঃখ আছে। শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষকদের চেষ্টা করতে হবে। শিক্ষার মান বাড়ালে জাতির উন্নয়ন হবে। আমরা চাই সত্যিকারের শিক্ষার মান বাড়–ক। এ কলেজের ঐতিহ্য বজায় রাখতে হলে মানসম্মত শিক্ষা দরকার।
তিনি বলেন, আমি কলেজের ছাত্রবাস, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও ভবন নির্মাণের জন্য কাজ করব।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ শুক্রবার বেলা ১১ টায় কলেজের ডিগ্রি শাখার জিয়া মিলনায়তনে ওই অনুষ্ঠান হয়। কলেজ প্রশাসনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল বাসার ভূঁঞা।

জাকারিয়া তাহের সুমন প্রথমবারের মতো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে আসেন। নতুন ভবন ও ছাত্রবাস নির্মাণ, নতুন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি ও বেহাত হওয়া কলেজের জায়গা উদ্ধারের দাবি জানান শিক্ষকেরা।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী। কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মো. শাহআলম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল মজিদ। স্বাগত বক্তব্য দেন বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, পুরষ্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা কমিটির আহবায়ক ও অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আমেনা বেগম । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল কুদ্দুস।
অনুষ্ঠানে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে ২০২৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হওয়া অন্তত ৩০০ জনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ৫০ জন ও ডিগ্রি শাখার ৫৮ জনসহ ১০৮ জনকে বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার দেওয়া হয়।
এ কলেজে ৩২ একর জায়গা আছে। শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৯ হাজার ৯৮২ জন। এ কলেজে শিক্ষক ১৭৫ জন। কর্মচারী ১৬৫ জন (সরকারি ও খন্ডকালীনসহ)। ২০ টি বিষয়ে অনার্স ও ১৮টি বিষয়ে মাস্টার্স আছে। নগরের প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড়ের রাণীর দিঘিরপাড়ে উচ্চ মাধ্যমিক শাখা। উচ্চ মাধ্যমিক শাখা থেকে তিন কিলোমিটার পশ্চিমে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের ধর্মপুর এলাকায় ডিগ্রি শাখা (অনার্স ও মাষ্টার্স)।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী এ কলেজ। আমার মামার কাছে অনেকবার এ কলেজের গল্প শুনেছি। আমার মামা এ কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
কলেজের জিয়া অডিটোরিয়ামের দুর্দশা দেখে হতাশা ব্যক্ত করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে এ কলেজের কি কি উন্নয়ন হয়েছে। এই হলের জন্য ৫০ লাখ টাকা স্থানীয় সংসদ সদস্য দেবেন বলে জানিয়েছেন। আরও ২০ লাখ টাকার কথা শুনেছি। একে একে এ কলেজে সব হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকার যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। বেগম খালেদা জিয়া এ কলেজে বাস দিয়েছেন। আর কেউ কিছু দেয়নি। সকল শিক্ষাঙ্গনের জন্য (প্রাইমারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত) আগামী বাজেটে ১৭ সিটের ওপরের বাস শুল্কমুক্ত করে দিয়েছি। এ বছর এ কলেজের জন্য দুইটি বাস দিব। যদি না দিতে পারি তাহলে আমার বাবার নামে একটি ফাউন্ডেশন আছে, সেখান থেকে বাস দেব।
মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে এ কলেজে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি।
তিনি বলেন, শিক্ষার মান নিয়ে দুঃখ আছে। শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষকদের চেষ্টা করতে হবে। শিক্ষার মান বাড়ালে জাতির উন্নয়ন হবে। আমরা চাই সত্যিকারের শিক্ষার মান বাড়–ক। এ কলেজের ঐতিহ্য বজায় রাখতে হলে মানসম্মত শিক্ষা দরকার।
তিনি বলেন, আমি কলেজের ছাত্রবাস, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও ভবন নির্মাণের জন্য কাজ করব।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ শুক্রবার বেলা ১১ টায় কলেজের ডিগ্রি শাখার জিয়া মিলনায়তনে ওই অনুষ্ঠান হয়। কলেজ প্রশাসনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল বাসার ভূঁঞা।

জাকারিয়া তাহের সুমন প্রথমবারের মতো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে আসেন। নতুন ভবন ও ছাত্রবাস নির্মাণ, নতুন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি ও বেহাত হওয়া কলেজের জায়গা উদ্ধারের দাবি জানান শিক্ষকেরা।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী। কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মো. শাহআলম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল মজিদ। স্বাগত বক্তব্য দেন বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, পুরষ্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা কমিটির আহবায়ক ও অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আমেনা বেগম । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল কুদ্দুস।
অনুষ্ঠানে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে ২০২৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হওয়া অন্তত ৩০০ জনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ৫০ জন ও ডিগ্রি শাখার ৫৮ জনসহ ১০৮ জনকে বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার দেওয়া হয়।
এ কলেজে ৩২ একর জায়গা আছে। শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৯ হাজার ৯৮২ জন। এ কলেজে শিক্ষক ১৭৫ জন। কর্মচারী ১৬৫ জন (সরকারি ও খন্ডকালীনসহ)। ২০ টি বিষয়ে অনার্স ও ১৮টি বিষয়ে মাস্টার্স আছে। নগরের প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড়ের রাণীর দিঘিরপাড়ে উচ্চ মাধ্যমিক শাখা। উচ্চ মাধ্যমিক শাখা থেকে তিন কিলোমিটার পশ্চিমে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের ধর্মপুর এলাকায় ডিগ্রি শাখা (অনার্স ও মাষ্টার্স)।