কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নতুন ডিন নিয়োগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন পদে যোগদান করেননি প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ছয়টি অনুষদে নতুন ডিন নিয়োগ দিয়েছিল অব্যাহতিপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। মাসুদা কামালের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। তাঁরা বলছেন, রোস্টার ও বিধি মোতাবেক ডিন নিয়োগ হবে।
জানতে চাইলে আজ বৃহস্পতিবার রাতে উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ‘আমি নিষেধ করেছিলাম, ওরা শুনেনি। আমি এটাতে যোগদান করব কেন? আমি তো এটা একসেপ্টই করিনি।’
সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদে নতুন ডিন নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ৭ মে ঢাকায় সিন্ডিকেটের সভায় ডিন নিয়োগ বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে নতুন ডিন নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত দুইজন সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন, সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত হয় এক রকম। পরবর্তীতে মাইনরস লেখা হয় আরেক রকম।
জানতে চাইলে সিন্ডিকেটের সদস্য ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, সিন্ডিকেটে নতুন ডিন নিয়োগের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
সোমবারের অফিস আদেশে বলা হয়, বিজ্ঞান, কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, প্রকৌশল, ব্যবসায় শিক্ষা ও আইন অনুষদের ডিনগণের নিয়োগের মেয়াদ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ (সংশোধিত আইন-২০১৩) অনুযায়ী শেষ হওয়ায় এবং গত ৭ মে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০৯তম সভায় ডিন নিয়োগের বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্তক্রমে আইন বিশেষজ্ঞের মতামত না আসা পর্যন্ত নিম্নে বর্ণিত অধ্যাপকগণকে ডিন হিসেবে দায়িত্ব প্রদানের জন্য কর্তৃপক্ষ নির্দেশ প্রদান করেছেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিনরা হলেন- বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন হিসেবে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামীমুল ইসলাম, প্রকৌশল অনুষদের ডিন হিসেবে আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তোফায়েল আহমেদ, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন হিসেবে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ মকছেদুর রহমান এবং আইন অনুষদের ডিন হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাবের অন্তত চারজন সদস্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন করতেই সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অমান্য করা হয়েছে। আনোয়ার ডিন হওয়ার জন্য উদগ্রীব ছিলেন।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, সিন্ডিকেটে ডিন নিয়োগের বিষয়ে আইন বিশেষজ্ঞের মতামত না আসায় ও মতামত না পাওয়া পর্যন্ত এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মতামত এলে পুনরায় আইন অনুযায়ী দুই বছরের জন্য ডিন নিয়োগ দেওয়া হবে।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, ওরা (বর্তমান প্রশাসন) আমাকে বিতর্কিত করার জন্য ডিন নিয়োগ দিয়েছে। সিন্ডিকেট যেখানে ডিন নিয়োগের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত দেয়নি, এ অবস্থায় আমি ডিন পদে যোগদান করিনি। এরই মধ্যে আমি উপাচার্য হয়ে গেছি। এই বিশ^বিদ্যালয় নিয়মের মধ্যে চলবে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন পদে যোগদান করেননি প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ছয়টি অনুষদে নতুন ডিন নিয়োগ দিয়েছিল অব্যাহতিপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। মাসুদা কামালের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। তাঁরা বলছেন, রোস্টার ও বিধি মোতাবেক ডিন নিয়োগ হবে।
জানতে চাইলে আজ বৃহস্পতিবার রাতে উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ‘আমি নিষেধ করেছিলাম, ওরা শুনেনি। আমি এটাতে যোগদান করব কেন? আমি তো এটা একসেপ্টই করিনি।’
সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদে নতুন ডিন নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ৭ মে ঢাকায় সিন্ডিকেটের সভায় ডিন নিয়োগ বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে নতুন ডিন নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত দুইজন সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন, সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত হয় এক রকম। পরবর্তীতে মাইনরস লেখা হয় আরেক রকম।
জানতে চাইলে সিন্ডিকেটের সদস্য ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, সিন্ডিকেটে নতুন ডিন নিয়োগের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
সোমবারের অফিস আদেশে বলা হয়, বিজ্ঞান, কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, প্রকৌশল, ব্যবসায় শিক্ষা ও আইন অনুষদের ডিনগণের নিয়োগের মেয়াদ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ (সংশোধিত আইন-২০১৩) অনুযায়ী শেষ হওয়ায় এবং গত ৭ মে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০৯তম সভায় ডিন নিয়োগের বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্তক্রমে আইন বিশেষজ্ঞের মতামত না আসা পর্যন্ত নিম্নে বর্ণিত অধ্যাপকগণকে ডিন হিসেবে দায়িত্ব প্রদানের জন্য কর্তৃপক্ষ নির্দেশ প্রদান করেছেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিনরা হলেন- বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন হিসেবে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামীমুল ইসলাম, প্রকৌশল অনুষদের ডিন হিসেবে আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তোফায়েল আহমেদ, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন হিসেবে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ মকছেদুর রহমান এবং আইন অনুষদের ডিন হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাবের অন্তত চারজন সদস্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন করতেই সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অমান্য করা হয়েছে। আনোয়ার ডিন হওয়ার জন্য উদগ্রীব ছিলেন।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, সিন্ডিকেটে ডিন নিয়োগের বিষয়ে আইন বিশেষজ্ঞের মতামত না আসায় ও মতামত না পাওয়া পর্যন্ত এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মতামত এলে পুনরায় আইন অনুযায়ী দুই বছরের জন্য ডিন নিয়োগ দেওয়া হবে।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, ওরা (বর্তমান প্রশাসন) আমাকে বিতর্কিত করার জন্য ডিন নিয়োগ দিয়েছে। সিন্ডিকেট যেখানে ডিন নিয়োগের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত দেয়নি, এ অবস্থায় আমি ডিন পদে যোগদান করিনি। এরই মধ্যে আমি উপাচার্য হয়ে গেছি। এই বিশ^বিদ্যালয় নিয়মের মধ্যে চলবে।