নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি হয়েছে। কমিটির সভাপতি কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এতে সই করেন। আজ সোমবার সকালে ওই কমিটির খবর জানাজানি হয়। তবে কমিটির সইয়ের পাতায় কোন তারিখ নেই। এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরকারের কৃষিমন্ত্রীকে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি করেন।
অভিযোগ উঠেছে, নীতিমালা লঙ্ঘন করেও কমিটিতে কাউকে রাখা হয়েছে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম ও টাকা ভাগাভাগির ঘটনায় দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাসানকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে কমিটিতে রাখা হয়েছে। নীতিমালা লঙ্ঘন করে মাসুম হাসানের মতো বিতর্কিত , সমালোচিত ব্যক্তিকে কমিটিতে রাখা হয়। ১৭ জন অধ্যাপক ও ৫৫ জন সহযোগী অধ্যাপকের মধ্যে মাসুম ৪০তম। তিনি ২৫ তম বিসিএসের। তাঁর থেকে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক আছে।
কমিটিতে ড্যাবের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার সর্বশেষ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে রাখা হয়নি।
বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তারা ছাড়া কমিটির সবাই কৃষিমন্ত্রীর অনুসারী।

অভিযোগ উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টার আত্মীয়কে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধি হিসেবে নামের তালিকা প্রেরণ করে। কিন্তু কমিটিতে তাঁর নাম নেই।
কৃষিমন্ত্রীর সই করা কমিটিতে সভাপতি কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সহসভাপতি কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
সদস্য যথাক্রমে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, জেলা সিভিল সার্জন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাসান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, কুমিল্লা পি ডব্লিউডির নির্বাহী প্রকৌশলী, সমাজসেবা বিভাগের উপপরিচালক, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নার্সিং সুপাররিনটেনডেন্ট (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুন নাহার, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্য ও কুমিল্লা জমিন পত্রিকার সম্পাদক শাহাজাদা এমরান, জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আলী আক্কাস, বিএমএ কুমিল্লার সাবেক সভাপতি ডা. ইকবাল আনোয়ার, কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের নামে ফরিদ গ্রুপের পরিচালক পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন মানিক, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্রাকটিশনারস এসোসিয়েশন কুমিল্লার সভাপতি ডা. আবু তাহের মুহিত, কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও সমাজসেবিকা সাকিনা বেগম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম সাইফুল ইসলাম ও নার্সিং কর্মকর্তা ফরহাদ আহাম্মেদ চৌধুরী।

সদস্য সচিব কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক।
কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, তারা কাউকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠাননি।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি হয়েছে। কমিটির সভাপতি কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এতে সই করেন। আজ সোমবার সকালে ওই কমিটির খবর জানাজানি হয়। তবে কমিটির সইয়ের পাতায় কোন তারিখ নেই। এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরকারের কৃষিমন্ত্রীকে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি করেন।
অভিযোগ উঠেছে, নীতিমালা লঙ্ঘন করেও কমিটিতে কাউকে রাখা হয়েছে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম ও টাকা ভাগাভাগির ঘটনায় দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাসানকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে কমিটিতে রাখা হয়েছে। নীতিমালা লঙ্ঘন করে মাসুম হাসানের মতো বিতর্কিত , সমালোচিত ব্যক্তিকে কমিটিতে রাখা হয়। ১৭ জন অধ্যাপক ও ৫৫ জন সহযোগী অধ্যাপকের মধ্যে মাসুম ৪০তম। তিনি ২৫ তম বিসিএসের। তাঁর থেকে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক আছে।
কমিটিতে ড্যাবের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার সর্বশেষ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে রাখা হয়নি।
বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তারা ছাড়া কমিটির সবাই কৃষিমন্ত্রীর অনুসারী।

অভিযোগ উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টার আত্মীয়কে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধি হিসেবে নামের তালিকা প্রেরণ করে। কিন্তু কমিটিতে তাঁর নাম নেই।
কৃষিমন্ত্রীর সই করা কমিটিতে সভাপতি কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সহসভাপতি কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
সদস্য যথাক্রমে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, জেলা সিভিল সার্জন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাসান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, কুমিল্লা পি ডব্লিউডির নির্বাহী প্রকৌশলী, সমাজসেবা বিভাগের উপপরিচালক, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নার্সিং সুপাররিনটেনডেন্ট (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুন নাহার, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্য ও কুমিল্লা জমিন পত্রিকার সম্পাদক শাহাজাদা এমরান, জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আলী আক্কাস, বিএমএ কুমিল্লার সাবেক সভাপতি ডা. ইকবাল আনোয়ার, কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের নামে ফরিদ গ্রুপের পরিচালক পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন মানিক, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্রাকটিশনারস এসোসিয়েশন কুমিল্লার সভাপতি ডা. আবু তাহের মুহিত, কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও সমাজসেবিকা সাকিনা বেগম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম সাইফুল ইসলাম ও নার্সিং কর্মকর্তা ফরহাদ আহাম্মেদ চৌধুরী।

সদস্য সচিব কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক।
কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, তারা কাউকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠাননি।