কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক

কেনাকাটার টাকা ভাগাভাগিতে অভিযুক্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছানকে এবার নীতিমালা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য করা হয়েছে। ২১ সদস্যবিশিষ্ট হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে তাঁর নাম সাত নম্বরে রয়েছে। আজ সোমবার ওই কমিটি জানাজানি হয়। কমিটির নাম যে পাতায় রয়েছে, সেখানে সভাপতির সই থাকলেও কোনো তারিখ নেই। তাই কবে কমিটি দিয়েছে, সেটা জানা যায়নি।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে নীতিমালায় বলা আছে, অধ্যাপক/কনসালটেন্টদের দ্বারা নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হবেন। কিন্তু কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ও কনসালটেন্টের নির্বাচন ছাড়া মাসুম হাছানের নাম কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তাঁর চেয়ে কলেজে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক আছেন ১৭ জন। সহযোগী অধ্যাপক আছেন ২৩ জন। ৪০ জনকে ডিঙিয়ে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ২৫ তম ব্যাচের মাসুমকে কমিটিতে সদস্য করা হয়। এ কলেজে বিএনপি ও ড্যাবপন্থী জ্যেষ্ঠ বহু শিক্ষক আছেন।
এমন বিতর্কিত ও সমালোচিত ব্যক্তিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ড্যাবের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সদস্যরা। তাঁরা বলেছেন, জ্যেষ্ঠতা ডিঙিয়ে এভাবে কমিটি করার নজির নেই। এটি নীতিমালা লঙ্ঘনের শামিল।
জানা গেছে, গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আমার শহরে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে সোয়া দুই কোটি টাকা ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের নেতৃত্বে ভাগাভাগি করা হয় বলে ড্যাবের নেতারা জানিয়েছেন।
ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর ড্যাব কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও কলেজ শাখার কমিটি স্থগিত করে। এ নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। ড্যাবের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান ড্যাবের জেলা কমিটির সভা
পতি হিসেবে কেনাকাটার কাজের ভাগাভাগিতে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মাসুম হাছানের সামনেই রাজসাক্ষী দিয়েছেন মহানগর ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. আরিফ হায়দার। ব্যক্তি মাসুমের অনিয়মের কারণেই কুমিল্লায় ড্যাবের তিনটি শাখার কমিটি স্থগিত রয়েছে। ড্যাব তাঁকে কমিটি স্থগিত করে তিরস্কার করলেও, মন্ত্রী দিলেন পুরস্কার।
ড্যাবের অন্তত পাঁচজন সদস্য জানান, ডা. মাসুমের বিরুদ্ধে সবার আগে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করারও দাবি জানান।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম ও টাকা ভাগাভাগিতে জড়িত থাকায় মাসুমের ড্যাবের জেলা সভাপতির পদও তখন স্থগিত করে কেন্দ্রীয় ড্যাব। এরপর ড্যাব তাঁকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে সাক্ষাৎকার নেয়। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তবর্তী সরকারের সময়ে তদন্ত কমিটি হয়। কমিটি অনিয়মের সত্যতা পায়।
এদিকে গত ২৫ মে দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। ওই সময়ে একজন টেলিভিশন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজকে ওএসডি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান সরকার কোন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবে না।
তবে ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

কেনাকাটার টাকা ভাগাভাগিতে অভিযুক্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছানকে এবার নীতিমালা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য করা হয়েছে। ২১ সদস্যবিশিষ্ট হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে তাঁর নাম সাত নম্বরে রয়েছে। আজ সোমবার ওই কমিটি জানাজানি হয়। কমিটির নাম যে পাতায় রয়েছে, সেখানে সভাপতির সই থাকলেও কোনো তারিখ নেই। তাই কবে কমিটি দিয়েছে, সেটা জানা যায়নি।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে নীতিমালায় বলা আছে, অধ্যাপক/কনসালটেন্টদের দ্বারা নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হবেন। কিন্তু কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ও কনসালটেন্টের নির্বাচন ছাড়া মাসুম হাছানের নাম কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তাঁর চেয়ে কলেজে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক আছেন ১৭ জন। সহযোগী অধ্যাপক আছেন ২৩ জন। ৪০ জনকে ডিঙিয়ে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ২৫ তম ব্যাচের মাসুমকে কমিটিতে সদস্য করা হয়। এ কলেজে বিএনপি ও ড্যাবপন্থী জ্যেষ্ঠ বহু শিক্ষক আছেন।
এমন বিতর্কিত ও সমালোচিত ব্যক্তিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ড্যাবের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সদস্যরা। তাঁরা বলেছেন, জ্যেষ্ঠতা ডিঙিয়ে এভাবে কমিটি করার নজির নেই। এটি নীতিমালা লঙ্ঘনের শামিল।
জানা গেছে, গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আমার শহরে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে সোয়া দুই কোটি টাকা ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের নেতৃত্বে ভাগাভাগি করা হয় বলে ড্যাবের নেতারা জানিয়েছেন।
ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর ড্যাব কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও কলেজ শাখার কমিটি স্থগিত করে। এ নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। ড্যাবের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান ড্যাবের জেলা কমিটির সভা
পতি হিসেবে কেনাকাটার কাজের ভাগাভাগিতে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মাসুম হাছানের সামনেই রাজসাক্ষী দিয়েছেন মহানগর ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. আরিফ হায়দার। ব্যক্তি মাসুমের অনিয়মের কারণেই কুমিল্লায় ড্যাবের তিনটি শাখার কমিটি স্থগিত রয়েছে। ড্যাব তাঁকে কমিটি স্থগিত করে তিরস্কার করলেও, মন্ত্রী দিলেন পুরস্কার।
ড্যাবের অন্তত পাঁচজন সদস্য জানান, ডা. মাসুমের বিরুদ্ধে সবার আগে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করারও দাবি জানান।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম ও টাকা ভাগাভাগিতে জড়িত থাকায় মাসুমের ড্যাবের জেলা সভাপতির পদও তখন স্থগিত করে কেন্দ্রীয় ড্যাব। এরপর ড্যাব তাঁকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে সাক্ষাৎকার নেয়। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তবর্তী সরকারের সময়ে তদন্ত কমিটি হয়। কমিটি অনিয়মের সত্যতা পায়।
এদিকে গত ২৫ মে দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। ওই সময়ে একজন টেলিভিশন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজকে ওএসডি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান সরকার কোন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবে না।
তবে ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।