কুমিল্লা-৬ আসনের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন পরবর্তী হামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা -৬ আসনের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন পরবর্তী হামলা নিয়ে বিএনপির এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে চিঠি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর পরাজিত প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মহানগর জামায়াতের প্যাডে ওই চিঠি দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার সন্ধ্যায় মনিরুল হক চৌধুরী ওই চিঠির জবাব দেন।
চিঠিতে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ উল্লেখ করেন, ‘বরাবর জনাব মনিরুল হক চৌধুরী জাতীয় সংসদ সদস্য, কুমিল্লা- ৬। বিষয়: নির্বাচন পরবর্তী ঘটনা সমূহের বিবরণ ও প্রতিকার প্রসঙ্গে। জনাব,অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় আপনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আধুনিক কুমিল্লা বিনির্মাণে আপনার সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ইচ্ছা আমি ইতোমধ্যেই প্রকাশ করেছি। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের আলোকে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে আমরা ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে চাই। রাজনীতির ময়দানে প্রতিযোগিতা থাকবে প্রতিদ্ধন্ধিতা থাকবে কিন্তু প্রতিহিংসা থাকলে আমরা আবার পিছনে ফিরে যাবো।
কুমিল্লা - ৬ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন পরবর্তী কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে যা আমাদেরকে পুরনো সংস্কৃতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিকারের যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে আপনার প্রতি বিনীত অনুরোধ রইলো।
আজ রোববার সন্ধ্যায় ওই চিঠির জবাব দেন মনিরুল হক চৌধুরী। এতে মনিরুল হক চৌধুরী জবাব দেন। তিনি লেখেন ,‘ প্রিয় ভাই সাহেব,
আস্সালামু আলাইকুম। আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ। চিঠিতে উল্লেখিত অভিযোগ সম্পর্কে ইতিমধ্যেই আপনার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী উত্তেজনার মূল কারণ আমার মনে হয় শান্তি পূর্ণ নির্বাচন চলাকালীন সময়ে কুমিল্লা শহরের বিষ্ণপুর, দক্ষিণ উপজেলার জোড়কানন, সানন্দা, চৌয়ারা ইত্যাদি স্থানে আপনাদের সংশ্লিষ্টদের বিভ্রান্তির অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুচিত হামলা। যাতে বহু নেতা কর্মী নির্দয় প্রহারের শিকার হয়েছে এবং জন-অসšুত্মষ্টি সৃষ্টি হয়েছে। আমার উপরোক্ত মন্তব্যের যথাযথ সত্যতা যাচাই করার জন্যে আমি আপনাকে বিনীত অনুরোধ করছি।
আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই যে ইনশা আল্লাহ যাই ঘটে থাকুক উত্তেজনা প্রশমনের জন্য প্রাসঙ্গিক দায়িত্ব প্রাপ্ত জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন নেতাদের সাথে নিয়ে কার্যকর ইতিমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। ইনশাল্লাহ দেশ ও জাতি ঐক্যবদ্ধ করার প্রশ্নে, এবং গণতন্ত্রকে স্থায়ী রূপ দিতে এবং সর্বোপরি কুমিল্লা কে বসবাস যোগ্য করতে সবাই একসাথে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। ইতি,আপনার বিশ্বস্ত মনিরুল হক চৌধুরী।
জানতে চাইলে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, তিনি (কাজী দ্বীন মোহাম্মদ) আমাকে লিখিত চিঠি দিয়েছেন। আমিও লিখিত জবাব দিয়েছি। সবাই মিলে কুমিল্লাকে এগিয়ে নেব।’

কুমিল্লা -৬ আসনের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন পরবর্তী হামলা নিয়ে বিএনপির এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে চিঠি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর পরাজিত প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মহানগর জামায়াতের প্যাডে ওই চিঠি দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার সন্ধ্যায় মনিরুল হক চৌধুরী ওই চিঠির জবাব দেন।
চিঠিতে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ উল্লেখ করেন, ‘বরাবর জনাব মনিরুল হক চৌধুরী জাতীয় সংসদ সদস্য, কুমিল্লা- ৬। বিষয়: নির্বাচন পরবর্তী ঘটনা সমূহের বিবরণ ও প্রতিকার প্রসঙ্গে। জনাব,অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় আপনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আধুনিক কুমিল্লা বিনির্মাণে আপনার সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ইচ্ছা আমি ইতোমধ্যেই প্রকাশ করেছি। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের আলোকে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে আমরা ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে চাই। রাজনীতির ময়দানে প্রতিযোগিতা থাকবে প্রতিদ্ধন্ধিতা থাকবে কিন্তু প্রতিহিংসা থাকলে আমরা আবার পিছনে ফিরে যাবো।
কুমিল্লা - ৬ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন পরবর্তী কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে যা আমাদেরকে পুরনো সংস্কৃতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিকারের যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে আপনার প্রতি বিনীত অনুরোধ রইলো।
আজ রোববার সন্ধ্যায় ওই চিঠির জবাব দেন মনিরুল হক চৌধুরী। এতে মনিরুল হক চৌধুরী জবাব দেন। তিনি লেখেন ,‘ প্রিয় ভাই সাহেব,
আস্সালামু আলাইকুম। আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ। চিঠিতে উল্লেখিত অভিযোগ সম্পর্কে ইতিমধ্যেই আপনার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী উত্তেজনার মূল কারণ আমার মনে হয় শান্তি পূর্ণ নির্বাচন চলাকালীন সময়ে কুমিল্লা শহরের বিষ্ণপুর, দক্ষিণ উপজেলার জোড়কানন, সানন্দা, চৌয়ারা ইত্যাদি স্থানে আপনাদের সংশ্লিষ্টদের বিভ্রান্তির অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুচিত হামলা। যাতে বহু নেতা কর্মী নির্দয় প্রহারের শিকার হয়েছে এবং জন-অসšুত্মষ্টি সৃষ্টি হয়েছে। আমার উপরোক্ত মন্তব্যের যথাযথ সত্যতা যাচাই করার জন্যে আমি আপনাকে বিনীত অনুরোধ করছি।
আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই যে ইনশা আল্লাহ যাই ঘটে থাকুক উত্তেজনা প্রশমনের জন্য প্রাসঙ্গিক দায়িত্ব প্রাপ্ত জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন নেতাদের সাথে নিয়ে কার্যকর ইতিমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। ইনশাল্লাহ দেশ ও জাতি ঐক্যবদ্ধ করার প্রশ্নে, এবং গণতন্ত্রকে স্থায়ী রূপ দিতে এবং সর্বোপরি কুমিল্লা কে বসবাস যোগ্য করতে সবাই একসাথে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। ইতি,আপনার বিশ্বস্ত মনিরুল হক চৌধুরী।
জানতে চাইলে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, তিনি (কাজী দ্বীন মোহাম্মদ) আমাকে লিখিত চিঠি দিয়েছেন। আমিও লিখিত জবাব দিয়েছি। সবাই মিলে কুমিল্লাকে এগিয়ে নেব।’