নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে প্রস্তুতি সভায় এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রস্তুতি সভার ব্যানারে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৬ সদর আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী।
ওই ব্যানারে অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা বিএনপির চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা ও একই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আমিন উর রশীদ ইয়াছিনের নাম না থাকায় তার সমর্থকরা দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে হৈচৈ শুরু করেন। এ নিয়ে প্রথম দফায় হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ব্যানার সংশোধন করে আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের নাম যুক্ত করে পুনরায় টানানো হলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তবে সভা চলাকালে দুপুর সোয়া ২টার দিকে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও সভায় আমিন উর রশিদ ইয়াছিন উপস্থিত ছিলেন না।
এদিকে, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বক্তব্য দিতে উঠলে হট্টগোল শুরু হয়।
তিনি হট্টগোলের মধ্যেই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করেন। পরবর্তীতে প্রধান অতিথি মনিরুল হক চৌধুরী বক্তব্য দিতে এলে আমিনুর রশীদ ইয়াছিনের সমর্থকরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এতে শিল্পকলা মিলনায়তনে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
এ সময় মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব সভামঞ্চের সামনে এসে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে দিতে মিলনায়তন ত্যাগ করেন। এর আগেও আদর্শ সদর উপজেলার শাহপুর দরবার শরিফে মনিরুল হক চৌধুরীর দোয়া অনুষ্ঠানে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে নেন।
এমন পরিস্থিতিতে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু তার আসন থেকে ওঠে আসে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি বলেন, সবাই বসেন। বিশৃঙ্খলা করবেন না, না হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বলেন, বিএনপি বড় দল।
এতে কিছুটা স্লোগান, পাল্টা স্লোগান হবে এটাই স্বাভাবিক। শিল্পকলায় ভুল বোঝাবুঝির কারণে তেমনই হয়েছে। এটা তেমন বড় কিছু না। তবে যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের সতর্ক করা হবে। আগামীতে যেন কোনো অনুষ্ঠানে এমন আচরণ না করেন।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ বরুড়া আসনের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন তার বক্তব্যে বলেন, দলে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঊর্ধ্বে কেউ নেই। সবাই কর্মী, আমিও তারেক রহমানের একজন কর্মী। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো তারেক রহমান দেশে ফিরলে আমরা কিভাবে সর্বোচ্চসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে তাকে স্বাগত জানাতে পারি। এখানে মনোনয়ন বা নির্বাচনের কোন কিছু নেই। এটি তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি সভা। এখানে আমরা যা করছি, সবই দেখছি।
সভায় আরো বক্তব্য দেনন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের প্রার্থী জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল হুদা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও সাবেরা আলাউদ্দিন, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন, জেলা বিএনপি নেতা মুজাহিদ চৌধুরী, এটিএম মিজানুর রহমান, সারওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন প্রমুখ।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে প্রস্তুতি সভায় এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রস্তুতি সভার ব্যানারে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৬ সদর আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী।
ওই ব্যানারে অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা বিএনপির চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা ও একই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আমিন উর রশীদ ইয়াছিনের নাম না থাকায় তার সমর্থকরা দুপুর ১২টার দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে হৈচৈ শুরু করেন। এ নিয়ে প্রথম দফায় হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ব্যানার সংশোধন করে আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের নাম যুক্ত করে পুনরায় টানানো হলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তবে সভা চলাকালে দুপুর সোয়া ২টার দিকে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও সভায় আমিন উর রশিদ ইয়াছিন উপস্থিত ছিলেন না।
এদিকে, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বক্তব্য দিতে উঠলে হট্টগোল শুরু হয়।
তিনি হট্টগোলের মধ্যেই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করেন। পরবর্তীতে প্রধান অতিথি মনিরুল হক চৌধুরী বক্তব্য দিতে এলে আমিনুর রশীদ ইয়াছিনের সমর্থকরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এতে শিল্পকলা মিলনায়তনে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
এ সময় মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব সভামঞ্চের সামনে এসে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে দিতে মিলনায়তন ত্যাগ করেন। এর আগেও আদর্শ সদর উপজেলার শাহপুর দরবার শরিফে মনিরুল হক চৌধুরীর দোয়া অনুষ্ঠানে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে নেন।
এমন পরিস্থিতিতে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু তার আসন থেকে ওঠে আসে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি বলেন, সবাই বসেন। বিশৃঙ্খলা করবেন না, না হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বলেন, বিএনপি বড় দল।
এতে কিছুটা স্লোগান, পাল্টা স্লোগান হবে এটাই স্বাভাবিক। শিল্পকলায় ভুল বোঝাবুঝির কারণে তেমনই হয়েছে। এটা তেমন বড় কিছু না। তবে যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের সতর্ক করা হবে। আগামীতে যেন কোনো অনুষ্ঠানে এমন আচরণ না করেন।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ বরুড়া আসনের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন তার বক্তব্যে বলেন, দলে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ঊর্ধ্বে কেউ নেই। সবাই কর্মী, আমিও তারেক রহমানের একজন কর্মী। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো তারেক রহমান দেশে ফিরলে আমরা কিভাবে সর্বোচ্চসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে তাকে স্বাগত জানাতে পারি। এখানে মনোনয়ন বা নির্বাচনের কোন কিছু নেই। এটি তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি সভা। এখানে আমরা যা করছি, সবই দেখছি।
সভায় আরো বক্তব্য দেনন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের প্রার্থী জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল হুদা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও সাবেরা আলাউদ্দিন, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন, জেলা বিএনপি নেতা মুজাহিদ চৌধুরী, এটিএম মিজানুর রহমান, সারওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন প্রমুখ।