নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস রেজাউল কাইয়ুমকে আটকের প্রতিবাদে কোতোয়ালি মডেল থানা ঘেরাও করেছেন তাঁর অনুসারী বিএনপির নেতাকর্মী ও পরিবহন শ্রমিকেরা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে কুমিল্লা শহরতলির শাসনগাছা বাস টার্মিনাল অবরোধ করেছেন পরিবহন চালক ও শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
রেজাউল শাসনগাছা বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণ করেন। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। বিএনপির একটি অংশের নেতাকর্মীরা তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হয়ে তাঁকে আটকের পেছনে জড়িত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তাঁরা বলছেন, সরকারের একজন মন্ত্রী ও একজন এমপি নেপথ্যে থেকে তাঁকে আটক করান।
কুমিল্লার শাসনগাছা এলাকার বাসা থেকে আজ রোববার দুপুরে তাঁকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ সদস্যরা। এরপর তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে তাঁর অনুসারীরা থানা ঘেরাও করেন।
দুপুরে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা গিয়ে দেখা গেছে, শতাধিক নেতা-কর্মীরা থানায় ঘেরাও করেছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে পরিবহনশ্রমিক। এ সময় তাঁদের ‘রেজাউল ভাইয়ের কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, ‘জেলের তালা ভাঙব, রেজাউল ভাইকে আনব’, ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থানার প্রধান ফটক আটকে দেওয়া হয়েছে। বাইরে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারকে বাইরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। তবে উত্তেজিত নেতা-কর্মীদের কেউই পুলিশের কথা শুনছেন না। তাঁরা বিএনপি নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে অটল অবস্থায় রয়েছেন।
ওসি বলেন, ‘সিনিয়র অফিসাররা রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে থানায় আনতে বলেছেন। কী কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে, সেটি তাঁরা ভালো বলতে পারবেন।’
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক বলেন, ‘আমরা তাঁকে কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের করার জন্য আটক করেছি।’
রেজাউল কাইয়ুম কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের অনুসারী।

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস রেজাউল কাইয়ুমকে আটকের প্রতিবাদে কোতোয়ালি মডেল থানা ঘেরাও করেছেন তাঁর অনুসারী বিএনপির নেতাকর্মী ও পরিবহন শ্রমিকেরা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে কুমিল্লা শহরতলির শাসনগাছা বাস টার্মিনাল অবরোধ করেছেন পরিবহন চালক ও শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
রেজাউল শাসনগাছা বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণ করেন। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। বিএনপির একটি অংশের নেতাকর্মীরা তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হয়ে তাঁকে আটকের পেছনে জড়িত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তাঁরা বলছেন, সরকারের একজন মন্ত্রী ও একজন এমপি নেপথ্যে থেকে তাঁকে আটক করান।
কুমিল্লার শাসনগাছা এলাকার বাসা থেকে আজ রোববার দুপুরে তাঁকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ সদস্যরা। এরপর তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে তাঁর অনুসারীরা থানা ঘেরাও করেন।
দুপুরে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা গিয়ে দেখা গেছে, শতাধিক নেতা-কর্মীরা থানায় ঘেরাও করেছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে পরিবহনশ্রমিক। এ সময় তাঁদের ‘রেজাউল ভাইয়ের কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, ‘জেলের তালা ভাঙব, রেজাউল ভাইকে আনব’, ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থানার প্রধান ফটক আটকে দেওয়া হয়েছে। বাইরে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারকে বাইরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। তবে উত্তেজিত নেতা-কর্মীদের কেউই পুলিশের কথা শুনছেন না। তাঁরা বিএনপি নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে অটল অবস্থায় রয়েছেন।
ওসি বলেন, ‘সিনিয়র অফিসাররা রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে থানায় আনতে বলেছেন। কী কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে, সেটি তাঁরা ভালো বলতে পারবেন।’
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক বলেন, ‘আমরা তাঁকে কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের করার জন্য আটক করেছি।’
রেজাউল কাইয়ুম কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের অনুসারী।