নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের কোন অনুষ্ঠানেই থাকেন না কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। এতে করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
কুমিল্লাবাসী বিষয়টিকে নেতিবাচক ভাবে দেখছেন। তাঁরা বলছেন, কুমিল্লার উন্নয়নের জন্য মন্ত্রী ও এমপিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগ আমলে মন্ত্রী এমপিদের মধ্যে দূরত্ব থাকায় কুমিল্লা উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছে।
জানা গেছে, গতকাল রোববার বিকেলে ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন করেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে ওই অনুষ্ঠান হয়। ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মনিরুল হক চৌধুরী। কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানে আসেননি।
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বিবির বাজার স্কুল ও কলেজ মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আদর্শ সদর উপজেলা। ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। মনিরুল হক চৌধুরী ওই অনুষ্ঠানে যোগদান করেননি।
কৃষিমন্ত্রীর অন্তত তিনজন অনুসারী জানিয়েছেন, কুমিল্লায় যে সময়ে মন্ত্রীর অনুষ্ঠান থাকে, একই সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যও বিভিন্ন কর্মসূচি দেন। তিনি (সংসদ সদস্য) আলাদাভাবে কর্মসূচি পালন করেন।
এ ব্যাপারে মনিরুল হক চৌধুরী গতকাল নগরের উত্তর চর্থা মনির টাওয়ারে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘কথা ছিল কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে আমি হোস্ট হব। যেহেতু আমি হোস্ট হইনি, তাই যাইনি।’
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কৃষক কার্ড বিতরণের মতো সরকারি প্রোগ্রামে স্থানীয় সংসদ সদস্যের হোস্ট হওয়ার সুযোগ নেই। এগুলো প্রশাসনই আয়োজন করে থাকে।
এছাড়া কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলে এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান ভূঁইয়ার নাম সুপারিশ করেন। অন্যদিকে কৃষিমন্ত্রী তাঁর শ্যালক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের নাম সুপারিশ করেন। মনিরুল হক চৌধুরী এখানেও পিছিয়ে যান কৃষিমন্ত্রীর থেকে। এতেও ক্ষুব্ধ মনিরুল হক চৌধুরী।
উল্লেখ, কুমিল্লা-৬ আসনে দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির রাজনীতি করে আসছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমিন উর রশিদকে বাদ দিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীকে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন দেয়। এ ঘটনায় দুই মাসেরও বেশি সময় আমিন উরের অনুসারীরা বিক্ষোভ করে। পরে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুরোধে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আমিন উর। এরই প্রেক্ষিতে তারেক রহমান তাঁকে সরকারের তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন। বর্তমানে তিনি দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। অন্যদিকে মনিরুল হক চৌধুরী এ আসনে নতুন সংসদ সদস্য। দুই নেতার মধ্যে তলে তলে ক্ষোভ আছে।

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের কোন অনুষ্ঠানেই থাকেন না কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। এতে করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
কুমিল্লাবাসী বিষয়টিকে নেতিবাচক ভাবে দেখছেন। তাঁরা বলছেন, কুমিল্লার উন্নয়নের জন্য মন্ত্রী ও এমপিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগ আমলে মন্ত্রী এমপিদের মধ্যে দূরত্ব থাকায় কুমিল্লা উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছে।
জানা গেছে, গতকাল রোববার বিকেলে ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন করেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে ওই অনুষ্ঠান হয়। ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মনিরুল হক চৌধুরী। কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানে আসেননি।
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বিবির বাজার স্কুল ও কলেজ মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আদর্শ সদর উপজেলা। ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। মনিরুল হক চৌধুরী ওই অনুষ্ঠানে যোগদান করেননি।
কৃষিমন্ত্রীর অন্তত তিনজন অনুসারী জানিয়েছেন, কুমিল্লায় যে সময়ে মন্ত্রীর অনুষ্ঠান থাকে, একই সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যও বিভিন্ন কর্মসূচি দেন। তিনি (সংসদ সদস্য) আলাদাভাবে কর্মসূচি পালন করেন।
এ ব্যাপারে মনিরুল হক চৌধুরী গতকাল নগরের উত্তর চর্থা মনির টাওয়ারে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘কথা ছিল কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে আমি হোস্ট হব। যেহেতু আমি হোস্ট হইনি, তাই যাইনি।’
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কৃষক কার্ড বিতরণের মতো সরকারি প্রোগ্রামে স্থানীয় সংসদ সদস্যের হোস্ট হওয়ার সুযোগ নেই। এগুলো প্রশাসনই আয়োজন করে থাকে।
এছাড়া কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলে এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান ভূঁইয়ার নাম সুপারিশ করেন। অন্যদিকে কৃষিমন্ত্রী তাঁর শ্যালক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের নাম সুপারিশ করেন। মনিরুল হক চৌধুরী এখানেও পিছিয়ে যান কৃষিমন্ত্রীর থেকে। এতেও ক্ষুব্ধ মনিরুল হক চৌধুরী।
উল্লেখ, কুমিল্লা-৬ আসনে দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির রাজনীতি করে আসছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমিন উর রশিদকে বাদ দিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীকে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন দেয়। এ ঘটনায় দুই মাসেরও বেশি সময় আমিন উরের অনুসারীরা বিক্ষোভ করে। পরে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুরোধে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আমিন উর। এরই প্রেক্ষিতে তারেক রহমান তাঁকে সরকারের তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন। বর্তমানে তিনি দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। অন্যদিকে মনিরুল হক চৌধুরী এ আসনে নতুন সংসদ সদস্য। দুই নেতার মধ্যে তলে তলে ক্ষোভ আছে।