তদন্তে মেলেনি কোনো অভিযোগ: ওসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যরাতে থানা থেকে ছাড়া পেলেন কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম। গতকাল রোববার রাত ১২ টার দিকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। তবে জিজ্ঞাসাবাদে মেলেনি কোনো তথ্য। রেজাউল ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে শাসনগাছা বাস টার্মিনাল এলাকায় চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে তাঁকে কুমিল্লা শহরতলির শাসনগাছা নিজ বাড়ি থেকে গতকাল দুপুরে তুলে এনে থানায় আটক করে পুলিশ।
জানতে চাইলে রেজাউল কাইয়ুম আজ দুপুরে আমার শহরকে বলেন, আমাকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। এরপর শাসনগাছা বাস টার্মিনালের চাঁদা আদায়সহ নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আমি পুলিশকে বলেছি, আমাকে থানায় বসিয়ে রেখে অভিযোগগুলোর তদন্ত করা হোক। তদন্তে দোষী হলে গ্রেপ্তার দেখান। অন্যথায় আমাকে ছেড়ে দেন। পুলিশ প্রাপ্ত তথ্য যাচাই ও অভিযোগ তদন্ত করে কোনো কিছু পায় নি।
এর আগে গতকাল রাতে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে ছাড়া পেয়ে রেজাউল কাইয়ুম দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে একটি মহল বড় ধরনের ষড়যন্ত্র করেছে। সবাইকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আমাকে নিয়ে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র হয়েছিল; অবশেষে সেটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ভিত্তিহীন অভিযোগে আমাকে আটক করা হয়েছিল। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়, তার বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই। আমি আমাদের নেতা-কর্মীরসহ সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। দিনভর আমার জন্য যাঁরা কষ্ট করেছেন, সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, রেজাউল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে শাসনগাছা বাস টার্মিনালকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি-সংক্রান্ত কিছু অভিযোগ আসে উচ্চপর্যায়ে। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে তাঁকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং যাচাই-বাছাইয়ে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ জন্য রাতে আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হানসহ অন্য নেতাদের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মধ্যরাতে থানা থেকে ছাড়া পেলেন কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম। গতকাল রোববার রাত ১২ টার দিকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। তবে জিজ্ঞাসাবাদে মেলেনি কোনো তথ্য। রেজাউল ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে শাসনগাছা বাস টার্মিনাল এলাকায় চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে তাঁকে কুমিল্লা শহরতলির শাসনগাছা নিজ বাড়ি থেকে গতকাল দুপুরে তুলে এনে থানায় আটক করে পুলিশ।
জানতে চাইলে রেজাউল কাইয়ুম আজ দুপুরে আমার শহরকে বলেন, আমাকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। এরপর শাসনগাছা বাস টার্মিনালের চাঁদা আদায়সহ নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আমি পুলিশকে বলেছি, আমাকে থানায় বসিয়ে রেখে অভিযোগগুলোর তদন্ত করা হোক। তদন্তে দোষী হলে গ্রেপ্তার দেখান। অন্যথায় আমাকে ছেড়ে দেন। পুলিশ প্রাপ্ত তথ্য যাচাই ও অভিযোগ তদন্ত করে কোনো কিছু পায় নি।
এর আগে গতকাল রাতে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে ছাড়া পেয়ে রেজাউল কাইয়ুম দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে একটি মহল বড় ধরনের ষড়যন্ত্র করেছে। সবাইকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আমাকে নিয়ে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র হয়েছিল; অবশেষে সেটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ভিত্তিহীন অভিযোগে আমাকে আটক করা হয়েছিল। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়, তার বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই। আমি আমাদের নেতা-কর্মীরসহ সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। দিনভর আমার জন্য যাঁরা কষ্ট করেছেন, সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, রেজাউল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে শাসনগাছা বাস টার্মিনালকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি-সংক্রান্ত কিছু অভিযোগ আসে উচ্চপর্যায়ে। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে তাঁকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং যাচাই-বাছাইয়ে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ জন্য রাতে আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হানসহ অন্য নেতাদের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।