• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> দেবীদ্বার

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত সাব্বির হত্যা মামলায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, দেবীদ্বার
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৩: ১৩
logo

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত সাব্বির হত্যা মামলায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, দেবীদ্বার

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৩: ১৩
Photo

দেবীদ্বারে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত আমিনুল ইসলাম সাব্বির হত্যা মামলায় গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুকবল হোসেন মুকুলকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার সকাল ১০ টায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মুকবল হোসেন মুকুল (৪৫) উপজেলার গুনাইঘর গ্রামের প্রয়াত ইসমাইল হোসেন সরকারের ছেলে। দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ছিলেন। তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-গণআন্দোলনে অভ্যুত্থানের পর থেকে পলাতক ছিলেন। এরপর গতকাল এলাকায় ফিরে আসেন। কুমিল্লার দেবীদ্বারে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত আমিনুল ইসলাম সাব্বির হত্যা মামলার এজহার নামীয় আসামী।

উল্লেখ, গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে দেবীদ্বার উপজেলা সদরের নিউ মার্কেট এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। এতে সাব্বিরও যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদেরকে লক্ষ্য করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালান।

এতে সাব্বিরের মাথায় দুটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান দীর্ঘ ৩৫ দিন চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে তাঁকে কুমিল্লার দেবীদ্বার পৌর এলাকার দক্ষিন ভিংলাবাড়ি গ্রামে নানাবাড়িতে আনা হয়। বাড়ি আসার তিন দিন পর শরীরে ব্যথার কথা বলেন সাব্বির। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান তিনি। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৩৯ দিন পর সাব্বির (১৯) নানার বাড়িতে মৃত্যু হয়।

সাব্বিরের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের প্রয়াত আলমগীর হোসেনের ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর মায়ের সঙ্গে ছোট্ট দুই ভাইবোন নিয়ে থাকতেন দেবীদ্বার পৌর দক্ষিণ ভিংলাবাড়ি এলাকায় নানার বাড়িতে। পাশের মরিচাকান্দা জিয়া স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন সাব্বির। পাশাপাশি সংসারের খরচ জোগাতে চালাতেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা।

সাব্বিরের মা রিনা আক্তার বলেন, ‘আজ থেকে চার বছর আগে সাব্বিরের বাবার মৃত্যু হয়। এরপর থেকে সাব্বির পড়ালেখার পাশাপাশি সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাতো। সরকার পতনের দাবিতে প্রতিদিনই সে আন্দোলনে যেত। কোনোভাবেই তাকে ঘরে আটকে রাখতে পারিনি। আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।’

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সাব্বিরকে হত্যাচেষ্টায় ৯৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে আসামি করে ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলা করেন তার মামা নাজমুল হক। ওই মামলাটি পরবর্তীতে হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া মুকবল হোসেন মুকুল চেয়ারম্যান সাব্বির, রুবেল হত্যা ও আবুবকর হত্যার চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা সবক’টি মামলার এজহারভ‚ক্ত আসামী।

Thumbnail image

দেবীদ্বারে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত আমিনুল ইসলাম সাব্বির হত্যা মামলায় গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুকবল হোসেন মুকুলকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার সকাল ১০ টায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মুকবল হোসেন মুকুল (৪৫) উপজেলার গুনাইঘর গ্রামের প্রয়াত ইসমাইল হোসেন সরকারের ছেলে। দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ছিলেন। তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-গণআন্দোলনে অভ্যুত্থানের পর থেকে পলাতক ছিলেন। এরপর গতকাল এলাকায় ফিরে আসেন। কুমিল্লার দেবীদ্বারে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত আমিনুল ইসলাম সাব্বির হত্যা মামলার এজহার নামীয় আসামী।

উল্লেখ, গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে দেবীদ্বার উপজেলা সদরের নিউ মার্কেট এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। এতে সাব্বিরও যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদেরকে লক্ষ্য করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালান।

এতে সাব্বিরের মাথায় দুটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান দীর্ঘ ৩৫ দিন চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে তাঁকে কুমিল্লার দেবীদ্বার পৌর এলাকার দক্ষিন ভিংলাবাড়ি গ্রামে নানাবাড়িতে আনা হয়। বাড়ি আসার তিন দিন পর শরীরে ব্যথার কথা বলেন সাব্বির। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান তিনি। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৩৯ দিন পর সাব্বির (১৯) নানার বাড়িতে মৃত্যু হয়।

সাব্বিরের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের প্রয়াত আলমগীর হোসেনের ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর মায়ের সঙ্গে ছোট্ট দুই ভাইবোন নিয়ে থাকতেন দেবীদ্বার পৌর দক্ষিণ ভিংলাবাড়ি এলাকায় নানার বাড়িতে। পাশের মরিচাকান্দা জিয়া স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন সাব্বির। পাশাপাশি সংসারের খরচ জোগাতে চালাতেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা।

সাব্বিরের মা রিনা আক্তার বলেন, ‘আজ থেকে চার বছর আগে সাব্বিরের বাবার মৃত্যু হয়। এরপর থেকে সাব্বির পড়ালেখার পাশাপাশি সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাতো। সরকার পতনের দাবিতে প্রতিদিনই সে আন্দোলনে যেত। কোনোভাবেই তাকে ঘরে আটকে রাখতে পারিনি। আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।’

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সাব্বিরকে হত্যাচেষ্টায় ৯৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে আসামি করে ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলা করেন তার মামা নাজমুল হক। ওই মামলাটি পরবর্তীতে হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া মুকবল হোসেন মুকুল চেয়ারম্যান সাব্বির, রুবেল হত্যা ও আবুবকর হত্যার চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা সবক’টি মামলার এজহারভ‚ক্ত আসামী।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশক্তির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন

২

কাস্টমসেই চাকরি চান উর্মি হীরা

৩

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত সাব্বির হত্যা মামলায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার

৪

মধ্যরাতে থানা থেকে ছাড়া পেলেন আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল

৫

কুমিল্লায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

সম্পর্কিত

কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশক্তির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন

কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশক্তির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন

২ ঘণ্টা আগে
কাস্টমসেই চাকরি চান উর্মি হীরা

কাস্টমসেই চাকরি চান উর্মি হীরা

৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যরাতে থানা থেকে ছাড়া পেলেন আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল

মধ্যরাতে থানা থেকে ছাড়া পেলেন আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল

৩ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

কুমিল্লায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

১৮ ঘণ্টা আগে