কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সরকারি মহিল কলেজে ৬৯ দিন যাবৎ অধ্যক্ষ নেই। অধ্যক্ষ না থাকার কারণে কলেজের সার্বিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। চলমান এইচএসসি পরীক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হয়। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দ্রুত অধ্যক্ষ পদায়নের দাবি জানিয়েছেন কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
এদিকে আজ শনিবার বিকেল দুইটায় কলেজে যাচ্ছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তাঁর কাছে কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরবেন শিক্ষকেরা।
১৯৬০ সালে কুমিল্লা মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর এটি জাতীয়করণ করা হয়। কুমিল্লা জেলার প্রথম নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি।
শর্ত লঙ্ঘন করে শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. মনিরুল ইসলামকে গত ৭ মে বদলি করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ এর উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়। মনিরুলকে তাঁর নিজ এলাকা নোয়াখালী সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ পদে বদলি করা হয়। এরপর তিনি ১০ মে কলেজ থেকে অবমুক্ত হন। ১০ মে থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত কলেজে অধ্যক্ষ নেই।
গত সোমবার কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এ সময় কলেজ এলাকায় কোমর পানি ছিল। তখন এইচএসসি পরীক্ষার্থী কয়েকজন পানিতে পড়ে যায়। এ নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। কলেজে অধ্যক্ষ না থাকার কারণে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা কমিটি বিষয়টি সামলাতে পারেনি। যে কারণে শিক্ষামন্ত্রী পর্যন্ত সারাদেশে বিতর্কিত হন।
কলেজের বর্তমান উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম জহিরুল আলম। তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকলেও তাঁর ছেলে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ায় তিনি পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় সরাসরি জড়িত নেই। দুইদিন পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন। এ অবস্থায় দ্রুত অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়ার দাবি শিক্ষক শিক্ষার্থীদের।

কুমিল্লা সরকারি মহিল কলেজে ৬৯ দিন যাবৎ অধ্যক্ষ নেই। অধ্যক্ষ না থাকার কারণে কলেজের সার্বিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। চলমান এইচএসসি পরীক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হয়। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দ্রুত অধ্যক্ষ পদায়নের দাবি জানিয়েছেন কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
এদিকে আজ শনিবার বিকেল দুইটায় কলেজে যাচ্ছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তাঁর কাছে কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরবেন শিক্ষকেরা।
১৯৬০ সালে কুমিল্লা মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর এটি জাতীয়করণ করা হয়। কুমিল্লা জেলার প্রথম নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি।
শর্ত লঙ্ঘন করে শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. মনিরুল ইসলামকে গত ৭ মে বদলি করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ এর উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়। মনিরুলকে তাঁর নিজ এলাকা নোয়াখালী সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ পদে বদলি করা হয়। এরপর তিনি ১০ মে কলেজ থেকে অবমুক্ত হন। ১০ মে থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত কলেজে অধ্যক্ষ নেই।
গত সোমবার কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এ সময় কলেজ এলাকায় কোমর পানি ছিল। তখন এইচএসসি পরীক্ষার্থী কয়েকজন পানিতে পড়ে যায়। এ নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। কলেজে অধ্যক্ষ না থাকার কারণে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা কমিটি বিষয়টি সামলাতে পারেনি। যে কারণে শিক্ষামন্ত্রী পর্যন্ত সারাদেশে বিতর্কিত হন।
কলেজের বর্তমান উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম জহিরুল আলম। তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকলেও তাঁর ছেলে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ায় তিনি পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় সরাসরি জড়িত নেই। দুইদিন পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন। এ অবস্থায় দ্রুত অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়ার দাবি শিক্ষক শিক্ষার্থীদের।