নিজস্ব প্রতিবেদক

মাদক কারবারিদের ধাওয়া করেছেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসীম উদ্দিন। এ সময় এমপির ধাওয়ায় একটি মোটরসাইকেল ফেলে মাদককারবারিরা পালিয়ে যান । সংসদ সদস্য লুঙ্গি পরেই তাঁদের ধাওয়া দিয়েছেন ।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী আশাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণপাড়ার আশাবাড়ি এলাকায় সড়কের ওপর প্রকাশ্যে মাদকের কারবার চলে। স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে তাতে মাদককারবারিরা তাদের ওপর চড়াও হন। এতে ভয়ে আর মুখ খোলেন না কেউ। গতকাল দুপুরেও মাদক কেনাবেচা চলছিল। স্থানীয়দের মাধ্যমে গোপনে মাদক কারবারিদের জমায়েত হওয়ার খবর পান এমপি জসীম। পরে তিনি তার ব্যক্তিগত রয়েল এনফিল্ড বাইক নিয়ে তার সঙ্গে এক সহকারীকে নিয়ে আশাবাড়ি এলাকায় ছুটে যান লুঙ্গি পরেই।
এ সময় আশাবাড়ি সড়কের ওপর ৭-৮টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মাদক কারবারিদের জমায়েত দেখতে পান সংসদ সদস্য। পরে তাদের ধাওয়া দিলে হুমড়ি খেয়ে পালিয়ে যান তারা। ধাওয়া খেয়ে পালাতে গিয়ে একটি মোটরসাইকেল ফেলে রেখে যান মাদক কারবারিরা। পরে পুলিশকে ফোন করেন সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে সেই মোটরসাইকেলটি হস্তান্তর করেন সংসদ সদস্য। পুলিশ মোটরসাইকেল নিয়ে আসে থানায়। একইসঙ্গে এসময় আশাবাড়ি সড়কে সন্দেহজনক ঘুরাফেরা করায় নবীনগর উপজেলা থেকে আসা দুই যুবককে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংসদ সদস্য। এ দুই যুবকের সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেল এবং দুই যুববকেও পুলিশকে বুঝিয়ে দেন সংসদ সদস্য। পরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই দুই যুবককে ছেড়ে দেয়।
সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি আশাবাড়ির অদূরে বাগড়া গ্রামে। একই ইউনিয়নে গ্রাম দুইটি, কাছাকাছিও।
জসীম উদ্দিন বলেন , আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম এবং প্রধান ওয়াদা ছিল আমার এলাকাকে মাদকমুক্ত করা। আমার নির্বাচনী এলাকাটি বর্ডার বেইসড হওয়ায় এখানে মাদকের ভয়াবহতা অনেক বেশি। তারই অংশ হিসেবে আমি বেশকিছু এলাকায় রাতবিরাতেও মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছি। আমার এলাকায় হয় মাদক কারবারিরা থাকবে, নতুবা আমি। মাদকের বিরুদ্ধে আমার জিহাদ চলবেই।
এমপি জসীম উদ্দিন বলেন, আমি এমপি,আমার এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও খাওয়া হবে, তা মানতে পারি না। তাই মাদকের বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবে। আমার দেখাদেখি আরও কয়েকটি সংসদীয় আসনে মাদকের বিরুদ্ধে এমপি মন্ত্রীরা কাজ করছেন। এভাবেই দেশ মাদকমুক্ত হবে।
লুঙ্গি পরেই সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিন মাদক বিরোধী অভিযানে নামেন। এর আগেও তিনি লুঙ্গি পরে এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান করেন। এলাকায় এলে সংসদ সদস্য বেশির ভাগ সময় সাদা সুতির লুঙ্গি পরে গ্রামের মানুষের সঙ্গে মিশে যান।

মাদক কারবারিদের ধাওয়া করেছেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসীম উদ্দিন। এ সময় এমপির ধাওয়ায় একটি মোটরসাইকেল ফেলে মাদককারবারিরা পালিয়ে যান । সংসদ সদস্য লুঙ্গি পরেই তাঁদের ধাওয়া দিয়েছেন ।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী আশাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণপাড়ার আশাবাড়ি এলাকায় সড়কের ওপর প্রকাশ্যে মাদকের কারবার চলে। স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে তাতে মাদককারবারিরা তাদের ওপর চড়াও হন। এতে ভয়ে আর মুখ খোলেন না কেউ। গতকাল দুপুরেও মাদক কেনাবেচা চলছিল। স্থানীয়দের মাধ্যমে গোপনে মাদক কারবারিদের জমায়েত হওয়ার খবর পান এমপি জসীম। পরে তিনি তার ব্যক্তিগত রয়েল এনফিল্ড বাইক নিয়ে তার সঙ্গে এক সহকারীকে নিয়ে আশাবাড়ি এলাকায় ছুটে যান লুঙ্গি পরেই।
এ সময় আশাবাড়ি সড়কের ওপর ৭-৮টি মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মাদক কারবারিদের জমায়েত দেখতে পান সংসদ সদস্য। পরে তাদের ধাওয়া দিলে হুমড়ি খেয়ে পালিয়ে যান তারা। ধাওয়া খেয়ে পালাতে গিয়ে একটি মোটরসাইকেল ফেলে রেখে যান মাদক কারবারিরা। পরে পুলিশকে ফোন করেন সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে সেই মোটরসাইকেলটি হস্তান্তর করেন সংসদ সদস্য। পুলিশ মোটরসাইকেল নিয়ে আসে থানায়। একইসঙ্গে এসময় আশাবাড়ি সড়কে সন্দেহজনক ঘুরাফেরা করায় নবীনগর উপজেলা থেকে আসা দুই যুবককে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংসদ সদস্য। এ দুই যুবকের সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেল এবং দুই যুববকেও পুলিশকে বুঝিয়ে দেন সংসদ সদস্য। পরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই দুই যুবককে ছেড়ে দেয়।
সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি আশাবাড়ির অদূরে বাগড়া গ্রামে। একই ইউনিয়নে গ্রাম দুইটি, কাছাকাছিও।
জসীম উদ্দিন বলেন , আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম এবং প্রধান ওয়াদা ছিল আমার এলাকাকে মাদকমুক্ত করা। আমার নির্বাচনী এলাকাটি বর্ডার বেইসড হওয়ায় এখানে মাদকের ভয়াবহতা অনেক বেশি। তারই অংশ হিসেবে আমি বেশকিছু এলাকায় রাতবিরাতেও মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছি। আমার এলাকায় হয় মাদক কারবারিরা থাকবে, নতুবা আমি। মাদকের বিরুদ্ধে আমার জিহাদ চলবেই।
এমপি জসীম উদ্দিন বলেন, আমি এমপি,আমার এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও খাওয়া হবে, তা মানতে পারি না। তাই মাদকের বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবে। আমার দেখাদেখি আরও কয়েকটি সংসদীয় আসনে মাদকের বিরুদ্ধে এমপি মন্ত্রীরা কাজ করছেন। এভাবেই দেশ মাদকমুক্ত হবে।
লুঙ্গি পরেই সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিন মাদক বিরোধী অভিযানে নামেন। এর আগেও তিনি লুঙ্গি পরে এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান করেন। এলাকায় এলে সংসদ সদস্য বেশির ভাগ সময় সাদা সুতির লুঙ্গি পরে গ্রামের মানুষের সঙ্গে মিশে যান।