নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার ধর্মসাগর পাড়ে বেড়াতে গিয়ে বখাটেদের হামলার শিকার হন এক পুলিশ কনস্টেবল। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে মূল ঘাতকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার ২ বিকেল পাঁচটার দিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় কর্মরত নারী কনস্টেবল জাকিয়া সুলতানা এবং তাঁর স্বামী চাঁদপুর জেলা পুলিশে কর্মরত কনস্টেবল কাজী আব্দুল্লাহ মো. জোবায়ের ব্যক্তিগত সময়ে ধর্মসাগর পাড়ে ঘুরতে যান। এ সময় সেখানে অবস্থানরত তিন যুবক নারী কনস্টেবল জাকিয়া সুলতানাকে লক্ষ্য করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। বিষয়টির প্রতিবাদ করলে কনস্টেবল জোবায়েরের ওপর চড়াও হন তাঁরা। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে গুরুতর জখম করে এবং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার বিষয়টি কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নজরে আসামাত্র তিনি জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের নির্দেশনা দেন।
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। এরপর টানা অভিযানে নগরের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নগরের কালিয়াজুড়ি মুন্সেফ কোয়ার্টার এলাকার মো. রিফাত (১৯) এবং আদর্শ সদর উপজেলার ভুবনঘর গ্রামের মো. সিয়াম (২০)।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, কুমিল্লার কোনো স্থানেই কিশোর গ্যাং বা বখাটেদের অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে অপরাধী যেই হোক, তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

কুমিল্লার ধর্মসাগর পাড়ে বেড়াতে গিয়ে বখাটেদের হামলার শিকার হন এক পুলিশ কনস্টেবল। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে মূল ঘাতকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার ২ বিকেল পাঁচটার দিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় কর্মরত নারী কনস্টেবল জাকিয়া সুলতানা এবং তাঁর স্বামী চাঁদপুর জেলা পুলিশে কর্মরত কনস্টেবল কাজী আব্দুল্লাহ মো. জোবায়ের ব্যক্তিগত সময়ে ধর্মসাগর পাড়ে ঘুরতে যান। এ সময় সেখানে অবস্থানরত তিন যুবক নারী কনস্টেবল জাকিয়া সুলতানাকে লক্ষ্য করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। বিষয়টির প্রতিবাদ করলে কনস্টেবল জোবায়েরের ওপর চড়াও হন তাঁরা। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে গুরুতর জখম করে এবং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার বিষয়টি কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নজরে আসামাত্র তিনি জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের নির্দেশনা দেন।
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। এরপর টানা অভিযানে নগরের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নগরের কালিয়াজুড়ি মুন্সেফ কোয়ার্টার এলাকার মো. রিফাত (১৯) এবং আদর্শ সদর উপজেলার ভুবনঘর গ্রামের মো. সিয়াম (২০)।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, কুমিল্লার কোনো স্থানেই কিশোর গ্যাং বা বখাটেদের অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে অপরাধী যেই হোক, তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।