• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> আদর্শ সদর

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ

শিক্ষকদের বদলির আদেশ মানি না মানব না

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ২২: ৪১
logo

শিক্ষকদের বদলির আদেশ মানি না মানব না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ২২: ৪১
Photo

জলাবদ্ধতার কারণে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষককে একযোগে বদলির ঘটনায় বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রীরা। আজ শনিবার সকালে ছুটির দিনে ছাত্রীরা কলেজে অবস্থান নেয়। এরপর তাঁরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এই খবর পেয়ে বদলি হওয়া সাত শিক্ষকের একজন ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীন কলেজে যান। তিনি আন্দোলনরত ছাত্রীদের কর্মসূচি স্থগিত করে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। ছাত্রীরা তাঁর কথায় সাড়া না দিয়ে বিক্ষোভ করেন। একই সঙ্গে স্লোগান দিতে থাকেন। তখন ওই শিক্ষক ছাত্রীদের ব্যানার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে তাঁরা ‘শিক্ষকদের বদলি নয়, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে হবে’, ‘উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে, চলবে না চলবে না’, ‘শিক্ষকদের বদলি কেন, মাউশি জবাব চাই’, ‘শিক্ষকদের বদলির আদেশ, মানি না মানব না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

তখন বদলি হওয়া শিক্ষক মোহাম্মদ মহসীন করজোড়ে শিক্ষার্থীদের বললেন, ‘আন্দোলন করে আমার চাকরিটা খাইও না। তোমরা বাড়ি ফিরে যাও। আমি সরকারি চাকরি করি। সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তোমাদের কোনো বিক্ষোভ করার দরকার নেই।’

এক পর্যায়ে ওই শিক্ষক আন্দোলনরত ছাত্রীদের সরাতে না পেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে ছাত্রীরা আন্দোলন স্থগিত করে ছাত্রীনিবাস ও বাসায় ফিরে যান।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপসচিব মো. আ. কুদদুস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষককে বদলি করা হয়। আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সাত শিক্ষককে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে।

এর মধ্যে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ এ কে এম জহিরুল আলমকে চৌদ্দগ্রামের চিওড়া সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মালেককে কক্সবাজার সরকারি কলেজ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কনক বড়ুয়াকে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ উল্লাহ মজুমদারকে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ নূর উল্লাহকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজ, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আল-আমিনকে সিলেটের বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে ও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীনকে বরগুনা সরকারি কলেজে বদলি করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ বেলা ১১ টায় কলেজের ছাত্রীরা আন্দোলন করে।

একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মোহাম্মদ মহসীন। করজোড়ে তিনি ছাত্রীদের বলতে থাকেন, ‘সরকারি চাকরি করি। আমার বদলি হইছে। তোমরা আন্দোলন করে আমার চাকরিটা খাইও না। আমি পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরব। তোমরা আমার সাথে আসো। আমার চাকরিটা থাকবে না।’

শিক্ষকের এমন কথায় কর্মসূচিতে থাকা ছাত্রীরা চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। ছাত্রীরা তখন শিক্ষককে বলতে থাকেন, তিনি তাঁদের বাবার মতো। তাঁদের আন্দোলনের কারণে তাঁর চাকরির সমস্যা হলে, তাঁরা থেমে থাকবেন না।

১৩ জুলাই জলাবদ্ধতার মধ্যে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছিল কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের প্রায় এক হাজার এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে। এ ঘটনার ১০ দিনের মাথায় ২৩ জুলাই কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষককে বদলি করা হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছাত্রী তাফসিলা আজমির বলেন, ‘সেদিন জলাবদ্ধতা শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজেই হয়নি, সারা শহরই পানিতে তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতা নিরসন করা শিক্ষকদের দায়িত্ব নয়, এটি সিটি করপোরেশনের কাজ। আমাদের কলেজের পাশেই কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, তারা কি সেদিন জলাবদ্ধতা দেখেনি? তাহলে যারা জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে কেন আমাদের সাত মেধাবী শিক্ষককে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে?’

প্রসঙ্গত, কুমিল্লা নগরে জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। বছরের পর বছর ধরে একটু বৃষ্টি হলেই নগরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলে। ১৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় কুমিল্লা নগরে ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। এই অতি ভারী বৃষ্টিতে পুরো কুমিল্লা নগর অচল হয়ে পড়ে। প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি তলিয়ে যায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে।

এর মধ্যে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ধর্মপুরের ডিগ্রি শাখা, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্র এলাকায় পরিস্থিতি ছিল সবচেয়ে নাজুক। ওই দিন সকালে পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক শিক্ষার্থীকে ভেজা কাপড়েই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়েছে এবং ওই অবস্থাতেই তিন ঘণ্টা পরীক্ষা দিতে হয়েছে। এ নিয়ে সমালোচনা হয়।

Thumbnail image

জলাবদ্ধতার কারণে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষককে একযোগে বদলির ঘটনায় বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রীরা। আজ শনিবার সকালে ছুটির দিনে ছাত্রীরা কলেজে অবস্থান নেয়। এরপর তাঁরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এই খবর পেয়ে বদলি হওয়া সাত শিক্ষকের একজন ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীন কলেজে যান। তিনি আন্দোলনরত ছাত্রীদের কর্মসূচি স্থগিত করে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। ছাত্রীরা তাঁর কথায় সাড়া না দিয়ে বিক্ষোভ করেন। একই সঙ্গে স্লোগান দিতে থাকেন। তখন ওই শিক্ষক ছাত্রীদের ব্যানার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে তাঁরা ‘শিক্ষকদের বদলি নয়, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে হবে’, ‘উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে, চলবে না চলবে না’, ‘শিক্ষকদের বদলি কেন, মাউশি জবাব চাই’, ‘শিক্ষকদের বদলির আদেশ, মানি না মানব না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

তখন বদলি হওয়া শিক্ষক মোহাম্মদ মহসীন করজোড়ে শিক্ষার্থীদের বললেন, ‘আন্দোলন করে আমার চাকরিটা খাইও না। তোমরা বাড়ি ফিরে যাও। আমি সরকারি চাকরি করি। সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তোমাদের কোনো বিক্ষোভ করার দরকার নেই।’

এক পর্যায়ে ওই শিক্ষক আন্দোলনরত ছাত্রীদের সরাতে না পেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে ছাত্রীরা আন্দোলন স্থগিত করে ছাত্রীনিবাস ও বাসায় ফিরে যান।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপসচিব মো. আ. কুদদুস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষককে বদলি করা হয়। আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সাত শিক্ষককে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে।

এর মধ্যে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ এ কে এম জহিরুল আলমকে চৌদ্দগ্রামের চিওড়া সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মালেককে কক্সবাজার সরকারি কলেজ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কনক বড়ুয়াকে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ উল্লাহ মজুমদারকে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ নূর উল্লাহকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজ, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আল-আমিনকে সিলেটের বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে ও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীনকে বরগুনা সরকারি কলেজে বদলি করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ বেলা ১১ টায় কলেজের ছাত্রীরা আন্দোলন করে।

একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মোহাম্মদ মহসীন। করজোড়ে তিনি ছাত্রীদের বলতে থাকেন, ‘সরকারি চাকরি করি। আমার বদলি হইছে। তোমরা আন্দোলন করে আমার চাকরিটা খাইও না। আমি পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরব। তোমরা আমার সাথে আসো। আমার চাকরিটা থাকবে না।’

শিক্ষকের এমন কথায় কর্মসূচিতে থাকা ছাত্রীরা চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। ছাত্রীরা তখন শিক্ষককে বলতে থাকেন, তিনি তাঁদের বাবার মতো। তাঁদের আন্দোলনের কারণে তাঁর চাকরির সমস্যা হলে, তাঁরা থেমে থাকবেন না।

১৩ জুলাই জলাবদ্ধতার মধ্যে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছিল কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের প্রায় এক হাজার এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে। এ ঘটনার ১০ দিনের মাথায় ২৩ জুলাই কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষককে বদলি করা হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছাত্রী তাফসিলা আজমির বলেন, ‘সেদিন জলাবদ্ধতা শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজেই হয়নি, সারা শহরই পানিতে তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতা নিরসন করা শিক্ষকদের দায়িত্ব নয়, এটি সিটি করপোরেশনের কাজ। আমাদের কলেজের পাশেই কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, তারা কি সেদিন জলাবদ্ধতা দেখেনি? তাহলে যারা জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে কেন আমাদের সাত মেধাবী শিক্ষককে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে?’

প্রসঙ্গত, কুমিল্লা নগরে জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। বছরের পর বছর ধরে একটু বৃষ্টি হলেই নগরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলে। ১৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় কুমিল্লা নগরে ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। এই অতি ভারী বৃষ্টিতে পুরো কুমিল্লা নগর অচল হয়ে পড়ে। প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি তলিয়ে যায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে।

এর মধ্যে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ধর্মপুরের ডিগ্রি শাখা, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্র এলাকায় পরিস্থিতি ছিল সবচেয়ে নাজুক। ওই দিন সকালে পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক শিক্ষার্থীকে ভেজা কাপড়েই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়েছে এবং ওই অবস্থাতেই তিন ঘণ্টা পরীক্ষা দিতে হয়েছে। এ নিয়ে সমালোচনা হয়।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

শিক্ষকদের বদলির আদেশ মানি না মানব না

২

বরুড়ায় আন্তঃস্কুল ইংলিশ ডিবেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

৩

হঠাৎ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম

৪

গাজী মাজহারুল আনোয়ার স্মরণে গীত অঞ্জলি

৫

প্রবাসীদের আইন মেনে চলতে হবে: মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

সম্পর্কিত

বরুড়ায় আন্তঃস্কুল ইংলিশ ডিবেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বরুড়ায় আন্তঃস্কুল ইংলিশ ডিবেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

৪ ঘণ্টা আগে
হঠাৎ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম

হঠাৎ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম

৪ ঘণ্টা আগে
গাজী মাজহারুল আনোয়ার স্মরণে গীত অঞ্জলি

গাজী মাজহারুল আনোয়ার স্মরণে গীত অঞ্জলি

৫ ঘণ্টা আগে
প্রবাসীদের আইন মেনে চলতে হবে: মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

প্রবাসীদের আইন মেনে চলতে হবে: মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

৫ ঘণ্টা আগে