১৪ কেন্দ্রে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী ১৯৬ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪ টি কেন্দ্রে হেরেছেন। ওই ১৪ কেন্দ্রে তিনি জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ থেকে ২ হাজার ৫৫১ ভোট কম পেয়েছেন।
মনিরুল হক চৌধুরী আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের পাঁচটি কেন্দ্রে ফেল করেন ৯৮৫ ভোট কম পেয়ে। দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের তিনটি কেন্দ্রে ফেল করেন ৭১৩ ভোটে, পাঁচথুবী উত্তর ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ফেল করেন ৩৯২ ভোটে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১ নং ওয়ার্ডের দুইটিকেন্দ্রে ফেল করেন ৩২৭ ভোটে ও কুমিল্লা সেনানিবাসের তিনটি কেন্দ্রে ফেল করেন ১৩৪ ভোটে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি , কুমিল্লা -৬ আসনে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৬ ভোট। এর মধ্যে মনিরুল হক চৌধুরীর ধানের শীষ পেয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৭০৬ ভোট ও জামায়াতের কাজী দ্বীন মোহাম্মদের দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫১ ভোট। কুমিল্লা সদর আসনে জামায়াতের এতো ভোট কিভাবে বাড়ল তা নিয়ে বিএনপিকে আত্নবিশ্লেষণ করতে হবে। গড়ে বেশির ভাগ কেন্দ্রে জামায়াতের ভোট বিএনপির কাছাকাছি, মাঝামাঝি। এ নিয়ে বিএনপিকে এখনই সজাগ হতে হবে।
প্রাপ্ত ভোটের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কালির বাজার ইউনিয়নের পাঁচটি কেন্দ্রে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। এর মধ্যে ধনুয়াখলা আদর্শ পাবলিক ডিগ্রি কলেজে ৬৪ ভোটে, ধনুয়াখলা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ২২ ভোটে, অলিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৪৩ ভোটে, সৈয়দপুর উচ্চবিদ্যালয় - সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৪৩ ভোটে ও কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২১৩ ভোটে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী।
সাহেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুইটি কেন্দ্রে যথাক্রমে ৪২৪ ও ১২৫ ভোটে হেরেছেন। গুনানন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হেরেছেন ১৬৪ ভোটে। রাছিয়া বাগবের ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে হেরেছেন ৩৯২ ভোটে। বিষ্ণুপুর ও পিটিআই স্কুলে যথাক্রমে হেরেছেন ১৪৪ ও ১৮৩ ভোটে।
কুমিল্লা সেনানিবাস স্কুলের তিনকেন্দ্রে হেরেছেন মনিরুল হক চৌধুরী: ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল ও কলেজে ধানের শীষ ২৮ ভোট, দাঁড়িপাল্লা ৯১। এইকেন্দ্রে ৬৩ ভোটে হেরেছেন। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড গার্লস হাইস্কুলে ধানের শীষ ২৮ ভোট ও দাঁড়িপাল্লা ৭৭ ভোট। এই কেন্দ্রে মনিরুল হক চৌধুরী হেরেছেন ৪৯ ভোটে। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালক উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ ভোট পেয়েছে ৬ টি, দাঁড়িপাল্লা ২৮ টি। এইকেন্দ্রেও হেরেছেন ২২ ভোটে।
জানতে চাইলে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, এগুলো নিয়ে দল কাজ করবে। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে জেতাতে হলে এই এলাকাগুলোতে এখন থেকে কাজ করতে হবে। নানা কারণে জামায়াতের ভোট বেড়েছে। একক কোন কারণে নয়।

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী ১৯৬ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪ টি কেন্দ্রে হেরেছেন। ওই ১৪ কেন্দ্রে তিনি জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ থেকে ২ হাজার ৫৫১ ভোট কম পেয়েছেন।
মনিরুল হক চৌধুরী আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের পাঁচটি কেন্দ্রে ফেল করেন ৯৮৫ ভোট কম পেয়ে। দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের তিনটি কেন্দ্রে ফেল করেন ৭১৩ ভোটে, পাঁচথুবী উত্তর ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ফেল করেন ৩৯২ ভোটে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১ নং ওয়ার্ডের দুইটিকেন্দ্রে ফেল করেন ৩২৭ ভোটে ও কুমিল্লা সেনানিবাসের তিনটি কেন্দ্রে ফেল করেন ১৩৪ ভোটে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি , কুমিল্লা -৬ আসনে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৬ ভোট। এর মধ্যে মনিরুল হক চৌধুরীর ধানের শীষ পেয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৭০৬ ভোট ও জামায়াতের কাজী দ্বীন মোহাম্মদের দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫১ ভোট। কুমিল্লা সদর আসনে জামায়াতের এতো ভোট কিভাবে বাড়ল তা নিয়ে বিএনপিকে আত্নবিশ্লেষণ করতে হবে। গড়ে বেশির ভাগ কেন্দ্রে জামায়াতের ভোট বিএনপির কাছাকাছি, মাঝামাঝি। এ নিয়ে বিএনপিকে এখনই সজাগ হতে হবে।
প্রাপ্ত ভোটের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কালির বাজার ইউনিয়নের পাঁচটি কেন্দ্রে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। এর মধ্যে ধনুয়াখলা আদর্শ পাবলিক ডিগ্রি কলেজে ৬৪ ভোটে, ধনুয়াখলা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ২২ ভোটে, অলিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৪৩ ভোটে, সৈয়দপুর উচ্চবিদ্যালয় - সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৪৩ ভোটে ও কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২১৩ ভোটে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী।
সাহেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুইটি কেন্দ্রে যথাক্রমে ৪২৪ ও ১২৫ ভোটে হেরেছেন। গুনানন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হেরেছেন ১৬৪ ভোটে। রাছিয়া বাগবের ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে হেরেছেন ৩৯২ ভোটে। বিষ্ণুপুর ও পিটিআই স্কুলে যথাক্রমে হেরেছেন ১৪৪ ও ১৮৩ ভোটে।
কুমিল্লা সেনানিবাস স্কুলের তিনকেন্দ্রে হেরেছেন মনিরুল হক চৌধুরী: ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল ও কলেজে ধানের শীষ ২৮ ভোট, দাঁড়িপাল্লা ৯১। এইকেন্দ্রে ৬৩ ভোটে হেরেছেন। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড গার্লস হাইস্কুলে ধানের শীষ ২৮ ভোট ও দাঁড়িপাল্লা ৭৭ ভোট। এই কেন্দ্রে মনিরুল হক চৌধুরী হেরেছেন ৪৯ ভোটে। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালক উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ ভোট পেয়েছে ৬ টি, দাঁড়িপাল্লা ২৮ টি। এইকেন্দ্রেও হেরেছেন ২২ ভোটে।
জানতে চাইলে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, এগুলো নিয়ে দল কাজ করবে। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে জেতাতে হলে এই এলাকাগুলোতে এখন থেকে কাজ করতে হবে। নানা কারণে জামায়াতের ভোট বেড়েছে। একক কোন কারণে নয়।