চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বশির ও রাহাত হত্যার বিচারের দাবিতে চৌদ্দগ্রাম থানার সামনে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। আজ রোববার উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার সামনে ২৫ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়। এসময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোসাইন বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করে বলেন হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা হবে। উল্টোদিকে বিক্ষোভকারীরা ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে মিছিল শেষে চৌদ্দগ্রাম বাজারের হায়দার শপিং কমপ্লেক্সের সামনে মানববন্ধন করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-মোশাররফ হোসেন, সাইদুল হোসেন সাব্বির, সাজিন, বেলাল প্রমুখ। এসময় তারা বলেন, বশির ও রাহাত হত্যাকারীদের দ্রæত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। হত্যাকারীরা একই পরিবারের। হত্যা করেও তারা কীভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে এই প্রশ্ন তোলেন তারা? যদি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করা না হয় তাহলে আরো বড় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোসাইন বলেন, বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে হত্যাকারীদের অতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল রাতে পৌর এলাকার বৈদ্দ্যেরখিল গ্রামে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র কওে প্রয়াত বারেক মিয়ার ছেলে আবু রশিদ ও একই এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে নাদির গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সময় নাদিরের পক্ষের লোকজন আবু রশিদকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। খবর পেয়ে আবু রশিদের দুই ছেলে আসিফ ও পারভেজ দলবল নিয়ে এসে নাদিরের পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা করে। হামলায় বশির গুরুতর আহত হয়। হামলায় বশিরের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
পরে আহত অবস্থায় বশির ও আবু রশিদকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাদের দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে সোমবার দিবাগত রাতে বশির ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বশির ও রাহাত হত্যার বিচারের দাবিতে চৌদ্দগ্রাম থানার সামনে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। আজ রোববার উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার সামনে ২৫ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়। এসময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোসাইন বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করে বলেন হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা হবে। উল্টোদিকে বিক্ষোভকারীরা ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে মিছিল শেষে চৌদ্দগ্রাম বাজারের হায়দার শপিং কমপ্লেক্সের সামনে মানববন্ধন করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-মোশাররফ হোসেন, সাইদুল হোসেন সাব্বির, সাজিন, বেলাল প্রমুখ। এসময় তারা বলেন, বশির ও রাহাত হত্যাকারীদের দ্রæত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। হত্যাকারীরা একই পরিবারের। হত্যা করেও তারা কীভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে এই প্রশ্ন তোলেন তারা? যদি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করা না হয় তাহলে আরো বড় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোসাইন বলেন, বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে হত্যাকারীদের অতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল রাতে পৌর এলাকার বৈদ্দ্যেরখিল গ্রামে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র কওে প্রয়াত বারেক মিয়ার ছেলে আবু রশিদ ও একই এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে নাদির গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সময় নাদিরের পক্ষের লোকজন আবু রশিদকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। খবর পেয়ে আবু রশিদের দুই ছেলে আসিফ ও পারভেজ দলবল নিয়ে এসে নাদিরের পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা করে। হামলায় বশির গুরুতর আহত হয়। হামলায় বশিরের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
পরে আহত অবস্থায় বশির ও আবু রশিদকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাদের দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে সোমবার দিবাগত রাতে বশির ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।