সহসভাপতি, যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১০ প্রার্থী
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সুমন ও ওয়াসিম
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সম্মেলন আগামী শনিবার বিকেল তিনটায় টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতি পদে বর্তমান আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন ও সাধারণ সম্পাদক পদে সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একক প্রার্থী থাকায় এই দুই পদে তাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন। তবে সিনিয়র সহসভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ১০ জন।
সিনিয়র সহসভাপতি পদে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান, সদস্য জসিম উদ্দিন, সদস্য সিদ্দিকুর রহমান প্রার্থী হয়েছেন। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হুদা, যুগ্ম আহ্বায়ক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন ও লালমাই উপজেলা বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাহবুব আলম চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন ও নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির নেতা ইকরামুল হক মজুমদার প্রার্থী হয়েছেন।


সম্মেলনে প্রধান অতিথি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রধান বক্তা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, উদ্বোধক বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। বিশেষ অতিথি বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ও আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া। সভাপতিত্ব করবেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন। সঞ্চালক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ভিপি ওয়াসিম।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনে ১ হাজার ৪১৪ জন কাউন্সিলর ও অর্ধ লক্ষাধিক ডেলিগেটস উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে পুরো টাউন হল মাঠজুড়ে প্যান্ডেলের কাজ শেষ পর্যায়ে। সম্মেলন ঘিরে পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। টাউন হলের চারপাশে ব্যানার ও ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে। জেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ফেস্টুন ও ব্যানার দিচ্ছেন। ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা। আজ দুপুরে টাউন হল মাঠের মঞ্চ ব্যবস্থাপনা দেখতে যান কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান, সদস্য সচিব আশিকুর রহহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও বরুড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সমন্বয়ক আবু নাসের মানিক।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন হয়। ১৬ বছর পর এবার আবার সম্মেলন হচ্ছে।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছি। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ হচ্ছে। কুমিল্লার বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও ভোটারেরা ১৬ বছর পর সম্মেলন পাচ্ছেন। দক্ষিণ কুমিল্লার সবকয়টি আসনে বিএনপি জিততে চায়। সেই লক্ষ্যে সক্রিয় নেতৃত্ব করা হবে। গত প্রায় আটমাস ধরে আমরা তৃণমূলে গিয়েছি। সম্মেলনের পর আমাদের কাজ হবে ধানের শীষের পক্ষে উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে কাজ করা। ভোটারের মুখোমুখি দলীয় নেতাকর্মীদের দাঁড়াতে হবে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ধানের শীষের খবর পৌঁছে দিতে হবে। বিএনপি বড় দল। সবাই প্রত্যাশিত পদে স্থান পাবেন না। কিন্তু দলের বিভিন্ন পর্যায়ে থাকবেন। আমরা তখনই সফল হবো, যখন নেত্রী ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ছয়টি আসন দিতে পারব।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সম্মেলন আগামী শনিবার বিকেল তিনটায় টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতি পদে বর্তমান আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন ও সাধারণ সম্পাদক পদে সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একক প্রার্থী থাকায় এই দুই পদে তাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন। তবে সিনিয়র সহসভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ১০ জন।
সিনিয়র সহসভাপতি পদে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান, সদস্য জসিম উদ্দিন, সদস্য সিদ্দিকুর রহমান প্রার্থী হয়েছেন। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হুদা, যুগ্ম আহ্বায়ক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন ও লালমাই উপজেলা বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাহবুব আলম চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন ও নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির নেতা ইকরামুল হক মজুমদার প্রার্থী হয়েছেন।


সম্মেলনে প্রধান অতিথি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রধান বক্তা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, উদ্বোধক বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। বিশেষ অতিথি বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ও আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া। সভাপতিত্ব করবেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন। সঞ্চালক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ভিপি ওয়াসিম।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনে ১ হাজার ৪১৪ জন কাউন্সিলর ও অর্ধ লক্ষাধিক ডেলিগেটস উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে পুরো টাউন হল মাঠজুড়ে প্যান্ডেলের কাজ শেষ পর্যায়ে। সম্মেলন ঘিরে পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। টাউন হলের চারপাশে ব্যানার ও ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে। জেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ফেস্টুন ও ব্যানার দিচ্ছেন। ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা। আজ দুপুরে টাউন হল মাঠের মঞ্চ ব্যবস্থাপনা দেখতে যান কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান, সদস্য সচিব আশিকুর রহহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও বরুড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সমন্বয়ক আবু নাসের মানিক।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন হয়। ১৬ বছর পর এবার আবার সম্মেলন হচ্ছে।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছি। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ হচ্ছে। কুমিল্লার বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও ভোটারেরা ১৬ বছর পর সম্মেলন পাচ্ছেন। দক্ষিণ কুমিল্লার সবকয়টি আসনে বিএনপি জিততে চায়। সেই লক্ষ্যে সক্রিয় নেতৃত্ব করা হবে। গত প্রায় আটমাস ধরে আমরা তৃণমূলে গিয়েছি। সম্মেলনের পর আমাদের কাজ হবে ধানের শীষের পক্ষে উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে কাজ করা। ভোটারের মুখোমুখি দলীয় নেতাকর্মীদের দাঁড়াতে হবে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ধানের শীষের খবর পৌঁছে দিতে হবে। বিএনপি বড় দল। সবাই প্রত্যাশিত পদে স্থান পাবেন না। কিন্তু দলের বিভিন্ন পর্যায়ে থাকবেন। আমরা তখনই সফল হবো, যখন নেত্রী ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ছয়টি আসন দিতে পারব।