নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই দোকানপাট দিয়ে ব্যবসা করছিলেন অসংখ্য ব্যবসায়ী। এতে করে কর আদায় হচ্ছে না। সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ওই খবর পাওয়ার পর প্রশাসক মো. শাহ আলম তৎপর হয়ে উঠেন। তিনি যোগদানের পরপরই সিটি করপোরেশনের কর্মীদের বিভিন্ন বাজারে পাঠান। তাঁরা অবৈধ দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের নামের তালিকা ও ঠিকানা সংগ্রহ করেন। পরে তিনি বাজার শাখাকে নির্দেশ দেন ওদের হোল্ডিং করতে হবে। এরপর একে একে নতুন হোল্ডিং করার কাজ শুরু হয়।
গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে নতুন ১ হাজার ৯৬০টি হোল্ডিং সৃষ্টি করা হয়। এতে সরকার রাজস্ব আয় করে ৪৮ লাখ ৭৮ হাজার ৭৬৮ টাকা।
এছাড়া কর আদায় বেড়ে এবার হয়েছে ৯ কোটি ১৪ লাখ ৫৯ হাজার ২৭৪ টাকা। বর্তমান প্রশাসকের আমলে গত ছয়মাসে কর আদায় বেড়েছে।
জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম বলেন, বৈধভাবে ব্যবসা করতে হবে। হোল্ডিং খুলতে হবে। কর দিতে হবে। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া যাবে না। আমি এখানে যোগদানের পর ভাবলাম, কুমিল্লা প্রাচীন শহর। ঘনবসতি বেশি। ব্যবসায়ী আছেন। তাহলে কম টাকা রাজস্ব আদায় হবে কেন?
পরে সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছি। এই শহরের কিছু মানুষ আইন মানতে চায় না। আমরা তাঁদের আইনের আওতায় আনতে চাই। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে কোয়ালিটি লিডারশীপের অভাব থাকায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রাজস্ব ভালো হলে দেশের জন্য ভালো। রাজস্ব বাড়ানো মানে ব্যবসাকে বৈধ করা। সামনে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। তখন আরও কর আদায় হবে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই দোকানপাট দিয়ে ব্যবসা করছিলেন অসংখ্য ব্যবসায়ী। এতে করে কর আদায় হচ্ছে না। সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ওই খবর পাওয়ার পর প্রশাসক মো. শাহ আলম তৎপর হয়ে উঠেন। তিনি যোগদানের পরপরই সিটি করপোরেশনের কর্মীদের বিভিন্ন বাজারে পাঠান। তাঁরা অবৈধ দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের নামের তালিকা ও ঠিকানা সংগ্রহ করেন। পরে তিনি বাজার শাখাকে নির্দেশ দেন ওদের হোল্ডিং করতে হবে। এরপর একে একে নতুন হোল্ডিং করার কাজ শুরু হয়।
গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে নতুন ১ হাজার ৯৬০টি হোল্ডিং সৃষ্টি করা হয়। এতে সরকার রাজস্ব আয় করে ৪৮ লাখ ৭৮ হাজার ৭৬৮ টাকা।
এছাড়া কর আদায় বেড়ে এবার হয়েছে ৯ কোটি ১৪ লাখ ৫৯ হাজার ২৭৪ টাকা। বর্তমান প্রশাসকের আমলে গত ছয়মাসে কর আদায় বেড়েছে।
জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম বলেন, বৈধভাবে ব্যবসা করতে হবে। হোল্ডিং খুলতে হবে। কর দিতে হবে। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া যাবে না। আমি এখানে যোগদানের পর ভাবলাম, কুমিল্লা প্রাচীন শহর। ঘনবসতি বেশি। ব্যবসায়ী আছেন। তাহলে কম টাকা রাজস্ব আদায় হবে কেন?
পরে সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছি। এই শহরের কিছু মানুষ আইন মানতে চায় না। আমরা তাঁদের আইনের আওতায় আনতে চাই। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে কোয়ালিটি লিডারশীপের অভাব থাকায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রাজস্ব ভালো হলে দেশের জন্য ভালো। রাজস্ব বাড়ানো মানে ব্যবসাকে বৈধ করা। সামনে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। তখন আরও কর আদায় হবে।