কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১৫ বছরে মিলল ২৭৯ জন জনবল। অতিরিক্ত সচিব ও প্রশাসক মো. শাহ আলমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ওই জনবল নিয়োগের গেজেটও গত ৮ মার্চ প্রকাশিত হল। এখন কেবল স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রশাসনিক ছাড় নিয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর বিধি মোতাবেক জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। নতুন এর ফলে নাগরিক সেবা বাড়বে। নগরবাসীও প্রত্যাশিত সেবা পাবেন বলে নগর ভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মনে করছেন।
জানা গেছে, গত ৮ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী কর্তৃক বাংলাদেশ গেজেটে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের কর্মচারী চাকরি বিধিমালা ২০২৬ প্রকাশিত হয়। এতে পদের নাম উল্লেখ করা হয়। কিভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে, কর্মচারীদের বিস্তারিত তথ্য ও তার বিধিমালা তুলে ধরা হয়।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা হয়। তখন কুমিল্লা পৌরসভা ও সদর দক্ষিণ পৌরসভা একীভূত করে সিটি করপোরেশন করা হয়। একই সঙ্গে দুই পৌরসভার জনবল কে সিটি করপোরেশনে যুক্ত করা হয়। তখন স্থায়ী জনবল ছিল ১২২ জন। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে সিটি করপোরেশনে স্থায়ী জনবল ছিল ৮৩ জন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে ছিল ৭১ জন। ২০২৫ সালে ৬৮ জন। বর্তমানে স্থায়ী জনবল কর্মরত আছে ৬৩ জন। এই জনবলের বেশির ভাগই নিজ দায়িত্বের বাইরে অতিরিক্ত ও চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে সিটি করপোরেশনে কাউন্সিলর না থাকায় কর্মকর্তারা নগরের ২৭ টি ওর্য়াড ও নয়টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কর্মচারী আছে ৮৩৭ জন। তাঁরা দৈনিক ৫০০ টাকা করে পাচ্ছেন। শুরুতে তাঁরা ৩৫০ টাকা করে মজুরি পেতেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত পেয়েছেন ৪৫০ টাকা করে। বর্তমানে ৫০০ টাকায় সেটি উন্নীত করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নগর ভবনের কয়েকজন কর্মচারী বলেন, নগর ভবনের অনেকগুলো সেবাখাতে দক্ষ লোক নেই। যে কারণে নগরবাসী প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ ২০১২ সাল থেকে লোকবল নিয়োগের জন্য চিঠি চালাচালি করছে স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে। এক পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামোতে ২৪২ টি পদ অস্থায়ীভাবে সৃজনের সরকারি মঞ্জুরি (জিও) হয়েছে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় সরকার বিভাগ নিয়োগ বিধি করে। এখন গেজেটও হয়েছে।
জানা গেছে, ২৭৯ পদের মধ্যে নগর ভবনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১২৬ টি পদ ও তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের জন্য ১৫৩ টি পদ রয়েছে। সর্বমোট ২৭৯ টি পদের মধ্যে একজন মেয়র ও ৩৬ জন ওয়ার্ড সচিব রয়েছেন। সরকার কোনভাবেই ওয়ার্ড সচিব পদ কাউন্সিলরদের ক্ষেত্রে রাখতে চায় না। এই কারণে ওই ৩৭ পদ বাদ দিয়ে ২৪২ টি পদে নিয়োগ, পদোন্নতির মাধ্যমে লোক নিতে পারবে। এখন নিয়োগ দেওয়ার পালা।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয়তন ৫৩ দশমিক ০৪ বর্গ কিলোমিটার। ওয়ার্ডেও সংখ্যা ২৭ টি। জনসংখ্যা সাত লাখ। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর চারবার মেয়র নির্বাচন ও তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচন হয়। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর টানা দুই মেয়াদে (২০১৭ সালের ৩০ মার্চসহ) তৎকালীন বিএনপি নেতা মো. মনিরুল হক সাক্কু মেয়র ছিলেন।
২০২২ সালের ১৫ জুন আওয়ামী লীগের আরফানুল হক ও ২০২৪ সালের ৯ মার্চ উপনির্বাচনে একই দলের তাহসীন বাহার মেয়র হন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার বিপ্লবের পর এক নির্বাহী আদেশে সারাদেশের মতো কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করা হয়। ওই সময়ে সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও কোটবাড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদ প্রথমে প্রশাসক হিসেবে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর নতুন প্রশাসক পদে যোগ দেন সরকারের যুগ্ম সচিব ( সম্প্রতি তিনি অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন) মো. শাহ আলম।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম বলেন, আমি এখানে যোগদানের পরপরই জানতে পারলাম প্রতিষ্ঠার পর রাজস্ব খাতে কোন লোকবল নিয়োগ হয়নি। বেশির ভাগ বিভাগে যোগ্য লোক নেই। দৈনিক মজুরির কর্মীরা বিভাগ চালান। কাজের লোকের অভাব। যাঁরা আছেন ,তাঁদের বেশির ভাগই অদক্ষ। এদের বেশির ভাগেরই কোন প্রশিক্ষণ নেই। এমনও কর্মকর্তা -কর্মচারী আছেন, যাঁরা জীবনে একটি প্রশিক্ষণও নেননি। আমি যোগদান করেছি, ছয়মাস হল। এরই মধ্যে জনবল নিয়োগের বিধিমালা হলো। গেজেট হলো। এখন স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রশাসনিক ছাড় নিয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এতে করে নগরবাসী প্রত্যাশিত সেবা পাবেন।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১৫ বছরে মিলল ২৭৯ জন জনবল। অতিরিক্ত সচিব ও প্রশাসক মো. শাহ আলমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ওই জনবল নিয়োগের গেজেটও গত ৮ মার্চ প্রকাশিত হল। এখন কেবল স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রশাসনিক ছাড় নিয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর বিধি মোতাবেক জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। নতুন এর ফলে নাগরিক সেবা বাড়বে। নগরবাসীও প্রত্যাশিত সেবা পাবেন বলে নগর ভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মনে করছেন।
জানা গেছে, গত ৮ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী কর্তৃক বাংলাদেশ গেজেটে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের কর্মচারী চাকরি বিধিমালা ২০২৬ প্রকাশিত হয়। এতে পদের নাম উল্লেখ করা হয়। কিভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে, কর্মচারীদের বিস্তারিত তথ্য ও তার বিধিমালা তুলে ধরা হয়।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা হয়। তখন কুমিল্লা পৌরসভা ও সদর দক্ষিণ পৌরসভা একীভূত করে সিটি করপোরেশন করা হয়। একই সঙ্গে দুই পৌরসভার জনবল কে সিটি করপোরেশনে যুক্ত করা হয়। তখন স্থায়ী জনবল ছিল ১২২ জন। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে সিটি করপোরেশনে স্থায়ী জনবল ছিল ৮৩ জন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে ছিল ৭১ জন। ২০২৫ সালে ৬৮ জন। বর্তমানে স্থায়ী জনবল কর্মরত আছে ৬৩ জন। এই জনবলের বেশির ভাগই নিজ দায়িত্বের বাইরে অতিরিক্ত ও চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে সিটি করপোরেশনে কাউন্সিলর না থাকায় কর্মকর্তারা নগরের ২৭ টি ওর্য়াড ও নয়টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কর্মচারী আছে ৮৩৭ জন। তাঁরা দৈনিক ৫০০ টাকা করে পাচ্ছেন। শুরুতে তাঁরা ৩৫০ টাকা করে মজুরি পেতেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত পেয়েছেন ৪৫০ টাকা করে। বর্তমানে ৫০০ টাকায় সেটি উন্নীত করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নগর ভবনের কয়েকজন কর্মচারী বলেন, নগর ভবনের অনেকগুলো সেবাখাতে দক্ষ লোক নেই। যে কারণে নগরবাসী প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ ২০১২ সাল থেকে লোকবল নিয়োগের জন্য চিঠি চালাচালি করছে স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে। এক পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামোতে ২৪২ টি পদ অস্থায়ীভাবে সৃজনের সরকারি মঞ্জুরি (জিও) হয়েছে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় সরকার বিভাগ নিয়োগ বিধি করে। এখন গেজেটও হয়েছে।
জানা গেছে, ২৭৯ পদের মধ্যে নগর ভবনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১২৬ টি পদ ও তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের জন্য ১৫৩ টি পদ রয়েছে। সর্বমোট ২৭৯ টি পদের মধ্যে একজন মেয়র ও ৩৬ জন ওয়ার্ড সচিব রয়েছেন। সরকার কোনভাবেই ওয়ার্ড সচিব পদ কাউন্সিলরদের ক্ষেত্রে রাখতে চায় না। এই কারণে ওই ৩৭ পদ বাদ দিয়ে ২৪২ টি পদে নিয়োগ, পদোন্নতির মাধ্যমে লোক নিতে পারবে। এখন নিয়োগ দেওয়ার পালা।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয়তন ৫৩ দশমিক ০৪ বর্গ কিলোমিটার। ওয়ার্ডেও সংখ্যা ২৭ টি। জনসংখ্যা সাত লাখ। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর চারবার মেয়র নির্বাচন ও তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচন হয়। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর টানা দুই মেয়াদে (২০১৭ সালের ৩০ মার্চসহ) তৎকালীন বিএনপি নেতা মো. মনিরুল হক সাক্কু মেয়র ছিলেন।
২০২২ সালের ১৫ জুন আওয়ামী লীগের আরফানুল হক ও ২০২৪ সালের ৯ মার্চ উপনির্বাচনে একই দলের তাহসীন বাহার মেয়র হন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার বিপ্লবের পর এক নির্বাহী আদেশে সারাদেশের মতো কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করা হয়। ওই সময়ে সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও কোটবাড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদ প্রথমে প্রশাসক হিসেবে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর নতুন প্রশাসক পদে যোগ দেন সরকারের যুগ্ম সচিব ( সম্প্রতি তিনি অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন) মো. শাহ আলম।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম বলেন, আমি এখানে যোগদানের পরপরই জানতে পারলাম প্রতিষ্ঠার পর রাজস্ব খাতে কোন লোকবল নিয়োগ হয়নি। বেশির ভাগ বিভাগে যোগ্য লোক নেই। দৈনিক মজুরির কর্মীরা বিভাগ চালান। কাজের লোকের অভাব। যাঁরা আছেন ,তাঁদের বেশির ভাগই অদক্ষ। এদের বেশির ভাগেরই কোন প্রশিক্ষণ নেই। এমনও কর্মকর্তা -কর্মচারী আছেন, যাঁরা জীবনে একটি প্রশিক্ষণও নেননি। আমি যোগদান করেছি, ছয়মাস হল। এরই মধ্যে জনবল নিয়োগের বিধিমালা হলো। গেজেট হলো। এখন স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রশাসনিক ছাড় নিয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এতে করে নগরবাসী প্রত্যাশিত সেবা পাবেন।