নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও মুঠোফোনের যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের তথ্য জানার পরও তা গোপন রাখার অভিযোগে মো. সিয়াম (১৯) নামের আটক তরুণকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে মামলায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজনে। তিনি সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল রোববার বিকেলে সিয়ামকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়। পরে রাতে অন্য আসামিদের সঙ্গে তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশের ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন অপ্রতিমকে হত্যার পর সিয়ামের সঙ্গে দীর্ঘ সময় আড্ডা দেন এবং তাকে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানান। বিষয়টি জানার পরও সিয়াম তা পুলিশকে জানাননি।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দুই কিশোরকে আদালতের আদেশ অনুযায়ী গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য আদালত অনুমতি দিয়েছেন। অপর দুজন কুমিল্লা কারাগারে থাকবেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিয়ামের বাড়ি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার সূধন্যপুর (নোয়াবাড়ি) এলাকায়। শুক্রবার অপ্রতিমকে হত্যার পর ওই দিন রাত ৯টার দিকে প্রায় দেড় ঘণ্টা সিয়ামের সঙ্গে আড্ডা দেন তুহিন। তাঁরা বন্ধু। এ সময় তুহিন সিয়ামকে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানান বলে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এরপরও সিয়াম বিষয়টি গোপন রাখায় তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এদিকে মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই কিশোর আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের বয়স ১৫ ও ১৬ বছর। আদালতের আদেশে তাদের গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি ১৯ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
গত শুক্রবার কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের ঝোপ-জঙ্গল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও মুঠোফোনের যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের তথ্য জানার পরও তা গোপন রাখার অভিযোগে মো. সিয়াম (১৯) নামের আটক তরুণকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে মামলায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজনে। তিনি সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল রোববার বিকেলে সিয়ামকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়। পরে রাতে অন্য আসামিদের সঙ্গে তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশের ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন অপ্রতিমকে হত্যার পর সিয়ামের সঙ্গে দীর্ঘ সময় আড্ডা দেন এবং তাকে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানান। বিষয়টি জানার পরও সিয়াম তা পুলিশকে জানাননি।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দুই কিশোরকে আদালতের আদেশ অনুযায়ী গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য আদালত অনুমতি দিয়েছেন। অপর দুজন কুমিল্লা কারাগারে থাকবেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিয়ামের বাড়ি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার সূধন্যপুর (নোয়াবাড়ি) এলাকায়। শুক্রবার অপ্রতিমকে হত্যার পর ওই দিন রাত ৯টার দিকে প্রায় দেড় ঘণ্টা সিয়ামের সঙ্গে আড্ডা দেন তুহিন। তাঁরা বন্ধু। এ সময় তুহিন সিয়ামকে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানান বলে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এরপরও সিয়াম বিষয়টি গোপন রাখায় তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এদিকে মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই কিশোর আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের বয়স ১৫ ও ১৬ বছর। আদালতের আদেশে তাদের গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি ১৯ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
গত শুক্রবার কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের ঝোপ-জঙ্গল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।