নিজস্ব প্রতিবেদক

ওয়ান ইলেভেনের সময়ে দেশে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। তখন কমিউনিটির সুশীল সমাজ, শিক্ষক, চিকিৎসক, এনজিও ব্যক্তিত্ব, কমিউনিটির মাতবর, সর্দার, নারীনেত্রী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ সমাজের প্রভাবক ব্যক্তিদের নিয়ে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কমিটি হতো। এবার খোদ বিএনপি নেতারাই কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কমিটিতে। এই ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরাও পদবিতে আছেন।
কুমিল্লা জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি হয়েছেন কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। সহসভাপতি যথাক্রমে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসেম, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম বাবু। দপ্তর সম্পাদক বিএনপি নেতা এডভোকেট মো. মাসুদ হাসান টিপু। মহিলা সম্পাদক কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুফিয়া বেগম, সদস্য যথাক্রমে সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মুহাম্মদ আখতার হোসাইন, নাঙ্গলকোটের বিএনপি নেতা এডভোকেট হামিদুল হক ভূঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন, চৌদ্দগ্রামের বিএনপি নেতা মো. শাহ আলম রাজু, মুরাদনগরের বিএনপি নেতা সৈয়দ মোশতাক আহমেদ, চান্দিনার বিএনপি নেতা কবির আহমদ ভূঁইয়া, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি নেতা মোস্তফা সারওয়ার, উৎপল সারোয়ার, তিতাসের বিএনপি নেতা ডা. সোহেল, হোমনার আল মামুন।
জেলার উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসীম উদ্দীন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিরুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক কামরুল হুদা, বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমান, মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সরওয়ার জাহান দোলন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা জামান, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধর্মমন্ত্রীর মামা সৈয়দ তৌফিক মীর, দাউদকান্দির বিএনপি নেতা ওবায়েদ ভূঁইয়া, হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মহিউদ্দীন, বিএনপি নেতা মাইনুদ্দিন সরকার, আবদুল অদুদ, দেবীদ্বারের আবদুল মান্নান খান ও লালমাই উপজেলার আমান উল্লাহ চেয়ারম্যান।
এদিকে কুমিল্লা মহানগর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি হয়েছেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (ভিপি নজরুল), সহসভাপতি শ্যামল কৃষ্ণ সাহা, জলিস আবদুর রব, জামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খলিলুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক, দপ্তর সম্পাদক ইকরাম হোসেন তাজ, মহিলা সম্পাদক নাজমা আক্তার, সদস্য নেছার আহমেদ রাজু, রিয়াজ খান রাজু, মোরশেদ আলম, মঞ্জুরুল আলম রুবেল, ফেরদৌস পাটোয়ারী, কামাল হোসেন, বদরুল হাসান রাব্বু, আহমেদ শোয়েব সোহেল, সাজ্জাদুল কবীর ও খলিলুর রহমান খলিল।
কুমিল্লার অন্তত পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কমিটি হয় সাধারণত সমাজের অরাজনৈতিক বেশির ভাগ ব্যক্তি নিয়ে। এক্ষেত্রে দেখা গেছে জেলা ও মহানগরের সবাই বিএনপির পদবিধারী নেতা। এভাবে কমিউনিটিতে দলীয়করণ হবে। অপরাধীরা পার পাওয়ারও সম্ভাবনা আছে।
জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগেই নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

ওয়ান ইলেভেনের সময়ে দেশে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। তখন কমিউনিটির সুশীল সমাজ, শিক্ষক, চিকিৎসক, এনজিও ব্যক্তিত্ব, কমিউনিটির মাতবর, সর্দার, নারীনেত্রী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ সমাজের প্রভাবক ব্যক্তিদের নিয়ে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কমিটি হতো। এবার খোদ বিএনপি নেতারাই কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কমিটিতে। এই ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরাও পদবিতে আছেন।
কুমিল্লা জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি হয়েছেন কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। সহসভাপতি যথাক্রমে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসেম, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম বাবু। দপ্তর সম্পাদক বিএনপি নেতা এডভোকেট মো. মাসুদ হাসান টিপু। মহিলা সম্পাদক কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুফিয়া বেগম, সদস্য যথাক্রমে সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মুহাম্মদ আখতার হোসাইন, নাঙ্গলকোটের বিএনপি নেতা এডভোকেট হামিদুল হক ভূঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন, চৌদ্দগ্রামের বিএনপি নেতা মো. শাহ আলম রাজু, মুরাদনগরের বিএনপি নেতা সৈয়দ মোশতাক আহমেদ, চান্দিনার বিএনপি নেতা কবির আহমদ ভূঁইয়া, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি নেতা মোস্তফা সারওয়ার, উৎপল সারোয়ার, তিতাসের বিএনপি নেতা ডা. সোহেল, হোমনার আল মামুন।
জেলার উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসীম উদ্দীন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিরুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক কামরুল হুদা, বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমান, মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সরওয়ার জাহান দোলন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা জামান, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধর্মমন্ত্রীর মামা সৈয়দ তৌফিক মীর, দাউদকান্দির বিএনপি নেতা ওবায়েদ ভূঁইয়া, হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মহিউদ্দীন, বিএনপি নেতা মাইনুদ্দিন সরকার, আবদুল অদুদ, দেবীদ্বারের আবদুল মান্নান খান ও লালমাই উপজেলার আমান উল্লাহ চেয়ারম্যান।
এদিকে কুমিল্লা মহানগর কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি হয়েছেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (ভিপি নজরুল), সহসভাপতি শ্যামল কৃষ্ণ সাহা, জলিস আবদুর রব, জামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খলিলুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক, দপ্তর সম্পাদক ইকরাম হোসেন তাজ, মহিলা সম্পাদক নাজমা আক্তার, সদস্য নেছার আহমেদ রাজু, রিয়াজ খান রাজু, মোরশেদ আলম, মঞ্জুরুল আলম রুবেল, ফেরদৌস পাটোয়ারী, কামাল হোসেন, বদরুল হাসান রাব্বু, আহমেদ শোয়েব সোহেল, সাজ্জাদুল কবীর ও খলিলুর রহমান খলিল।
কুমিল্লার অন্তত পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কমিটি হয় সাধারণত সমাজের অরাজনৈতিক বেশির ভাগ ব্যক্তি নিয়ে। এক্ষেত্রে দেখা গেছে জেলা ও মহানগরের সবাই বিএনপির পদবিধারী নেতা। এভাবে কমিউনিটিতে দলীয়করণ হবে। অপরাধীরা পার পাওয়ারও সম্ভাবনা আছে।
জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগেই নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।