কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

সাত দফা দাবিতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে জেএমআই সিরিঞ্জ এন্ড মেডিকেল ডিভাইস কারখানার শ্রমিকেরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিক্ষোভ করে শ্রমিকেরা। তাঁরা দফায় দফায় বেতন বাড়ানোর দাবি জানান। সকাল থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে একাধিকবার কারখানার মূল ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকার চেষ্টা করে শ্রমিকরা। এ সময় ইট মেরে কারখানার কাঁচও ভাঙ্গা হয়। তবে পুলিশের অবস্থানের কারণে গেইট কিছুটা ভাঙলেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। টানা তিন ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ শেষে বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার পর ইউএনওর আশ্বাসে মহাসড়কের অবরোধ তুলে নেয় শ্রমিকরা। এর আগে গত সোমবার থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়।
আন্দোলনরত শ্রমিকেরা জানান, ২০২৪ সালে শ্রমিকদের আন্দোলন শেষে দাবি মানার আশ্বাস দিলে তারা আন্দোলন বন্ধ করে কাজে যোগ দেয়। কিন্তু সেই দাবিগুলোর অধিকাংশই মানা হয়নি। এরই প্রেক্ষিতে গত সোমবার কাজ বন্ধ করে বেতন ভাতা বৃদ্ধি, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আলাদা নামাজের জায়গার ব্যবস্থা করাসহ ৭ দফা দাবিতে আন্দোলনে নামে তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শ্রমিক অভিযোগ করেন, এবার আন্দোলন মূলত কেন্টিনের ভাতের চাল নিয়ে। তাৎক্ষণিক চাল পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে তারা আন্দোলন শুরু করে। এরপর শুরু হয় একের পর এক গুজব। আবদুর রহিম নামে একজন শ্রমিককে মারধর করা হয়েছে-এমন গুজব ছড়িয়ে আবারো আন্দোলন জোরদার করে শ্রমিকরা। তৃতীয় দিন বুধবার সুফিয়া বেগম এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে জাহিদ ও হাসান নামে দুই শ্রমিককে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে মর্মে চতুর্থ দিনের মতো বৃহস্পতিবার ধর্মঘট শুরু করে কর্তৃপক্ষকে সকল দাবি মেনে নেয়ার আহবান জানায় শ্রমিকরা।
কারখানার মালিক গোলাম মোস্তফার ভাষ্য, শ্রমিকদের চলমান দাবিগুলোর মধ্যে অধিকাংশই সর্বশেষ ২০২৪ সালের আন্দোলন পরবর্তী সময়ে মানা হয়েছে। গত সোমবার থেকে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামে। শ্রমিকদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বিএনপি জামায়াতের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে দাবি মানার আশ্বাসে শ্রমিক প্রতিনিধিরা সভা ত্যাগ করে এবং কাজে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু শ্রমিকদের একটি অংশ আবারও বিশৃঙ্খলা শুরু করে। তিনি আরও জানান, বর্তমান বেতন বাড়ানোর দাবি মানা তার পক্ষে সম্ভব হবে না। প্রয়োজনে তিনি কারখানা বন্ধ করে দেয়ারও হুশিয়ারি দেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সাময়িক সময়ের জন্য মহাসড়ক অবরোধ ছিল। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে আশ্বস্ত করলে মহাসড়কের অবরোধ তুলে নেয়। শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়টি দ্রুততম সময়ে সমাধানের চেষ্টা করছি।

সাত দফা দাবিতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে জেএমআই সিরিঞ্জ এন্ড মেডিকেল ডিভাইস কারখানার শ্রমিকেরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিক্ষোভ করে শ্রমিকেরা। তাঁরা দফায় দফায় বেতন বাড়ানোর দাবি জানান। সকাল থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে একাধিকবার কারখানার মূল ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকার চেষ্টা করে শ্রমিকরা। এ সময় ইট মেরে কারখানার কাঁচও ভাঙ্গা হয়। তবে পুলিশের অবস্থানের কারণে গেইট কিছুটা ভাঙলেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। টানা তিন ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ শেষে বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার পর ইউএনওর আশ্বাসে মহাসড়কের অবরোধ তুলে নেয় শ্রমিকরা। এর আগে গত সোমবার থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়।
আন্দোলনরত শ্রমিকেরা জানান, ২০২৪ সালে শ্রমিকদের আন্দোলন শেষে দাবি মানার আশ্বাস দিলে তারা আন্দোলন বন্ধ করে কাজে যোগ দেয়। কিন্তু সেই দাবিগুলোর অধিকাংশই মানা হয়নি। এরই প্রেক্ষিতে গত সোমবার কাজ বন্ধ করে বেতন ভাতা বৃদ্ধি, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আলাদা নামাজের জায়গার ব্যবস্থা করাসহ ৭ দফা দাবিতে আন্দোলনে নামে তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শ্রমিক অভিযোগ করেন, এবার আন্দোলন মূলত কেন্টিনের ভাতের চাল নিয়ে। তাৎক্ষণিক চাল পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে তারা আন্দোলন শুরু করে। এরপর শুরু হয় একের পর এক গুজব। আবদুর রহিম নামে একজন শ্রমিককে মারধর করা হয়েছে-এমন গুজব ছড়িয়ে আবারো আন্দোলন জোরদার করে শ্রমিকরা। তৃতীয় দিন বুধবার সুফিয়া বেগম এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে জাহিদ ও হাসান নামে দুই শ্রমিককে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে মর্মে চতুর্থ দিনের মতো বৃহস্পতিবার ধর্মঘট শুরু করে কর্তৃপক্ষকে সকল দাবি মেনে নেয়ার আহবান জানায় শ্রমিকরা।
কারখানার মালিক গোলাম মোস্তফার ভাষ্য, শ্রমিকদের চলমান দাবিগুলোর মধ্যে অধিকাংশই সর্বশেষ ২০২৪ সালের আন্দোলন পরবর্তী সময়ে মানা হয়েছে। গত সোমবার থেকে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামে। শ্রমিকদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বিএনপি জামায়াতের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে দাবি মানার আশ্বাসে শ্রমিক প্রতিনিধিরা সভা ত্যাগ করে এবং কাজে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু শ্রমিকদের একটি অংশ আবারও বিশৃঙ্খলা শুরু করে। তিনি আরও জানান, বর্তমান বেতন বাড়ানোর দাবি মানা তার পক্ষে সম্ভব হবে না। প্রয়োজনে তিনি কারখানা বন্ধ করে দেয়ারও হুশিয়ারি দেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সাময়িক সময়ের জন্য মহাসড়ক অবরোধ ছিল। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে আশ্বস্ত করলে মহাসড়কের অবরোধ তুলে নেয়। শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়টি দ্রুততম সময়ে সমাধানের চেষ্টা করছি।