নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়ম করায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়।
এদিকে তাঁকে ওএসডি করায় হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জানা গেছে, হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজ কেনাকাটার ক্ষেত্রে ১০১ টাকার ইনজেকশনের দাম দেখান ১২৯৯ টাকা। এ নিয়ে তদন্তে অনিয়ম প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অভিযোগ, হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজ ওএসডি হলেও তাঁর অনিয়ম ও দরপত্রের টাকা ভাগাভাগির সহচর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ড্যাব কুমিল্লা জেলা শাখার স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মো. মাসুম হাসানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ থেকে সরাতে হবে। অবিলম্বে তাঁর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। তদন্তে তাঁরা দুইজনই দোষী। তদন্ত প্রতিবেদন ধামাচাপা পড়ে আছে।
তবে তদন্ত প্রক্রিয়ায় জড়িত এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
উল্লেখ, ২৪ কোটি টাকার কাজের মধ্যে সোয়া দুই কোটি টাকা ডা.মাসুম ও ডা. পারভেজ ভাগাভাগি করে নেন। এ নিয়ে তদন্ত হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে অনিয়মের সত্যতা মেলে।

২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়ম করায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়।
এদিকে তাঁকে ওএসডি করায় হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জানা গেছে, হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজ কেনাকাটার ক্ষেত্রে ১০১ টাকার ইনজেকশনের দাম দেখান ১২৯৯ টাকা। এ নিয়ে তদন্তে অনিয়ম প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অভিযোগ, হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজ ওএসডি হলেও তাঁর অনিয়ম ও দরপত্রের টাকা ভাগাভাগির সহচর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ড্যাব কুমিল্লা জেলা শাখার স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মো. মাসুম হাসানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ থেকে সরাতে হবে। অবিলম্বে তাঁর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। তদন্তে তাঁরা দুইজনই দোষী। তদন্ত প্রতিবেদন ধামাচাপা পড়ে আছে।
তবে তদন্ত প্রক্রিয়ায় জড়িত এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
উল্লেখ, ২৪ কোটি টাকার কাজের মধ্যে সোয়া দুই কোটি টাকা ডা.মাসুম ও ডা. পারভেজ ভাগাভাগি করে নেন। এ নিয়ে তদন্ত হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে অনিয়মের সত্যতা মেলে।